ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইতালিতে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজপথে হাজারো শিক্ষার্থী ও শ্রমিক কাল প্রকাশ হচ্ছে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফল ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন সব বিমানবন্দরে আধুনিক পাখি তাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে বেবিচক রাহুল গান্ধী |: আন্দোলন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত ইন্ডিয়া জোটের রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু পাবনায় ১১টি দেশীয় অস্ত্রসহ সর্বহারা দলের কমান্ডার গ্রেপ্তার কাল প্রকাশ হচ্ছে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফল তিন বিমানবন্দরে বাড়ছে সোনা চোরাচালান, নেপথ্যের কারিগররা অধরা তিন বিমানবন্দরে বাড়ছে সোনা চোরাচালান, নেপথ্যের কারিগররা অধরা

সমাজের বিরাজমান বৈচিত্র্যের প্রতিনিধিত্ব করতে দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট পার্লামেন্ট প্রয়োজন: অধ্যাপক আলী রীয়াজ

  • আপডেট সময় : ১১:৩৫:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
  • / 216
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

সমাজে বিদ্যমান বৈচিত্র্যের প্রতিনিধিত্ব করতে দেশে দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট পার্লামেন্ট প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

আজ রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সাথে রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বিতীয় পর্যায়ের ১৩তম দিনের আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে অধ্যাপক আলী রীয়াজ এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সমাজে যে সকল বৈচিত্র্য রয়েছে তার যথাযথ প্রতিনিধিত্ব করতে আমাদের দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্টের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু, কী পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষ গঠন হবে, সে ব্যাপারে ঐকমত্য হচ্ছেনা।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে কমিশন থেকে দুটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনায় কিছু কিছু প্রস্তাব এসেছে। এসব প্রস্তাব নিয়ে আরো আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।

জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য স্থায়ীভাবে ১০০ আসন করার ব্যাপারে সকলে একমত হয়েছেন উল্লেখ করে কমিশনের সহ-সভাপতি বলেন, এক্ষেত্রেও পদ্ধতিগত প্রশ্ন এখনো রয়ে গেছে। যার ফলে এ পদ্ধতি নির্ধারণে আমরা এখনো একমতের জায়গায় পৌঁছাতে পারিনি।

তিনি জানান, বিদ্যমান ব্যবস্থায় আসন সংখ্যার সংখ্যানুপাতে ৫০ আসনকে ১০০ আসনে উপনীত করা বা সরাসরি নারী আসনে নির্বাচন- কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত এই দুই প্রস্তাবে একমত না হওয়ায় বিগত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন থেকে বিকল্প প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবটি হল, সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের প্রয়োজনীয় সংশোধন করে ভিন্নভাবে নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা। এক্ষেত্রে যে সকল রাজনৈতিক দল ২৫টির বেশি আসনে প্রার্থী দেয় তাদের মধ্যে থেকে ন্যূনতম এক-তৃতীয়াংশ নারী প্রার্থী নিশ্চিত করা।

তিনি আরো বলেন, এই প্রস্তাবের বাইরেও আলোচনায় আরো কিছু প্রস্তাব এসেছে। তাই বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য কমিশন আলোচনা অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আজ আলোচনায় কমিশনের সদস্য হিসেবে বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সাথে আজকের আলোচনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি-সহ ৩০টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

অমীমাংসিত বিষয়ে ঐকমত্য গঠন করতে আগামীকাল সকালে আবারো রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে কমিশন।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সমাজের বিরাজমান বৈচিত্র্যের প্রতিনিধিত্ব করতে দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট পার্লামেন্ট প্রয়োজন: অধ্যাপক আলী রীয়াজ

আপডেট সময় : ১১:৩৫:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

সমাজে বিদ্যমান বৈচিত্র্যের প্রতিনিধিত্ব করতে দেশে দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট পার্লামেন্ট প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

আজ রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সাথে রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বিতীয় পর্যায়ের ১৩তম দিনের আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে অধ্যাপক আলী রীয়াজ এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সমাজে যে সকল বৈচিত্র্য রয়েছে তার যথাযথ প্রতিনিধিত্ব করতে আমাদের দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্টের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু, কী পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষ গঠন হবে, সে ব্যাপারে ঐকমত্য হচ্ছেনা।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে কমিশন থেকে দুটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনায় কিছু কিছু প্রস্তাব এসেছে। এসব প্রস্তাব নিয়ে আরো আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।

জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য স্থায়ীভাবে ১০০ আসন করার ব্যাপারে সকলে একমত হয়েছেন উল্লেখ করে কমিশনের সহ-সভাপতি বলেন, এক্ষেত্রেও পদ্ধতিগত প্রশ্ন এখনো রয়ে গেছে। যার ফলে এ পদ্ধতি নির্ধারণে আমরা এখনো একমতের জায়গায় পৌঁছাতে পারিনি।

তিনি জানান, বিদ্যমান ব্যবস্থায় আসন সংখ্যার সংখ্যানুপাতে ৫০ আসনকে ১০০ আসনে উপনীত করা বা সরাসরি নারী আসনে নির্বাচন- কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত এই দুই প্রস্তাবে একমত না হওয়ায় বিগত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন থেকে বিকল্প প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবটি হল, সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের প্রয়োজনীয় সংশোধন করে ভিন্নভাবে নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা। এক্ষেত্রে যে সকল রাজনৈতিক দল ২৫টির বেশি আসনে প্রার্থী দেয় তাদের মধ্যে থেকে ন্যূনতম এক-তৃতীয়াংশ নারী প্রার্থী নিশ্চিত করা।

তিনি আরো বলেন, এই প্রস্তাবের বাইরেও আলোচনায় আরো কিছু প্রস্তাব এসেছে। তাই বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য কমিশন আলোচনা অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আজ আলোচনায় কমিশনের সদস্য হিসেবে বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সাথে আজকের আলোচনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি-সহ ৩০টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

অমীমাংসিত বিষয়ে ঐকমত্য গঠন করতে আগামীকাল সকালে আবারো রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে কমিশন।

বিডিসংবাদ/এএইচএস