ঢাকা ০৩:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এআই যেন বেকারত্ব না বাড়ায়, সতর্ক থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ভিয়েতনামের বিমান শিল্পে ডিজিটাল প্রযুক্তি আনছে এয়ারবাস তেহরানে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর ব্যানার পুড়িয়ে বিক্ষোভ ইরানিদের মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো হবে: প্রধানমন্ত্রী সাইফের সঙ্গেও কথা বলেন না কারিনা, রাত ১০টার পর স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে সাভার-আশুলিয়া ও গাজীপুর শিল্পাঞ্চল সাতক্ষীরায় প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন এক নারী ইউটিউব দেখে জাল নোটের কারখানা গড়ে আটক চার সম্পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে শেখ সাদীর জীবনদর্শন খুলনা ও বাগেরহাট সফরে প্রধানমন্ত্রী: থাকছে বিশেষ কর্মসূচি

এআই দিয়ে মিথ্যা কনটেন্ট তৈরি ও ছড়ানোকে অপরাধ বললেন

  • আপডেট সময় : ০৭:১১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / 20
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্দিষ্ট ব্যক্তির নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি করা এবং তা ছড়িয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, কাউকেই বিনোদনের নামে হেয় করার সুযোগ নেই এবং এটি একটি স্পষ্ট অপরাধ।

বিনোদনের নামে অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ

সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া নিজের বার্তায় মেহজাবীন লিখেছেন, এআই ব্যবহার করে কারও নামে ভুল ও বানানো কনটেন্ট প্রস্তুত করে তা কাউকে অপমান করার উদ্দেশ্যে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া কোনো বিনোদনের উপাদান হতে পারে না। তিনি এই অপকর্মকে সরাসরি অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

পরিবারের গণ্ডি পেরিয়ে সর্বজনীন সম্মানের আহ্বান

কাউকে মানুষ হিসেবে ন্যূনতম সম্মান জানানোর জন্য তাকে নিজের পরিবারের সদস্য বা ঘনিষ্ঠ কেউ হতে হবে কেন, সেই মৌলিক প্রশ্নও তুলেছেন মেহজাবীন চৌধুরী। সাধারণত কোনো নারীর সম্মানহানি হলে কারও মা কিংবা বোনের সঙ্গে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে মানুষের কী প্রতিক্রিয়া হতো—এই সনাতন ও পরিচিত যুক্তির অবতারণা করা হয়। তবে এই নির্দিষ্ট যুক্তির বাইরে গিয়ে তিনি মানুষের প্রতি মানুষের সার্বিক ও সহজাত সম্মানবোধকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানান।

কনটেন্ট তৈরির অপপ্রতিযোগিতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা

মেহজাবীনের গভীর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এই ধরনের ক্ষতিকর ও নীতিবহির্ভূত কনটেন্ট তৈরির বিষয়টি এখন আর নির্দিষ্টভাবে নারী কিংবা পুরুষের একক সীমানায় সীমাবদ্ধ নেই। সামাজিক প্ল্যাটফর্মে অনলাইন ভিউ, ডিজিটাল এনগেজমেন্ট এবং ট্রেন্ডিংয়ের তীব্র প্রতিযোগিতায় মেতে উঠে যেকোনো ব্যক্তি এ ধরনের অপপ্রচারের অংশ হয়ে উঠতে পারেন। একইভাবে যেকোনো সাধারণ বা বিশেষ ব্যক্তি যেকোনো মুহূর্তে এর শিকারও হতে পারেন।

নিজের প্রকাশনার শেষাংশে বিবেক ও নৈতিকতার প্রতি জোর দিয়ে মেহজাবীন লিখেছেন, একজন চিহ্নিত অপরাধীর অপরাধে নিজের সমাংশ বা অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে নিজের বিবেকহীনতার পরিচয় দেবেন কি না, তা সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকেরই গভীরভাবে ভেবে দেখা উচিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

এআই দিয়ে মিথ্যা কনটেন্ট তৈরি ও ছড়ানোকে অপরাধ বললেন

আপডেট সময় : ০৭:১১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্দিষ্ট ব্যক্তির নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি করা এবং তা ছড়িয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, কাউকেই বিনোদনের নামে হেয় করার সুযোগ নেই এবং এটি একটি স্পষ্ট অপরাধ।

বিনোদনের নামে অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ

সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া নিজের বার্তায় মেহজাবীন লিখেছেন, এআই ব্যবহার করে কারও নামে ভুল ও বানানো কনটেন্ট প্রস্তুত করে তা কাউকে অপমান করার উদ্দেশ্যে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া কোনো বিনোদনের উপাদান হতে পারে না। তিনি এই অপকর্মকে সরাসরি অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

পরিবারের গণ্ডি পেরিয়ে সর্বজনীন সম্মানের আহ্বান

কাউকে মানুষ হিসেবে ন্যূনতম সম্মান জানানোর জন্য তাকে নিজের পরিবারের সদস্য বা ঘনিষ্ঠ কেউ হতে হবে কেন, সেই মৌলিক প্রশ্নও তুলেছেন মেহজাবীন চৌধুরী। সাধারণত কোনো নারীর সম্মানহানি হলে কারও মা কিংবা বোনের সঙ্গে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে মানুষের কী প্রতিক্রিয়া হতো—এই সনাতন ও পরিচিত যুক্তির অবতারণা করা হয়। তবে এই নির্দিষ্ট যুক্তির বাইরে গিয়ে তিনি মানুষের প্রতি মানুষের সার্বিক ও সহজাত সম্মানবোধকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানান।

কনটেন্ট তৈরির অপপ্রতিযোগিতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা

মেহজাবীনের গভীর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এই ধরনের ক্ষতিকর ও নীতিবহির্ভূত কনটেন্ট তৈরির বিষয়টি এখন আর নির্দিষ্টভাবে নারী কিংবা পুরুষের একক সীমানায় সীমাবদ্ধ নেই। সামাজিক প্ল্যাটফর্মে অনলাইন ভিউ, ডিজিটাল এনগেজমেন্ট এবং ট্রেন্ডিংয়ের তীব্র প্রতিযোগিতায় মেতে উঠে যেকোনো ব্যক্তি এ ধরনের অপপ্রচারের অংশ হয়ে উঠতে পারেন। একইভাবে যেকোনো সাধারণ বা বিশেষ ব্যক্তি যেকোনো মুহূর্তে এর শিকারও হতে পারেন।

নিজের প্রকাশনার শেষাংশে বিবেক ও নৈতিকতার প্রতি জোর দিয়ে মেহজাবীন লিখেছেন, একজন চিহ্নিত অপরাধীর অপরাধে নিজের সমাংশ বা অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে নিজের বিবেকহীনতার পরিচয় দেবেন কি না, তা সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকেরই গভীরভাবে ভেবে দেখা উচিত।