ঢাকা ১১:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সম্পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে শেখ সাদীর জীবনদর্শন খুলনা ও বাগেরহাট সফরে প্রধানমন্ত্রী: থাকছে বিশেষ কর্মসূচি নির্বাচনে ভরাডুবির পর ট্রাম্পকে কর্মকৌশল পরিবর্তনের আহ্বান রিপাবলিকানদের মেট্রোরেলসহ তিন প্রকল্পে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ ও অর্থায়ন চায় বাংলাদেশ কিশোরগঞ্জে সাবেক এমপির ছেলেকে নিরাপত্তা ঘটনায়: তদন্তে পুলিশ নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি সিলিন্ডার সীতাকুণ্ডে দুর্ঘটনা: ফুটওভারব্রিজ নির্মাণের চিঠি জেলা প্রশাসকের আন্দোলন দমনে অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর টুঙ্গিপাড়া প্রেস ক্লাবের ৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য প্রীতি সম্মেলন পোশাকশিল্পে অস্থিরতার নেপথ্যে রাজনৈতিক চক্রান্ত, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আর ঘরে বসে থাকার মতো অবস্থা নেই : মোশাররফ করিম

  • আপডেট সময় : ০৬:৩৭:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অগাস্ট ২০২৪
  • / 166
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিনোদন প্রতিবেদক

কোটা সংস্কার আন্দোলন কেন্দ্র করে দেশের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন শিল্পীরা। অন্যদের মতো আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম।

বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটের আনন্দ সিনেমা হলের সামনে সমবেত হন শিল্পীসমাজ।

এ সময় মোশাররফ করিম বলেন, আমাদের দেশে বর্তমানে যে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে, তাতে আমাদের আর ঘরে বসে থাকার মতো অবস্থা নেই।

জনপ্রিয় এ অভিনেতা আরও বলেন, আমরা শান্তি চাই, আমরা রক্ত দেখতে চাই না। আমরা সব নির্যাতন, গুলি, হত্যা, রক্ত বন্ধ চাই। আমরা এগুলোর বাইরে থাকতে চাই।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে সরকারি চাকরির প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে কোটা বাতিল করে জারি করা পরিপত্র হাইকোর্ট অবৈধ ঘোষণার পর শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের ডাক দেয়। এক পর্যায়ে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও আন্দোলনে যোগ দেয়। তাদের সঙ্গে স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদেরও দেখা যায়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা ‘বাংলা ব্লকেড’ নামের অবরোধও দেয়। এক পর্যায়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীসহ সারা দেশে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও সরকার সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্লাস পরীক্ষা স্থগিত করে হল খালি করার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ। অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও বন্ধ করা হয়। গত ১৮ জুলাই আন্দোলনকারীরা সরকারি বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন দেয়। ব্যাপক ভাঙচুর হয় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে।

সহিংসতা-সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে গত ১৯ জুলাই রাতে সারা দেশে কারফিউ জারি করে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। পরে ২১ থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। দেশজুড়ে সংঘাত-সহিংসতা হয়। এতে সরকারি হিসেবে পুলিশ কর্মকর্তাসহ ১৫০ জন নিহত হয়েছেন। সহিংসতা দমনে সরকার অভিযান চালালে গত ২২ জুলাই থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে। ক্রমে বাড়ে কারফিউ শিথিলের সময়। ধীরে ধীরে খুলে দেওয়া হয় অফিস।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আর ঘরে বসে থাকার মতো অবস্থা নেই : মোশাররফ করিম

আপডেট সময় : ০৬:৩৭:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অগাস্ট ২০২৪

বিনোদন প্রতিবেদক

কোটা সংস্কার আন্দোলন কেন্দ্র করে দেশের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন শিল্পীরা। অন্যদের মতো আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম।

বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটের আনন্দ সিনেমা হলের সামনে সমবেত হন শিল্পীসমাজ।

এ সময় মোশাররফ করিম বলেন, আমাদের দেশে বর্তমানে যে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে, তাতে আমাদের আর ঘরে বসে থাকার মতো অবস্থা নেই।

জনপ্রিয় এ অভিনেতা আরও বলেন, আমরা শান্তি চাই, আমরা রক্ত দেখতে চাই না। আমরা সব নির্যাতন, গুলি, হত্যা, রক্ত বন্ধ চাই। আমরা এগুলোর বাইরে থাকতে চাই।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে সরকারি চাকরির প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে কোটা বাতিল করে জারি করা পরিপত্র হাইকোর্ট অবৈধ ঘোষণার পর শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের ডাক দেয়। এক পর্যায়ে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও আন্দোলনে যোগ দেয়। তাদের সঙ্গে স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদেরও দেখা যায়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা ‘বাংলা ব্লকেড’ নামের অবরোধও দেয়। এক পর্যায়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীসহ সারা দেশে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও সরকার সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্লাস পরীক্ষা স্থগিত করে হল খালি করার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ। অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও বন্ধ করা হয়। গত ১৮ জুলাই আন্দোলনকারীরা সরকারি বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন দেয়। ব্যাপক ভাঙচুর হয় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে।

সহিংসতা-সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে গত ১৯ জুলাই রাতে সারা দেশে কারফিউ জারি করে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। পরে ২১ থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। দেশজুড়ে সংঘাত-সহিংসতা হয়। এতে সরকারি হিসেবে পুলিশ কর্মকর্তাসহ ১৫০ জন নিহত হয়েছেন। সহিংসতা দমনে সরকার অভিযান চালালে গত ২২ জুলাই থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে। ক্রমে বাড়ে কারফিউ শিথিলের সময়। ধীরে ধীরে খুলে দেওয়া হয় অফিস।