ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাপানে ভারী বৃষ্টিতে ৫ জনের মৃত্যু পরমাণু অস্ত্র ঠেকানো নয়, তেলের দাম কম রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য : জেডি ভ্যান্স ১০ কোটি ভিউ পার করলো ইমরান-পড়শীর ‘জনম জনম’ যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়ার আগে নতুন প্রতিরোধ হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার নিউজিল্যান্ডের গোয়েন্দা সংস্থার গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ : চীন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নয়, যুদ্ধে তেলের দাম কমানোই এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সেঞ্চুরি তানজিদের বেগম খালেদা জিয়া : গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা

অস্ট্রেলিয়ার আদালতে ইলন মাস্কের এক্সকে জরিমানা বহাল

  • আপডেট সময় : ১০:২২:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
  • / 23
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা বিধি মানতে ব্যর্থ হওয়ায়, ইলন মাস্কের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স কর্পোরেশনের বিরুদ্ধে দেওয়া জরিমানা বহাল রেখেছে অস্ট্রেলিয়ার একটি ফেডারেল আদালত।

অস্ট্রেলিয়ার আইনে, অনলাইনে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চেয়ে কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে জানতে চাইতে পারে দেশটির ইন্টারনেট নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক সংস্থা ই-সেফটি।

নির্ধারিত তথ্য না দিলে, প্রতিষ্ঠানকে জরিমানাও করা যায়।

সিডনি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন টুইটারের কাছে শিশু যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত কনটেন্ট ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে— তার ব্যাখ্যা চেয়েছিল ই-সেফটি।

পরের মাসেই টুইটার ইলন মাস্কের নতুন প্রতিষ্ঠান এক্স করপোরেশনের সঙ্গে একীভূত হয়।

পরে কমিশনের বারবার চাওয়া তথ্যের ‘অসম্পূর্ণ’ জবাব দেওয়ার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা করা হয়।

২০২৪ সালের অক্টোবরে ফেডারেল আদালত রায় দেয়, এক্সকে অবশ্যই ওই নোটিশের জবাব দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার আদালত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রতিষ্ঠানটিকে ৬ লাখ ৫০ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার (৪ লাখ ৬৪ হাজার ৯০০ মার্কিন ডলার) জরিমানা পরিশোধের নির্দেশ দেয়।

ফেডারেল বিচারপতি মাইকেল হুইলাহান বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটি বড় করপোরেশন হওয়ায় সর্বোচ্চ জরিমানার কাছাকাছি শাস্তিই উপযুক্ত। যাতে এটি কার্যকর প্রতিরোধ হিসেবে কাজ করে এবং ব্যবসার স্বাভাবিক খরচ হিসেবে না দেখা হয়।’

আদালতের বৃহস্পতিবারের রায়ের পর ই-সেফটির প্রধান জুলি ইনম্যান গ্রান্ট বলেন, ‘প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনতে কার্যকর স্বচ্ছতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটি শুধু অস্ট্রেলিয়ার অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক হিসেবে আমাদের কাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ নয়, বরং এসব প্রতিষ্ঠান তাদের প্ল্যাটফর্মে সবচেয়ে ভয়াবহ কনটেন্ট মোকাবিলায় কী করছে, সে সম্পর্কেও অস্ট্রেলিয়ার জনগণকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়।’
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

অস্ট্রেলিয়ার আদালতে ইলন মাস্কের এক্সকে জরিমানা বহাল

আপডেট সময় : ১০:২২:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা বিধি মানতে ব্যর্থ হওয়ায়, ইলন মাস্কের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স কর্পোরেশনের বিরুদ্ধে দেওয়া জরিমানা বহাল রেখেছে অস্ট্রেলিয়ার একটি ফেডারেল আদালত।

অস্ট্রেলিয়ার আইনে, অনলাইনে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চেয়ে কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে জানতে চাইতে পারে দেশটির ইন্টারনেট নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক সংস্থা ই-সেফটি।

নির্ধারিত তথ্য না দিলে, প্রতিষ্ঠানকে জরিমানাও করা যায়।

সিডনি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন টুইটারের কাছে শিশু যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত কনটেন্ট ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে— তার ব্যাখ্যা চেয়েছিল ই-সেফটি।

পরের মাসেই টুইটার ইলন মাস্কের নতুন প্রতিষ্ঠান এক্স করপোরেশনের সঙ্গে একীভূত হয়।

পরে কমিশনের বারবার চাওয়া তথ্যের ‘অসম্পূর্ণ’ জবাব দেওয়ার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা করা হয়।

২০২৪ সালের অক্টোবরে ফেডারেল আদালত রায় দেয়, এক্সকে অবশ্যই ওই নোটিশের জবাব দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার আদালত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রতিষ্ঠানটিকে ৬ লাখ ৫০ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার (৪ লাখ ৬৪ হাজার ৯০০ মার্কিন ডলার) জরিমানা পরিশোধের নির্দেশ দেয়।

ফেডারেল বিচারপতি মাইকেল হুইলাহান বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটি বড় করপোরেশন হওয়ায় সর্বোচ্চ জরিমানার কাছাকাছি শাস্তিই উপযুক্ত। যাতে এটি কার্যকর প্রতিরোধ হিসেবে কাজ করে এবং ব্যবসার স্বাভাবিক খরচ হিসেবে না দেখা হয়।’

আদালতের বৃহস্পতিবারের রায়ের পর ই-সেফটির প্রধান জুলি ইনম্যান গ্রান্ট বলেন, ‘প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনতে কার্যকর স্বচ্ছতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটি শুধু অস্ট্রেলিয়ার অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক হিসেবে আমাদের কাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ নয়, বরং এসব প্রতিষ্ঠান তাদের প্ল্যাটফর্মে সবচেয়ে ভয়াবহ কনটেন্ট মোকাবিলায় কী করছে, সে সম্পর্কেও অস্ট্রেলিয়ার জনগণকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়।’
বিডিসংবাদ/এএইচএস