ঢাকা ০৫:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সৌদি রুটে ফ্লাইট বাতিলের সময় বাড়াল ইতিহাদ ও ফ্লাইদুবাই সোনাদিয়া সমুদ্রবন্দর না হওয়ায় বড় কৌশলগত সুযোগ হারিয়েছে বাংলাদেশ অর্থমন্ত্রী -: বিগত সরকারের আমলে জিডিপি’র হিসাবে গরমিল পাওয়া গেছে ইসরাইলি নির্বাচনের ফল চ্যালেঞ্জ করে আদালতে লিকুদ পার্টি প্রকৃত সফলতার পথে মুমিনের জীবনযাপনের ৮টি মৌলিক গুণ নাশকতা ও আতঙ্ক ছড়াতে বাসে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণ: ডিএমপি ইয়েমেনে সৌদি বিমান হামলায় ৩৩ জনের প্রাণহানি ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠিত শেখ হাসিনাকে ফেরাতে আইনি প্রক্রিয়া চলছে: আইনমন্ত্রী আর্থিকের চেয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতিতে বিচার বিভাগের বেশি ক্ষতি: আইনমন্ত্রী

আবারও রিজার্ভ হ্যাকের আশঙ্কা বাংলাদেশ ব্যাংকের

  • আপডেট সময় : ০৭:০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অগাস্ট ২০১৮
  • / 437
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ ডেস্কঃ  নিউ ইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থ চুরির আড়াই বছরের মাথায় আবারও রিজার্ভ চুরির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ম্যালওয়্যার ভাইরাসের মাধ্যমে হ্যাক করে চুরির ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

এ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে চিঠি দিয়েছেন। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এমন ঘটনা আর ঘটবে না।

সূত্র বলছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ হ্যাকের জন্য চারটি দেশ বাংলাদেশের উপর নজর রাখছে। এসব দেশের হ্যাকাররা বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের ম্যানেজমেন্টের দূর্বল দিকগুলো খুজে বের করছে। এমন তথ্য জানিয়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় অর্থমন্ত্রণালয়কে সতর্ক থাকতে বলেছে।

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির পরও বৈশ্বিক ব্যাংকিং লেনদেন ব্যবস্থায় সাইবার হামলার মাধ্যমে অন্যান্য ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে অর্থ চুরি করেছে হ্যাকাররা। দি সোসাইটি ফর ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারব্যাংক টেলিকমিউনিকেশন (সুইফট)-এর এক কর্মকর্তার বয়ান থেকে এমন তথ্য জানা গেছে। একারণে ২০১৬ সালের শেষদিকে লেনদেন ব্যবস্থায় হুমকি বাড়ার বিষয়ে ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করেছিল সুইফট। সেসময় সুইফট বলেছিল, সাইবার হামলার হুমকি বারবার ঘটে চলেছে, ঘটাতে সক্ষম হচ্ছে এবং সূক্ষ্মভাবে তা করা হচ্ছে।

এদিকে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল বলেছিলেন, আর্থিক খাতে সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ একটি চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেছিলেন, ইতোমধ্যে সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে বাংলাদেশ ব্যাংক এর বিভিন্ন দিক নিয়ে কাজ শুরু করেছে। আর্থিক লেনদেনে সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহতভাবে উন্নীতকরণের জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরামর্শ দেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রেও ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউ ইয়র্কে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়। এর মধ্যে ২ কোটি ডলার চলে যায় শ্রীলঙ্কা ও ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চলে যায় ফিলিপাইনে। এরই মধ্যে মাত্র ১৪ দশমিক ৫৪ মিলিয়ন বা এক কোটি ৪৫ লাখ ৪০ হাজার ডলার ফেরত পেয়েছে বাংলাদেশ। তবে ঘটনার প্রায় আড়াই বছর পার হয়ে গেলেও বাকি টাকা এখনো উদ্ধার হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আবারও রিজার্ভ হ্যাকের আশঙ্কা বাংলাদেশ ব্যাংকের

আপডেট সময় : ০৭:০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অগাস্ট ২০১৮

বিডিসংবাদ ডেস্কঃ  নিউ ইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থ চুরির আড়াই বছরের মাথায় আবারও রিজার্ভ চুরির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ম্যালওয়্যার ভাইরাসের মাধ্যমে হ্যাক করে চুরির ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

এ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে চিঠি দিয়েছেন। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এমন ঘটনা আর ঘটবে না।

সূত্র বলছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ হ্যাকের জন্য চারটি দেশ বাংলাদেশের উপর নজর রাখছে। এসব দেশের হ্যাকাররা বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের ম্যানেজমেন্টের দূর্বল দিকগুলো খুজে বের করছে। এমন তথ্য জানিয়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় অর্থমন্ত্রণালয়কে সতর্ক থাকতে বলেছে।

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির পরও বৈশ্বিক ব্যাংকিং লেনদেন ব্যবস্থায় সাইবার হামলার মাধ্যমে অন্যান্য ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে অর্থ চুরি করেছে হ্যাকাররা। দি সোসাইটি ফর ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারব্যাংক টেলিকমিউনিকেশন (সুইফট)-এর এক কর্মকর্তার বয়ান থেকে এমন তথ্য জানা গেছে। একারণে ২০১৬ সালের শেষদিকে লেনদেন ব্যবস্থায় হুমকি বাড়ার বিষয়ে ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করেছিল সুইফট। সেসময় সুইফট বলেছিল, সাইবার হামলার হুমকি বারবার ঘটে চলেছে, ঘটাতে সক্ষম হচ্ছে এবং সূক্ষ্মভাবে তা করা হচ্ছে।

এদিকে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল বলেছিলেন, আর্থিক খাতে সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ একটি চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেছিলেন, ইতোমধ্যে সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে বাংলাদেশ ব্যাংক এর বিভিন্ন দিক নিয়ে কাজ শুরু করেছে। আর্থিক লেনদেনে সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহতভাবে উন্নীতকরণের জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরামর্শ দেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রেও ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউ ইয়র্কে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়। এর মধ্যে ২ কোটি ডলার চলে যায় শ্রীলঙ্কা ও ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চলে যায় ফিলিপাইনে। এরই মধ্যে মাত্র ১৪ দশমিক ৫৪ মিলিয়ন বা এক কোটি ৪৫ লাখ ৪০ হাজার ডলার ফেরত পেয়েছে বাংলাদেশ। তবে ঘটনার প্রায় আড়াই বছর পার হয়ে গেলেও বাকি টাকা এখনো উদ্ধার হয়নি।