ঢাকা ০৮:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজার বিমানবন্দরে বোর্ডিং ব্রিজের প্রথম ব্যবহার ইউএস-বাংলার বিএনপির সঙ্গে থাকলেও জামায়াতের মনে আওয়ামী লীগ: রিজভী নারায়ণগঞ্জে ভোরে ছিনতাইয়ের কবলে সাংবাদিক ও তার মেয়ে মক্কায় দুই বাংলাদেশির দণ্ডাদেশ: সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব করল সরকার দুই বছরে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত ডিজিটাল নেটওয়ার্ক গড়বে ইউজিসি নেত্রকোণায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফ মামলার অগ্রগতি ফাঁকা শাহজালাল বিমানবন্দর: সৌদি রুটে ফ্লাইট বন্ধে বদলেছে চিত্র দেশের প্রায় অর্ধেক পরিবার এখন ঋণগ্রস্ত, বলছে নতুন জরিপ ঝিনাইদহে সারের ডিলারশিপ দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে জামায়াতের মানববন্ধন কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান শেখ আব্দুল হান্নান

কক্সবাজার বিমানবন্দরে বোর্ডিং ব্রিজের প্রথম ব্যবহার ইউএস-বাংলার

  • আপডেট সময় : ০৭:৫৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / 2
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে আধুনিক যাত্রীসেবার নতুন এক অধ্যায় সূচিত হলো। প্রথমবারের মতো এই বিমানবন্দরের বোর্ডিং ব্রিজের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজ। গত শনিবার, ১৭ অক্টোবর, এয়ারলাইনসটির ফ্লাইট বিএস ১৪৫-এর বোয়িং ৭৩৭-৮০০ মডেলের উড়োজাহাজটি প্রথমবারের মতো এই নতুন টার্মিনালের বোর্ডিং ব্রিজ ব্যবহার করে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে এই নতুন যাত্রাসেবার কার্যক্রম শুরু হয়।

বোর্ডিং ব্রিজের এই সুবিধা চালুর ফলে যাত্রীরা এখন টার্মিনাল ভবন থেকে সরাসরি উড়োজাহাজে ওঠানামা করতে পারছেন। আগে যাত্রীদের অনেক সময় খোলা আকাশের নিচে হেঁটে বিমানে উঠতে হতো, বিশেষ করে প্রতিকূল আবহাওয়া বা বৃষ্টির সময় এতে নানা ভোগান্তি পোহাতে হতো। বোর্ডিং ব্রিজ ব্যবহারের ফলে রোদ কিংবা বৃষ্টির ঝামেলা ছাড়াই যাত্রীরা নির্বিঘ্নে এবং স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করতে পারবেন। বিমানবন্দরের এই অবকাঠামোগত উন্নয়ন যাত্রীসেবার মান আরও উন্নত করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের শহর কক্সবাজার বর্তমানে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় একটি গন্তব্য। এখানে পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে বিমানপথে যাতায়াতের চাহিদাও বাড়ছে। এমতাবস্থায় নতুন টার্মিনালে আধুনিক বোর্ডিং ব্রিজের সংযোজন পর্যটন অবকাঠামোর বিকাশে বড় ভূমিকা রাখবে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস জানিয়েছে, যাত্রীদের উন্নতমানের ও নিরাপদ সেবা দিতে তারা সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে যাচ্ছে।

তবে এই সুবিধা নিয়মিতভাবে ঠিক কতটি ফ্লাইটের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে বা অন্যান্য এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজগুলো পর্যায়ক্রমে এই বোর্ডিং ব্রিজের সুবিধা পাবে কি না, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আধুনিক বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপকে সংশ্লিষ্টরা বেশ ইতিবাচকভাবেই দেখছেন। এর ফলে কক্সবাজার বিমানবন্দরে আসা যাত্রীদের ভ্রমণ অভিজ্ঞতায় আমূল পরিবর্তন আসার পাশাপাশি বিমানবন্দরের সামগ্রিক সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

কক্সবাজার বিমানবন্দরে বোর্ডিং ব্রিজের প্রথম ব্যবহার ইউএস-বাংলার

আপডেট সময় : ০৭:৫৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে আধুনিক যাত্রীসেবার নতুন এক অধ্যায় সূচিত হলো। প্রথমবারের মতো এই বিমানবন্দরের বোর্ডিং ব্রিজের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজ। গত শনিবার, ১৭ অক্টোবর, এয়ারলাইনসটির ফ্লাইট বিএস ১৪৫-এর বোয়িং ৭৩৭-৮০০ মডেলের উড়োজাহাজটি প্রথমবারের মতো এই নতুন টার্মিনালের বোর্ডিং ব্রিজ ব্যবহার করে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে এই নতুন যাত্রাসেবার কার্যক্রম শুরু হয়।

বোর্ডিং ব্রিজের এই সুবিধা চালুর ফলে যাত্রীরা এখন টার্মিনাল ভবন থেকে সরাসরি উড়োজাহাজে ওঠানামা করতে পারছেন। আগে যাত্রীদের অনেক সময় খোলা আকাশের নিচে হেঁটে বিমানে উঠতে হতো, বিশেষ করে প্রতিকূল আবহাওয়া বা বৃষ্টির সময় এতে নানা ভোগান্তি পোহাতে হতো। বোর্ডিং ব্রিজ ব্যবহারের ফলে রোদ কিংবা বৃষ্টির ঝামেলা ছাড়াই যাত্রীরা নির্বিঘ্নে এবং স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করতে পারবেন। বিমানবন্দরের এই অবকাঠামোগত উন্নয়ন যাত্রীসেবার মান আরও উন্নত করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের শহর কক্সবাজার বর্তমানে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় একটি গন্তব্য। এখানে পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে বিমানপথে যাতায়াতের চাহিদাও বাড়ছে। এমতাবস্থায় নতুন টার্মিনালে আধুনিক বোর্ডিং ব্রিজের সংযোজন পর্যটন অবকাঠামোর বিকাশে বড় ভূমিকা রাখবে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস জানিয়েছে, যাত্রীদের উন্নতমানের ও নিরাপদ সেবা দিতে তারা সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে যাচ্ছে।

তবে এই সুবিধা নিয়মিতভাবে ঠিক কতটি ফ্লাইটের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে বা অন্যান্য এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজগুলো পর্যায়ক্রমে এই বোর্ডিং ব্রিজের সুবিধা পাবে কি না, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আধুনিক বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপকে সংশ্লিষ্টরা বেশ ইতিবাচকভাবেই দেখছেন। এর ফলে কক্সবাজার বিমানবন্দরে আসা যাত্রীদের ভ্রমণ অভিজ্ঞতায় আমূল পরিবর্তন আসার পাশাপাশি বিমানবন্দরের সামগ্রিক সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।