ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার: নিন্দা ও মুক্তির দাবি জামায়াতের পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপি নেতার ১২ লাখ টাকার গরু সম্পদ মুন্সীগঞ্জে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় অভিভাবক গ্রেপ্তার ইসরায়েলে প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত: একজনের মৃত্যু, আহত একজন ডিজেল সংকট: ইউরোপের মজুত ছাড়তে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর চাপ সংগীতের ৬০ বছর: খুরশীদ আলমের সংবর্ধনায় সুজানা রূপার গান চুয়েটে উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে ছুটির দিনেও বিক্ষোভ অক্টোবরে তিনটি লঘুচাপের সম্ভাবনা, হতে পারে ঘূর্ণিঝড় জমজমের পানি সরবরাহে বিলম্ব: বিমানে দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্তির সময় বাড়ালো মন্ত্রণালয়

কারাগারে আদালত বসানো যাবে না সংবিধানের কোথাও লেখা নেই : ওবায়দুল কাদের

  • আপডেট সময় : ০২:৪৫:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮
  • / 228
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সংবিধানের কোথাও লেখা নেই যে কারাগারে আদালত বসানো যাবে না।

তিনি বলেন, বিএনপির আইনজীবীরা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচার কাজ শেষ করতে ১০ বছর সময় পার করেছে। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার বিচার কার্যক্রমকে বিলম্বিত করতেই তারা কারাগারে আদালত বসানোকে সংবিধান লংঘন হিসেবে দাবী করছে।

এ ধরনের দাবিকে ছলনা ও কৌশল হিসেবে উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী কাদের আরো বলেন, বিএনপির নেতারাই এ ধরনের কথা বলে সংবিধান লংঘন করছেন।

ওবায়দুল কাদের আজ বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে যৌথসভার সূচনা বক্তব্যের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ , ডা. দীপুমণি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, বিএম মোজাম্মেল হক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, বিজ্ঞাণ ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাত, যুবলীগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মো. হারুনুর রশিদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এডভোকেট মোল্লা মো. আবু কাওছার, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম, কৃষক লীগের সভাপতি মো. মোতাহার হোসেন মোল্লা এবং যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার উপস্থিত ছিলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কারাগারে আদালত বসানো সংবিধানের সুস্পষ্ট লংঘন। কিন্তু আদালত বসানো যাবে না সে কথা সংবিধানের কোথাও লেখা নেই।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান কারাগারের ভেতর কর্ণেল (অব.) তাহেরের বিচার কিভাবে করেছিলেন তা দেশের মানুষ জানে।
সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যে বয়স তাতে তার চলাফেরা করা কষ্ঠকর। আদালতে তার হাজিরার সুবিধার জন্যই সাবেক কারাগারে এ মামলার বিচারের জন্য আদালত বসানো হয়েছে।
তিনি বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচার কাজ আরো অনেক আগে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিএনপির আইনজীবীরা এ মামলার বিচার কার্যক্রমে ১০ বছর সময় পার করেছেন।
কাদের বলেন, ওই মামলার মত জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচার কার্যক্রমকে বিলমম্বিত করতেই কারাগারে বিশেষ আদালত স্থাপনে সংবিধান লংঘনের দাবি তুলছে। এটা তাদের রাজনৈতিক ছলনা ও কৌশল।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, আদালতে কে হাজিরা দিতে গেল, আর না গেল তা দেখার বিষয় আদালতের। সেটা দেখার বিষয় সরকারের নয়।
তিনি বলেন, সংবিধান, আইন, নিয়ম ও আদালত না মানাই হলো বিএনপির বৈশিষ্ট্য ও চরিত্র। তারা আদালত না মানলে তাদের বিরুদ্ধে আদালত ব্যবস্থা নেবে। এটা আমাদের বিষয় নয়। আদালতের বিষয়।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরো জোরদার করতে দলের সঙ্গে সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের এই যৌথসভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, সাংগঠনিক ক্ষেত্রে কোন কোন বিষয়ে সহযোগী সংগঠনগুলো আওয়ামী লীগের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। এসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার জন্যই এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কারাগারে আদালত বসানো যাবে না সংবিধানের কোথাও লেখা নেই : ওবায়দুল কাদের

আপডেট সময় : ০২:৪৫:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

বিডিসংবাদ ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সংবিধানের কোথাও লেখা নেই যে কারাগারে আদালত বসানো যাবে না।

তিনি বলেন, বিএনপির আইনজীবীরা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচার কাজ শেষ করতে ১০ বছর সময় পার করেছে। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার বিচার কার্যক্রমকে বিলম্বিত করতেই তারা কারাগারে আদালত বসানোকে সংবিধান লংঘন হিসেবে দাবী করছে।

এ ধরনের দাবিকে ছলনা ও কৌশল হিসেবে উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী কাদের আরো বলেন, বিএনপির নেতারাই এ ধরনের কথা বলে সংবিধান লংঘন করছেন।

ওবায়দুল কাদের আজ বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে যৌথসভার সূচনা বক্তব্যের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ , ডা. দীপুমণি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, বিএম মোজাম্মেল হক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, বিজ্ঞাণ ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাত, যুবলীগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মো. হারুনুর রশিদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এডভোকেট মোল্লা মো. আবু কাওছার, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম, কৃষক লীগের সভাপতি মো. মোতাহার হোসেন মোল্লা এবং যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার উপস্থিত ছিলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কারাগারে আদালত বসানো সংবিধানের সুস্পষ্ট লংঘন। কিন্তু আদালত বসানো যাবে না সে কথা সংবিধানের কোথাও লেখা নেই।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান কারাগারের ভেতর কর্ণেল (অব.) তাহেরের বিচার কিভাবে করেছিলেন তা দেশের মানুষ জানে।
সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যে বয়স তাতে তার চলাফেরা করা কষ্ঠকর। আদালতে তার হাজিরার সুবিধার জন্যই সাবেক কারাগারে এ মামলার বিচারের জন্য আদালত বসানো হয়েছে।
তিনি বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচার কাজ আরো অনেক আগে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিএনপির আইনজীবীরা এ মামলার বিচার কার্যক্রমে ১০ বছর সময় পার করেছেন।
কাদের বলেন, ওই মামলার মত জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচার কার্যক্রমকে বিলমম্বিত করতেই কারাগারে বিশেষ আদালত স্থাপনে সংবিধান লংঘনের দাবি তুলছে। এটা তাদের রাজনৈতিক ছলনা ও কৌশল।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, আদালতে কে হাজিরা দিতে গেল, আর না গেল তা দেখার বিষয় আদালতের। সেটা দেখার বিষয় সরকারের নয়।
তিনি বলেন, সংবিধান, আইন, নিয়ম ও আদালত না মানাই হলো বিএনপির বৈশিষ্ট্য ও চরিত্র। তারা আদালত না মানলে তাদের বিরুদ্ধে আদালত ব্যবস্থা নেবে। এটা আমাদের বিষয় নয়। আদালতের বিষয়।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরো জোরদার করতে দলের সঙ্গে সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের এই যৌথসভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, সাংগঠনিক ক্ষেত্রে কোন কোন বিষয়ে সহযোগী সংগঠনগুলো আওয়ামী লীগের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। এসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার জন্যই এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।