ঢাকা ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাঁথিয়ায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ফ্রান্সে কারফিউয়ে নিয়ন্ত্রণে পরিস্থিতি, নতুন বিক্ষোভের শঙ্কা শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের স্টোরে ধোঁয়া তুরস্কের সঙ্গে বিতর্কিত সামুদ্রিক চুক্তিতে অনুমোদন লিবিয়ার পার্লামেন্টের মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে পরিত্যক্ত শুটারগান ও কার্তুজ উদ্ধার কলকারখানায় অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরের ভাড়া বাসায় ডিজে পার্টি ও অসামাজিক রাজাপুরে ইজিবাইক উল্টে ১০ বছর বয়সী শিশুর মৃত্যু ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের প্রভাবে বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম শাহজালাল বিমানবন্দরে পরিত্যক্ত ১২ উড়োজাহাজ নিয়ে উভয় সংকট

অর্থনৈতিক মন্দার ঝুঁকি মোকাবিলায় যেভাবে পরিকল্পনা করবেন আপনার দৈনন্দিন খরচের

  • আপডেট সময় : ০১:২২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 45
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বর্তমান সময়ে মুদ্রাস্ফীতির হার ৯ শতাংশের বেশি, যার অর্থ হলো এ বছর যে পণ্যের দাম ১০০ টাকা, আগামী বছর তা ১০৯ টাকা ছাড়িয়ে যাবে। একদিকে আয় কমছে, অন্যদিকে বাড়ছে ব্যয়। বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দা ও দুর্ভিক্ষের আশঙ্কার এই সময়ে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা অপরিহার্য। ঘনঘন বাইরে ঘুরতে যাওয়া, শখের বশে দামি পোশাক কেনা কিংবা নিয়মিত রেস্টুরেন্টে খাওয়ার অভ্যাস নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। যেসব খরচ না করলেও চলে, সেগুলো তালিকা থেকে বাদ দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কিছু নিয়ম মেনে চলা জরুরি। যেমন, পরিবারের বাইরের জরুরি খরচের জন্য ২০ শতাংশ বরাদ্দ রাখা এবং আয়ের ৩০ শতাংশ সঞ্চয় বা বিনিয়োগের জন্য আলাদা করা। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে রেস্টুরেন্টের পেছনে মাসে ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করা একটি অত্যন্ত বাজে অভ্যাস, যা দীর্ঘমেয়াদে আর্থিক ও মানসিক চাপের কারণ হতে পারে।

খরচের নতুন কোনো খাত তৈরির আগে সেই পরিমাণ বাড়তি আয়ের উৎস নিশ্চিত করা প্রয়োজন। যদি নতুন আয়ের পথ তৈরি করা সম্ভব না হয়, তবে সেই ব্যয় এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। উদাহরণস্বরূপ, একটি গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণে মাসে লক্ষাধিক টাকা খরচ হতে পারে। তাই বাড়তি আয়ের সংস্থান না করে বিলাসিতা করা বোকামি। বর্তমান আয়ের ওপর ভিত্তি করে নতুন কোনো খরচের বোঝা চাপানো উচিত নয়।

সঞ্চয় ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সচেতন হওয়া জরুরি। বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যাংকের সর্বোচ্চ সুদের হার ৭ শতাংশ, যেখানে মুদ্রাস্ফীতি ৯ শতাংশ। অর্থাৎ, ব্যাংকে টাকা রাখলে প্রকৃত অর্থে মূলধনের মান কমছে। তাই অলস টাকা জমিয়ে না রেখে লাভজনক খাতে বিনিয়োগের চেষ্টা করুন, যেখানে মুনাফার হার মুদ্রাস্ফীতির চেয়ে বেশি। মনে রাখবেন, হিসাবি হওয়া মানে কৃপণতা নয়, বরং অনিশ্চিত ভবিষ্যতের জন্য নিজেকে প্রস্তুত রাখা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বেশ কয়েক বছর আমার প্রতিমাসে ক্রেডিট কার্ডে ১৫-২৫ হাজার টাকা শুধু রেস্টুরেন্টের বিল এসছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

অর্থনৈতিক মন্দার ঝুঁকি মোকাবিলায় যেভাবে পরিকল্পনা করবেন আপনার দৈনন্দিন খরচের

আপডেট সময় : ০১:২২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বর্তমান সময়ে মুদ্রাস্ফীতির হার ৯ শতাংশের বেশি, যার অর্থ হলো এ বছর যে পণ্যের দাম ১০০ টাকা, আগামী বছর তা ১০৯ টাকা ছাড়িয়ে যাবে। একদিকে আয় কমছে, অন্যদিকে বাড়ছে ব্যয়। বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দা ও দুর্ভিক্ষের আশঙ্কার এই সময়ে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা অপরিহার্য। ঘনঘন বাইরে ঘুরতে যাওয়া, শখের বশে দামি পোশাক কেনা কিংবা নিয়মিত রেস্টুরেন্টে খাওয়ার অভ্যাস নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। যেসব খরচ না করলেও চলে, সেগুলো তালিকা থেকে বাদ দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কিছু নিয়ম মেনে চলা জরুরি। যেমন, পরিবারের বাইরের জরুরি খরচের জন্য ২০ শতাংশ বরাদ্দ রাখা এবং আয়ের ৩০ শতাংশ সঞ্চয় বা বিনিয়োগের জন্য আলাদা করা। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে রেস্টুরেন্টের পেছনে মাসে ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করা একটি অত্যন্ত বাজে অভ্যাস, যা দীর্ঘমেয়াদে আর্থিক ও মানসিক চাপের কারণ হতে পারে।

খরচের নতুন কোনো খাত তৈরির আগে সেই পরিমাণ বাড়তি আয়ের উৎস নিশ্চিত করা প্রয়োজন। যদি নতুন আয়ের পথ তৈরি করা সম্ভব না হয়, তবে সেই ব্যয় এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। উদাহরণস্বরূপ, একটি গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণে মাসে লক্ষাধিক টাকা খরচ হতে পারে। তাই বাড়তি আয়ের সংস্থান না করে বিলাসিতা করা বোকামি। বর্তমান আয়ের ওপর ভিত্তি করে নতুন কোনো খরচের বোঝা চাপানো উচিত নয়।

সঞ্চয় ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সচেতন হওয়া জরুরি। বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যাংকের সর্বোচ্চ সুদের হার ৭ শতাংশ, যেখানে মুদ্রাস্ফীতি ৯ শতাংশ। অর্থাৎ, ব্যাংকে টাকা রাখলে প্রকৃত অর্থে মূলধনের মান কমছে। তাই অলস টাকা জমিয়ে না রেখে লাভজনক খাতে বিনিয়োগের চেষ্টা করুন, যেখানে মুনাফার হার মুদ্রাস্ফীতির চেয়ে বেশি। মনে রাখবেন, হিসাবি হওয়া মানে কৃপণতা নয়, বরং অনিশ্চিত ভবিষ্যতের জন্য নিজেকে প্রস্তুত রাখা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বেশ কয়েক বছর আমার প্রতিমাসে ক্রেডিট কার্ডে ১৫-২৫ হাজার টাকা শুধু রেস্টুরেন্টের বিল এসছে।