ঢাকা ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাপানে ভারী বৃষ্টিতে ৫ জনের মৃত্যু পরমাণু অস্ত্র ঠেকানো নয়, তেলের দাম কম রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য : জেডি ভ্যান্স ১০ কোটি ভিউ পার করলো ইমরান-পড়শীর ‘জনম জনম’ যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়ার আগে নতুন প্রতিরোধ হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার নিউজিল্যান্ডের গোয়েন্দা সংস্থার গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ : চীন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নয়, যুদ্ধে তেলের দাম কমানোই এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সেঞ্চুরি তানজিদের বেগম খালেদা জিয়া : গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা

সন্দ্বীপে নৌকাডুবিতে আরও ৯ লাশ উদ্ধার

  • আপডেট সময় : ০২:১১:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল ২০১৭
  • / 228
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সন্দ্বীপে যাত্রীবাহী নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ আরও নয়জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় লোকজন। মঙ্গলবার বিকেল চারটা পর্যন্ত সন্দ্বীপের বাঁশবাড়িয়া, কুমিরা ও মাইটভাঙ্গা ঘাট ও উপকূলীয় এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সর্বশেষ আরও সাতজন নিখোঁজ রয়েছে।

প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ধারণা, নিখোঁজদের মরদেহ নোয়াখালী উপকূল ও ঠেঙারচর এলাকায় ভেসে যেতে পারে। প্রশাসনের কর্মকর্তারা নিখোঁজদের বেঁচে থাকার আশা নেই বলেই ধারণা করছেন।

যাদের উদ্ধার করা হয়েছে তারা হলেন- স্কুল শিক্ষক মো. ওসমান গণি, মোহাম্মদ ইউসুফ, ইনসেপ্টার বিক্রয় প্রতিনিধি মো. কামরুজ্জামান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারি পরিচালক জানজীম মো. জুবায়ের, টেকনাফের শামসুল আলম, সন্দ্বীপের মুসাপুরের হাফিজ উল্লাহ, হারামিয়ার মাইন উদ্দিন, মুসাপুরের মাকসুদুর রহমান ও বাউরিয়ার নিজাম উদ্দিন।

আজ পর্যন্ত ১৪ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। গত রোববার রাতে সন্দ্বীপ উপকুলে যাত্রীবাহি একটি সী ট্রাক থেকে অপেক্ষাকৃত ছোট নৌকায় ওঠে কুলে ভেড়ার সময় নৌকাটি ডুবে যায়। ওই নৌকায় প্রায় ৬০ জন যাত্রী ছিল।

জানা যায়, টেকনাফের শামসুল আলম প্রথম বারের মতো সন্দ্বীপ এসেছিলেন অপর দুই বন্ধুর সঙ্গে। নৌকাডুবির পর দুই বন্ধু কুলে ওঠতে পারলেও ভেসে যান শামসুল আলম। তারা একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে এসেছিলেন।

সন্দ্বীপের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. গোলাম জাকারিয়া বলেন, লাশ উদ্ধারের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ ও ঘাটের ইজারাদাররা সহযোগিতা করছে। নৌবাহিনীর সদস্যরাও কাজ করছেন। উদ্ধার অভিযানা অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধার অভিযানে সহযোগিতা করার জন্য নৌবাহিনীর দুইটি জাহাজ সন্দ্বীপের আশেপাশে টহল দিচ্ছে। নৌবাহিনীর লে. সালমান আমাদের সময়কে বলেন, অবশিষ্ট নিখোঁজদের উদ্ধারের লক্ষ্যে শাহজালাল ও অপরাজেয় নামের দুইটি জাহাজ সাগর ও সন্দ্বীপ উপকূলে টহল দিচ্ছে। সাগরের বৈরি আবহাওয়ার মধ্যেও এ অভিযান চলছে। নিখোঁজ অবশিষ্টদের খোঁজ না পাওয়া পর্যন্ত এই অভিযান চলবে। তবে বেশি দেরি হলে অভিযান বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে বলে জানান তিনি।

দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের জন্য সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হলেও কমিটির সদস্যরা কাজ শুরু করতে পারেননি। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বহী কর্মকর্তা গোলাম জাকারিয়া বলেন, দুর্ঘটনার ব্যাপারে মোটামুটি একটি ধারণা পাওয়া গেছে। শহর থেকে বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধিরা আসার পর আমরা শিগগির কাজ শুরু করব।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সন্দ্বীপে নৌকাডুবিতে আরও ৯ লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০২:১১:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল ২০১৭

সন্দ্বীপে যাত্রীবাহী নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ আরও নয়জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় লোকজন। মঙ্গলবার বিকেল চারটা পর্যন্ত সন্দ্বীপের বাঁশবাড়িয়া, কুমিরা ও মাইটভাঙ্গা ঘাট ও উপকূলীয় এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সর্বশেষ আরও সাতজন নিখোঁজ রয়েছে।

প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ধারণা, নিখোঁজদের মরদেহ নোয়াখালী উপকূল ও ঠেঙারচর এলাকায় ভেসে যেতে পারে। প্রশাসনের কর্মকর্তারা নিখোঁজদের বেঁচে থাকার আশা নেই বলেই ধারণা করছেন।

যাদের উদ্ধার করা হয়েছে তারা হলেন- স্কুল শিক্ষক মো. ওসমান গণি, মোহাম্মদ ইউসুফ, ইনসেপ্টার বিক্রয় প্রতিনিধি মো. কামরুজ্জামান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারি পরিচালক জানজীম মো. জুবায়ের, টেকনাফের শামসুল আলম, সন্দ্বীপের মুসাপুরের হাফিজ উল্লাহ, হারামিয়ার মাইন উদ্দিন, মুসাপুরের মাকসুদুর রহমান ও বাউরিয়ার নিজাম উদ্দিন।

আজ পর্যন্ত ১৪ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। গত রোববার রাতে সন্দ্বীপ উপকুলে যাত্রীবাহি একটি সী ট্রাক থেকে অপেক্ষাকৃত ছোট নৌকায় ওঠে কুলে ভেড়ার সময় নৌকাটি ডুবে যায়। ওই নৌকায় প্রায় ৬০ জন যাত্রী ছিল।

জানা যায়, টেকনাফের শামসুল আলম প্রথম বারের মতো সন্দ্বীপ এসেছিলেন অপর দুই বন্ধুর সঙ্গে। নৌকাডুবির পর দুই বন্ধু কুলে ওঠতে পারলেও ভেসে যান শামসুল আলম। তারা একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে এসেছিলেন।

সন্দ্বীপের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. গোলাম জাকারিয়া বলেন, লাশ উদ্ধারের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ ও ঘাটের ইজারাদাররা সহযোগিতা করছে। নৌবাহিনীর সদস্যরাও কাজ করছেন। উদ্ধার অভিযানা অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধার অভিযানে সহযোগিতা করার জন্য নৌবাহিনীর দুইটি জাহাজ সন্দ্বীপের আশেপাশে টহল দিচ্ছে। নৌবাহিনীর লে. সালমান আমাদের সময়কে বলেন, অবশিষ্ট নিখোঁজদের উদ্ধারের লক্ষ্যে শাহজালাল ও অপরাজেয় নামের দুইটি জাহাজ সাগর ও সন্দ্বীপ উপকূলে টহল দিচ্ছে। সাগরের বৈরি আবহাওয়ার মধ্যেও এ অভিযান চলছে। নিখোঁজ অবশিষ্টদের খোঁজ না পাওয়া পর্যন্ত এই অভিযান চলবে। তবে বেশি দেরি হলে অভিযান বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে বলে জানান তিনি।

দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের জন্য সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হলেও কমিটির সদস্যরা কাজ শুরু করতে পারেননি। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বহী কর্মকর্তা গোলাম জাকারিয়া বলেন, দুর্ঘটনার ব্যাপারে মোটামুটি একটি ধারণা পাওয়া গেছে। শহর থেকে বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধিরা আসার পর আমরা শিগগির কাজ শুরু করব।