ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ছয় মাসের শীর্ষে এমপির রাজনৈতিক বক্তব্যে হাততালি দেওয়া নিয়ে তোপের মুখে পীরগঞ্জের ইউএনও চরফ্যাশন-ঢাকা নৌরুটে রোটেশন প্রথায় জিম্মি লঞ্চ যাত্রীরা চাঁদাবাজদের ধরতে আসছে নতুন আইন: আইজিপি নতুন পোশাকে যাত্রা শুরু করছে পিআইএ কেবিন ক্রু ফিলিপাইনে প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত, প্রাণ হারালেন চার পাইলট চৌদ্দগ্রামে বিজিবির অভিযানে প্রায় ৩৯ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি রাষ্ট্রদূত দাউদ আলীকে ফেরানো মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব সিদ্ধান্ত: শামা ওবায়েদ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতির আশা পুলিশ বল প্রয়োগে ফ্যাসিবাদী, না করলে দুর্বল: আইজিপি

বিশ্বে যুদ্ধে ক্ষতির শিকার রেকর্ডসংখ্যক শিশু : ইউনিসেফ

  • আপডেট সময় : ০১:৩১:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৪
  • / 217
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

গাজা, ইউক্রেনসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে যুদ্ধের কারণে রেকর্ডসংখ্যক শিশু ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতিসঙ্ঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ।

জাতিসঙ্ঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ জানায়, ২০২৪ সালে গাজা, ইউক্রেনসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে যুদ্ধের কারণে হাজার হাজার শিশু নিহত হয়েছে। যুদ্ধে যেই সংখ্যক শিশু নিহত হয়েছে তার চেয়ে বেশি সংখ্যক অপুষ্টিতে ভুগছে। যেতে পারছে না স্কুলে এবং পাচ্ছে না টিকার মতো অতিপ্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা।

শনিবার এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, রেকর্ডসংখ্যক শিশু যুদ্ধ আক্রান্ত এলাকায় বাস করছে কিংবা বাস্তুচ্যুত হয়েছে। অতীতে কখনো এত সংখ্যক শিশু আক্রান্ত হয়নি।

সংস্থাটির ধারনা, সারাবিশ্বে ৪৭৩ মিলিয়নের বেশি শিশু যুদ্ধ আক্রান্ত এলাকায় বাস করছে। অর্থাৎ প্রতি ছয়জনে এক শিশু এমন পরিস্থিতির শিকার। এর ফলে রেকর্ড সংখ্যক শিশু মারা গেছে, আহত হয়েছে কিংবা অধিকার বঞ্চিত হয়েছে।

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক ক্যাথেরিনা রাসেল বলেন, যেকোনো হিসেবে ইউনিসেফের ইতিহাসে বলা যায়, ২০২৪ সাল ছিল শিশুদের জন্য সবচেয়ে খারাপ বছর।

বেশি আক্রান্ত যেখানে

গাজা, ইউক্রেনসহ যুদ্ধ ও সংঘাতে লিপ্ত এলাকাগুলোতে শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানায় ইউনিসেফ।

সংস্থাটির বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরাইলের হামলায় গাজায় হাজার হাজার ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে। ইউক্রেনে চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে পুরো ২০২৩ সালের তুলনায় বেশি শিশু হতাহতের শিকার হয়েছে। এদিকে মধ্য অ্যামেরিকার দেশ হাইতিতে শিশুদের উপর যৌন নিপীড়নের ঘটনা চলতি বছর এক হাজার ভাগ বেড়েছে। আফ্রিকার সংঘাতপ্রবণ দেশ দক্ষিণ সুদানে বিশাল সংখ্যক শিশু এক বছরের বেশি সময় ধরে স্কুলে যেতে পারছে না।

ইউনিসেফ বলছে, ‌‌‘যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকার শিশুরা প্রতিদিন নানাভাবে আক্রান্ত হয়। ফলে তাদের শৈশব হারিয়ে যায়।’

সূত্র : ডয়েচে ভেলে

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বিশ্বে যুদ্ধে ক্ষতির শিকার রেকর্ডসংখ্যক শিশু : ইউনিসেফ

আপডেট সময় : ০১:৩১:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৪

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

গাজা, ইউক্রেনসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে যুদ্ধের কারণে রেকর্ডসংখ্যক শিশু ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতিসঙ্ঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ।

জাতিসঙ্ঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ জানায়, ২০২৪ সালে গাজা, ইউক্রেনসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে যুদ্ধের কারণে হাজার হাজার শিশু নিহত হয়েছে। যুদ্ধে যেই সংখ্যক শিশু নিহত হয়েছে তার চেয়ে বেশি সংখ্যক অপুষ্টিতে ভুগছে। যেতে পারছে না স্কুলে এবং পাচ্ছে না টিকার মতো অতিপ্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা।

শনিবার এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, রেকর্ডসংখ্যক শিশু যুদ্ধ আক্রান্ত এলাকায় বাস করছে কিংবা বাস্তুচ্যুত হয়েছে। অতীতে কখনো এত সংখ্যক শিশু আক্রান্ত হয়নি।

সংস্থাটির ধারনা, সারাবিশ্বে ৪৭৩ মিলিয়নের বেশি শিশু যুদ্ধ আক্রান্ত এলাকায় বাস করছে। অর্থাৎ প্রতি ছয়জনে এক শিশু এমন পরিস্থিতির শিকার। এর ফলে রেকর্ড সংখ্যক শিশু মারা গেছে, আহত হয়েছে কিংবা অধিকার বঞ্চিত হয়েছে।

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক ক্যাথেরিনা রাসেল বলেন, যেকোনো হিসেবে ইউনিসেফের ইতিহাসে বলা যায়, ২০২৪ সাল ছিল শিশুদের জন্য সবচেয়ে খারাপ বছর।

বেশি আক্রান্ত যেখানে

গাজা, ইউক্রেনসহ যুদ্ধ ও সংঘাতে লিপ্ত এলাকাগুলোতে শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানায় ইউনিসেফ।

সংস্থাটির বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরাইলের হামলায় গাজায় হাজার হাজার ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে। ইউক্রেনে চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে পুরো ২০২৩ সালের তুলনায় বেশি শিশু হতাহতের শিকার হয়েছে। এদিকে মধ্য অ্যামেরিকার দেশ হাইতিতে শিশুদের উপর যৌন নিপীড়নের ঘটনা চলতি বছর এক হাজার ভাগ বেড়েছে। আফ্রিকার সংঘাতপ্রবণ দেশ দক্ষিণ সুদানে বিশাল সংখ্যক শিশু এক বছরের বেশি সময় ধরে স্কুলে যেতে পারছে না।

ইউনিসেফ বলছে, ‌‌‘যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকার শিশুরা প্রতিদিন নানাভাবে আক্রান্ত হয়। ফলে তাদের শৈশব হারিয়ে যায়।’

সূত্র : ডয়েচে ভেলে

বিডিসংবাদ/এএইচএস