ঢাকা ০৩:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সৌদিতে কঠোর বিধিনিষেধ: ১০৩ ফ্লাইটে বিপাকে ১৫ হাজার যাত্রী ইরানে জিবিইউ-৪৩/বি বোমা ব্যবহারের পরিকল্পনা মার্কিন বাহিনীর মোজাম্বিক থেকে দেশে ফিরল প্রবাসী জসিমের মৃত অবস্থায় পাওয়া পেশোয়ারে স্কুলের ছাদ ধসে ২৯ জনের প্রাণহানি আইএমএফের ঋণ পেতে পূরণ করতে হবে নির্দিষ্ট শর্ত: অর্থমন্ত্রী ফেনীর ফাজিলপুরে ১৯ নভেম্বর বিনামূল্যে রোগী দেখবেন অধ্যাপক ডা. কাজী দ্বীন মোহাম্মদ আরামকোর সদর দপ্তর ও রিয়াদে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মুম্বাই পুলিশের নোটিশে দেশ ছাড়ার নির্দেশ পেলেন অভিনেতা ইমরান নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে রোনেন বারের মানহানির মামলা নওগাঁয় বাসে ৬৪০ গ্রাম হেরোইনসহ আটক ১

শিশু ফাহিমা হত্যা মামলার আসামি জাকিরের মৃত্যুদণ্ড

  • আপডেট সময় : ০৩:৩৮:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • / 29
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

সিলেটের আলোচিত শিশু ফাহিমা আক্তার ধর্ষণ চেষ্টা ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি জাকির হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। মামলার বাকী দুই আসামি জাকিরের ভাই জয়নাল আহমদ ও আবুল কালামকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু ওবায়দা এই রায় ঘোষণা করেন।
শিশু ফাহিমা ধর্ষণ চেষ্টা ও হত্যার ঘটনার মাত্র তিন মাসের মাথায় রায় প্রদান করা হলো। এরআগে, মামলার এক মাস পাঁচ দিনের মাথায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। অভিযোগপত্রে প্রধান আসামি জাকির হোসেন ও তার দুই সহোদর জয়নাল আহমদ ও আবুল কালামকে অভিযুক্ত করা হয়। এতে ধর্ষণ চেষ্টা ও হত্যার দায়ে জাকির হোসেনকে অভিযুক্ত করে এবং লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগে তার ২ ভাই জয়নাল ও কালামকে অভিযুক্ত করা হয়।

নিহত ফাহিমা আক্তার (৪) সিলেট সদর উপজেলার কান্দির গাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের দিনমজুর রাইসুল হকের মেয়ে। আর মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত মো. জাকির হোসেন (৩০) একই গ্রামের পশ্চিম পাড়া ধন রায়ের চক এলাকার বাসিন্দা মৃত তোতা মিয়ার ছেলে।

চলতি বছরের ৬ মে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় শিশু ফাহিমা। এর দু’দিন পর গত ৮ মে রাতে বাড়ির পাশ্ববর্তী ডোবা থেকে ফাহিমার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরে ১১ মে রাতে ফাহিমাকে হত্যার অভিযোগে তার প্রতিবেশি চাচা জাকির হোসেনকে (৩০) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর পুলিশের কাছে ও আদালতে ১৬৪ ধারায় এ ঘটনার লোমহর্ষক বর্ণনা দেন জাকির। মূলত ধর্ষণ চেষ্টা করে শিশুটি অজ্ঞান হওয়ায় গলাটিপে তাকে হত্যা করে বলে স্বীকারোক্তিতে জানায় জাকির।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও মহানগর আদালতের পিপি মো. বদরুল আহমদ চৌধুরী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, মাত্র তিন মাসের মধ্যে এই মামলার রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে সিলেটের আদালতে একটি উদাহরণ সৃষ্টি হলো। এমন ঘৃণ্য অপরাধ করে কেউ ছাড় পায় না, আজকের রায় তারই প্রমাণ।

ফাহিমার বাবা রাইসুল হক আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানান।
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

শিশু ফাহিমা হত্যা মামলার আসামি জাকিরের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০৩:৩৮:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

সিলেটের আলোচিত শিশু ফাহিমা আক্তার ধর্ষণ চেষ্টা ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি জাকির হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। মামলার বাকী দুই আসামি জাকিরের ভাই জয়নাল আহমদ ও আবুল কালামকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু ওবায়দা এই রায় ঘোষণা করেন।
শিশু ফাহিমা ধর্ষণ চেষ্টা ও হত্যার ঘটনার মাত্র তিন মাসের মাথায় রায় প্রদান করা হলো। এরআগে, মামলার এক মাস পাঁচ দিনের মাথায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। অভিযোগপত্রে প্রধান আসামি জাকির হোসেন ও তার দুই সহোদর জয়নাল আহমদ ও আবুল কালামকে অভিযুক্ত করা হয়। এতে ধর্ষণ চেষ্টা ও হত্যার দায়ে জাকির হোসেনকে অভিযুক্ত করে এবং লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগে তার ২ ভাই জয়নাল ও কালামকে অভিযুক্ত করা হয়।

নিহত ফাহিমা আক্তার (৪) সিলেট সদর উপজেলার কান্দির গাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের দিনমজুর রাইসুল হকের মেয়ে। আর মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত মো. জাকির হোসেন (৩০) একই গ্রামের পশ্চিম পাড়া ধন রায়ের চক এলাকার বাসিন্দা মৃত তোতা মিয়ার ছেলে।

চলতি বছরের ৬ মে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় শিশু ফাহিমা। এর দু’দিন পর গত ৮ মে রাতে বাড়ির পাশ্ববর্তী ডোবা থেকে ফাহিমার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরে ১১ মে রাতে ফাহিমাকে হত্যার অভিযোগে তার প্রতিবেশি চাচা জাকির হোসেনকে (৩০) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর পুলিশের কাছে ও আদালতে ১৬৪ ধারায় এ ঘটনার লোমহর্ষক বর্ণনা দেন জাকির। মূলত ধর্ষণ চেষ্টা করে শিশুটি অজ্ঞান হওয়ায় গলাটিপে তাকে হত্যা করে বলে স্বীকারোক্তিতে জানায় জাকির।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও মহানগর আদালতের পিপি মো. বদরুল আহমদ চৌধুরী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, মাত্র তিন মাসের মধ্যে এই মামলার রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে সিলেটের আদালতে একটি উদাহরণ সৃষ্টি হলো। এমন ঘৃণ্য অপরাধ করে কেউ ছাড় পায় না, আজকের রায় তারই প্রমাণ।

ফাহিমার বাবা রাইসুল হক আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানান।
বিডিসংবাদ/এএইচএস