ঢাকা ০৯:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা নিয়ে উন্মুক্ত প্রস্তাব চাইল বিশেষ কমিটি রংপুর শিক্ষা অফিসে দুদকের অভিযান, অনিয়মের নথিপত্র জব্দ দুর্গাপূজায় সরকারি চাকুরেদের টানা পাঁচদিনের ছুটির প্রস্তুতি স্কাইট্র্যাক্স র‌্যাঙ্কিংয়ে চতুর্থ স্থানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্ক টাইমসের কর্মকর্তা হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৫ টাকায় মিলছে ছয় পদের খাবার বিশ্ব হার্ট দিবস আজ: নীরব ঘাতক হৃদরোগ থেকে বাঁচতে সচেতনতার বিকল্প নেই রূপপুরের ইউরেনিয়ামবাহী বিমান আটকে যাওয়া নিয়ে মুখ খুলল পাকিস্তান বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ কিশোর গ্যাং ও অপরাধ দমনে বড় অভিযানের পথে প্রশাসন

শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্প: ব্যয় ও মেয়াদ বৃদ্ধি

  • আপডেট সময় : ০৪:৪৩:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 2
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ ও তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় আরও ৮৪৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সভায় এই তৃতীয় সংশোধনী প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়। এ নিয়ে প্রকল্পটির মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ২১৩ কোটি ১০ লাখ টাকা। একই সঙ্গে প্রকল্পের কাজ শেষ করার সময়সীমা ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় ১২টি প্রকল্পের সঙ্গে শাহজালাল বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধনী প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।

সভায় একনেক মোট ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে, যার সম্মিলিত ব্যয় প্রায় ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি টাকা। শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্পটি ২০১৬ সালের জুলাই মাসে যাত্রা শুরু করে। সেই সময়ে মূল অনুমোদিত বাজেট ছিল ১৩ হাজার ৬১০ কোটি টাকার কিছু বেশি। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন প্রয়োজনে দ্বিতীয় সংশোধনী আনা হলে ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ২১ হাজার ৩৬৫ কোটি ৫২ লাখ টাকায়। সর্বশেষ তৃতীয় সংশোধনীতে তা আরও ৮৪৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বৃদ্ধি করা হলো। মূল অনুমোদিত ব্যয়ের তুলনায় বর্তমান প্রস্তাবিত ব্যয় অনেক বেড়েছে।

নতুন সংশোধিত প্রস্তাব অনুসারে, পুরো প্রকল্পের জন্য সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ৫ হাজার ১১৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে। প্রকল্পটির অবশিষ্ট ১৭ হাজার ৯৭ কোটি ১২ লাখ টাকা ঋণ হিসেবে সংস্থান করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের মূল অর্থায়ন মূলত ঋণনির্ভর। মূলত মূল মেয়াদ জুন ২০২২-এ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, কাজের ধীরগতি ও বিভিন্ন জটিলতার কারণে কয়েক দফায় মেয়াদ বৃদ্ধির পর নতুন সময়সীমা ২০২৭ সালের জুন নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রকল্পটির বড় অংশই ঋণনির্ভর অর্থায়নের মাধ্যমে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

তৃতীয় টার্মিনালটি দেশের অন্যতম বৃহৎ বিমান অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প। এর লক্ষ্য হলো বিমানবন্দরের যাত্রী ও উড়োজাহাজ হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সেবা নিশ্চিত করা। প্রকল্পের আওতায় নতুন টার্মিনাল ভবনসহ অত্যাধুনিক যাত্রীসেবা ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ চলছে। বারবার সময় ও ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি আলোচনায় থাকলেও, কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা—নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হলে দেশের প্রধান বিমানবন্দরের সক্ষমতায় আমূল পরিবর্তন আসবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্প: ব্যয় ও মেয়াদ বৃদ্ধি

আপডেট সময় : ০৪:৪৩:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ ও তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় আরও ৮৪৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সভায় এই তৃতীয় সংশোধনী প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়। এ নিয়ে প্রকল্পটির মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ২১৩ কোটি ১০ লাখ টাকা। একই সঙ্গে প্রকল্পের কাজ শেষ করার সময়সীমা ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় ১২টি প্রকল্পের সঙ্গে শাহজালাল বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধনী প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।

সভায় একনেক মোট ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে, যার সম্মিলিত ব্যয় প্রায় ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি টাকা। শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্পটি ২০১৬ সালের জুলাই মাসে যাত্রা শুরু করে। সেই সময়ে মূল অনুমোদিত বাজেট ছিল ১৩ হাজার ৬১০ কোটি টাকার কিছু বেশি। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন প্রয়োজনে দ্বিতীয় সংশোধনী আনা হলে ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ২১ হাজার ৩৬৫ কোটি ৫২ লাখ টাকায়। সর্বশেষ তৃতীয় সংশোধনীতে তা আরও ৮৪৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বৃদ্ধি করা হলো। মূল অনুমোদিত ব্যয়ের তুলনায় বর্তমান প্রস্তাবিত ব্যয় অনেক বেড়েছে।

নতুন সংশোধিত প্রস্তাব অনুসারে, পুরো প্রকল্পের জন্য সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ৫ হাজার ১১৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে। প্রকল্পটির অবশিষ্ট ১৭ হাজার ৯৭ কোটি ১২ লাখ টাকা ঋণ হিসেবে সংস্থান করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের মূল অর্থায়ন মূলত ঋণনির্ভর। মূলত মূল মেয়াদ জুন ২০২২-এ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, কাজের ধীরগতি ও বিভিন্ন জটিলতার কারণে কয়েক দফায় মেয়াদ বৃদ্ধির পর নতুন সময়সীমা ২০২৭ সালের জুন নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রকল্পটির বড় অংশই ঋণনির্ভর অর্থায়নের মাধ্যমে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

তৃতীয় টার্মিনালটি দেশের অন্যতম বৃহৎ বিমান অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প। এর লক্ষ্য হলো বিমানবন্দরের যাত্রী ও উড়োজাহাজ হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সেবা নিশ্চিত করা। প্রকল্পের আওতায় নতুন টার্মিনাল ভবনসহ অত্যাধুনিক যাত্রীসেবা ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ চলছে। বারবার সময় ও ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি আলোচনায় থাকলেও, কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা—নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হলে দেশের প্রধান বিমানবন্দরের সক্ষমতায় আমূল পরিবর্তন আসবে।