ঢাকা ০৩:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাশিয়া ও চীনের উত্থান: গত ২৫ বছরে আমূল বদলে যাওয়া বিশ্ব রাজনীতির সমীকরণ ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন: বিশ্বনেতাদের বরণে প্রস্তুত দিল্লি, মোদির সঙ্গে পুতিন-পেজেশকিয়ানের বৈঠক আজ একতরফা আধিপত্য রুখতে ব্রিকসের ওপর জোর দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এআই কি মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকি? বড় সতর্কবার্তা দিলেন গবেষকরা মক্কা চুক্তির পর ইয়েমেনে সৌদি জোটের ব্যাপক বিমান হামলার অভিযোগ শনিবার ভারতে শুরু হচ্ছে ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলন, পুতিনসহ যোগ দিচ্ছেন বিশ্বনেতারা মানুষের বর্জ্য থেকে তৈরি কংক্রিট: প্রচলিত সিমেন্টের চেয়েও বেশি শক্তিশালী ও টেকসই ৯/১১ হামলা ও ইসলামভীতি: যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও বিতর্কিত কিছু তথ্য রাজধানীর বাজারে তেলের সংকট কাটেনি, বেড়েছে আটা-ময়দা ও নিত্যপণ্যের দাম আইএমএফের ব্যয় সংকোচন নীতি নিয়ে অক্সফামের উদ্বেগ, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রাসঙ্গিকতা

শাহজালালে এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটে আসা সাত যাত্রীর ব্যাগ থেকে ৩৮ লিটার মদ জব্দ

  • আপডেট সময় : ১১:৪৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 1
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গত ৮ সেপ্টেম্বর মুম্বাই থেকে ঢাকাগামী এয়ার ইন্ডিয়ার এআই-২১৮৩ ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের এয়ারপোর্ট সার্কেলের সি-শিফট আগে থেকেই সতর্ক অবস্থানে ছিল। সকাল ১০টা ৪৩ মিনিটে ফ্লাইটটি নামার পর ইমিগ্রেশন শেষে গ্রিন চ্যানেল দিয়ে বের হওয়ার সময় সন্দেহভাজন যাত্রীদের ব্যাগেজ তল্লাশি করা হয়।

তল্লাশিতে সাত যাত্রীর কাছ থেকে মোট ৩৮ দশমিক ৫০ লিটার বিদেশি মদ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে আজমল হকের ব্যাগ থেকে ১০ লিটার, মোজাম্মেল হক ভূঁইয়ার ব্যাগ থেকে ৭ লিটার, মো. ইমরানের ব্যাগ থেকে ৬ লিটার এবং বাবুল মিয়ার ব্যাগ থেকে ৬ লিটার মদ জব্দ করা হয়। এছাড়া নাফিজ সাবাত ও আল আমিন শেখের কাছ থেকে ৩ দশমিক ৫০ লিটার করে এবং সাদ্দাম হোসেনের ব্যাগ থেকে ৩ লিটার বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া এসব মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

একাধিক যাত্রীর কাছ থেকে একসঙ্গে এত বিপুল পরিমাণ মদ উদ্ধারের ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। জব্দ করা মদের বিষয়ে প্রচলিত কাস্টমস আইন ও বিধি অনুযায়ী পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সাত যাত্রী ব্যক্তিগতভাবে এই মদ বহন করছিলেন নাকি এর পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ চক্রের হাত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এছাড়া ব্যাগেজে এত পরিমাণ মদ কীভাবে আনা হলো এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, সে বিষয়েও বিস্তারিত যাচাই করা হচ্ছে।

বিমানবন্দরে অবৈধভাবে মদসহ শুল্কযোগ্য বা নিষিদ্ধ পণ্য বহন রোধে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের নজরদারি ও তল্লাশি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। আইন অমান্য করে পণ্য পরিবহনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

শাহজালালে এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটে আসা সাত যাত্রীর ব্যাগ থেকে ৩৮ লিটার মদ জব্দ

আপডেট সময় : ১১:৪৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গত ৮ সেপ্টেম্বর মুম্বাই থেকে ঢাকাগামী এয়ার ইন্ডিয়ার এআই-২১৮৩ ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের এয়ারপোর্ট সার্কেলের সি-শিফট আগে থেকেই সতর্ক অবস্থানে ছিল। সকাল ১০টা ৪৩ মিনিটে ফ্লাইটটি নামার পর ইমিগ্রেশন শেষে গ্রিন চ্যানেল দিয়ে বের হওয়ার সময় সন্দেহভাজন যাত্রীদের ব্যাগেজ তল্লাশি করা হয়।

তল্লাশিতে সাত যাত্রীর কাছ থেকে মোট ৩৮ দশমিক ৫০ লিটার বিদেশি মদ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে আজমল হকের ব্যাগ থেকে ১০ লিটার, মোজাম্মেল হক ভূঁইয়ার ব্যাগ থেকে ৭ লিটার, মো. ইমরানের ব্যাগ থেকে ৬ লিটার এবং বাবুল মিয়ার ব্যাগ থেকে ৬ লিটার মদ জব্দ করা হয়। এছাড়া নাফিজ সাবাত ও আল আমিন শেখের কাছ থেকে ৩ দশমিক ৫০ লিটার করে এবং সাদ্দাম হোসেনের ব্যাগ থেকে ৩ লিটার বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া এসব মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

একাধিক যাত্রীর কাছ থেকে একসঙ্গে এত বিপুল পরিমাণ মদ উদ্ধারের ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। জব্দ করা মদের বিষয়ে প্রচলিত কাস্টমস আইন ও বিধি অনুযায়ী পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সাত যাত্রী ব্যক্তিগতভাবে এই মদ বহন করছিলেন নাকি এর পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ চক্রের হাত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এছাড়া ব্যাগেজে এত পরিমাণ মদ কীভাবে আনা হলো এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, সে বিষয়েও বিস্তারিত যাচাই করা হচ্ছে।

বিমানবন্দরে অবৈধভাবে মদসহ শুল্কযোগ্য বা নিষিদ্ধ পণ্য বহন রোধে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের নজরদারি ও তল্লাশি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। আইন অমান্য করে পণ্য পরিবহনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।