স্কাইট্র্যাক্স র্যাঙ্কিংয়ে চতুর্থ স্থানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস
- আপডেট সময় : ০৭:৫৮:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 2
আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিতে আরও এক ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশের বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস। স্কাইট্র্যাক্সের ২০২৬ সালের আঞ্চলিক এয়ারলাইন র্যাঙ্কিংয়ে ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে চতুর্থ স্থান অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আগের দুই বছর, অর্থাৎ ২০২৪ এবং ২০২৫ সালে টানা পঞ্চম অবস্থানে ছিল ইউএস-বাংলা।
সর্বশেষ প্রকাশিত স্কাইট্র্যাক্সের বিশ্ব এয়ারলাইন পুরস্কারের এই তালিকায় প্রথম স্থান পেয়েছে মালদ্বীপের মালদিভিয়ান। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে নেপাল এয়ারলাইনস এবং তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে ভারতের অ্যালায়েন্স এয়ার। চতুর্থ স্থানে ইউএস-বাংলার পরেই পঞ্চম অবস্থানে আছে পাকিস্তানের সেরিনএয়ার। এর আগে ২০২৫ সালের তালিকায় আঞ্চলিক এয়ারলাইন বিভাগে প্রথম ছিল এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস, যার পেছনে ছিল মালদিভিয়ান, অ্যালায়েন্স এয়ার এবং স্টার এয়ারের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো। নতুন এই অবস্থানকে ইউএস-বাংলার জন্য অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
যাত্রীদের সরাসরি মতামতের ভিত্তিতে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়, যা বিশ্বজুড়ে ভ্রমণপিপাসুদের কাছে অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য। ২০২৬ সালের এই র্যাঙ্কিং তৈরির জন্য মূলত ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত এক বছর ধরে জরিপ চালানো হয়েছে। বিশ্বের শতাধিক দেশের যাত্রীদের অংশগ্রহণে পরিচালিত এই মূল্যায়নে তিন শতাধিক এয়ারলাইনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। মূলত ভ্রমণ অভিজ্ঞতা, সেবার মান এবং যাত্রী সন্তুষ্টির বিভিন্ন সূচকের ওপর ভিত্তি করে স্কাইট্র্যাক্স এই তালিকা তৈরি করে থাকে। এতে বিশ্বের শতাধিক দেশের যাত্রীরা অংশ নিয়েছেন।
সংস্থাটির সংজ্ঞা অনুযায়ী, আঞ্চলিক এয়ারলাইন বলতে এমন পূর্ণাঙ্গ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়, যারা সাধারণত ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত দূরত্বের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে। এই মাইলফলক স্পর্শ করার পর ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস জানিয়েছে, তারা ভবিষ্যতে আকাশপথের বহর সম্প্রসারণ, আন্তর্জাতিক রুটের পরিধি বাড়ানো এবং বিভিন্ন গন্তব্যে ফ্লাইট সংখ্যা বৃদ্ধির পরিকল্পনায় অবিচল রয়েছে। যাত্রীসেবা উন্নত করতে প্রযুক্তিগত সুবিধা বৃদ্ধির ওপরও তারা বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বর্তমানে দেশের বেসরকারি এভিয়েশন খাতে শক্তিশালী অবস্থানে থাকা ইউএস-বাংলা কর্তৃপক্ষ মনে করছে, ২০২৬ সালের এই সাফল্য তাদের ধারাবাহিক অগ্রযাত্রার নতুন একটি মাইলফলক। আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ রুটে সেবা সম্প্রসারণের পাশাপাশি বহর ও যাত্রীসেবা উন্নয়নের মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছে এয়ারলাইনটি।



















