ঢাকা ০৬:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এবার চীনের নজর আফ্রিকা ও আর্জেন্টিনায়

  • আপডেট সময় : ১২:৫৮:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ মে ২০২৩
  • / 240
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

বিশ্বে নিজেদের প্রভাবকে আরো বিস্তৃত করতে চাইছে চীন। ওই উদ্দেশেই এবার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাইরেও সামরিক ঘাঁটি তৈরি করার প্রস্তুতি নিয়ে এগোচ্ছে বেইজিং। খবরে প্রকাশ, আফ্রিকা মহাদেশের পশ্চিম উপকূলের দেশ ইকুয়েটোরিয়াল গিনির বাটা বন্দরের পাশাপাশি আর্জেন্টিনার একটি প্রদেশও নজরে রয়েছে শি জিনপিং প্রশাসনের। এই দু’টি জায়গাতেই নৌবাহিনীর ঘাঁটি তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

আর্জেন্টিনার উসুইয়া ইন তিয়েরা প্রদেশকে রণকৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে চীন। সমুদ্র তীরবর্তী এই প্রদেশে স্থায়ী বন্দর তৈরি করা গেলে আন্টার্কটিকা যাওয়ার পথ যেমন খুলে যাবে, তেমনই আটলান্তিক এবং প্রশান্ত মহাসাগরের সংযোগস্থলেও আলাদা করে নজরদারি চালানো যাবে। ইতিমধ্যেই দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান বন্দরে রণতরী ইউয়ান ওয়াং ৫-কে দাঁড় করিয়ে রেখেছে বেইজিং। আর্থিক সঙ্কটে ভোগা কম্বোডিয়াতে ঋণ দেয়ার বিনিময়ে রিম বন্দরকে নিজেদের দখলে নিয়েছে চীন। একইভাবে শ্রীলঙ্কার হামবানতোতা বন্দর এবং ইরানের চাবাহার বন্দরকেও বিশেষ নজরে রেখেছে চীন।

কিছু দিন আগেই আমেরিকা প্রভাবিত সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে ইরানকে আলোচনার টেবিলে বসিয়ে কার্যত অসাধ্যসাধন করেছে চীন। এই ঘটনার পরই পশ্চিম এশিয়ায় নিজেদের কৌশলগত প্রভাব বাড়াতে সক্ষম হয়েছে চীন। এবার বিশ্বের অন্যত্রও নিজেদের প্রভাব পড়তে চলেছে তারা। কিছু দিন আগে চীন সফরে এসে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাকরঁ, আমেরিকার প্রভাব থেকে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে চলার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। যা থেকে অনেকের অনুমান ইউরোপের ‘ঐক্যে’ও ফাটল ধরাতে সক্ষম হয়েছে চীন।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

এবার চীনের নজর আফ্রিকা ও আর্জেন্টিনায়

আপডেট সময় : ১২:৫৮:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ মে ২০২৩

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

বিশ্বে নিজেদের প্রভাবকে আরো বিস্তৃত করতে চাইছে চীন। ওই উদ্দেশেই এবার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাইরেও সামরিক ঘাঁটি তৈরি করার প্রস্তুতি নিয়ে এগোচ্ছে বেইজিং। খবরে প্রকাশ, আফ্রিকা মহাদেশের পশ্চিম উপকূলের দেশ ইকুয়েটোরিয়াল গিনির বাটা বন্দরের পাশাপাশি আর্জেন্টিনার একটি প্রদেশও নজরে রয়েছে শি জিনপিং প্রশাসনের। এই দু’টি জায়গাতেই নৌবাহিনীর ঘাঁটি তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

আর্জেন্টিনার উসুইয়া ইন তিয়েরা প্রদেশকে রণকৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে চীন। সমুদ্র তীরবর্তী এই প্রদেশে স্থায়ী বন্দর তৈরি করা গেলে আন্টার্কটিকা যাওয়ার পথ যেমন খুলে যাবে, তেমনই আটলান্তিক এবং প্রশান্ত মহাসাগরের সংযোগস্থলেও আলাদা করে নজরদারি চালানো যাবে। ইতিমধ্যেই দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান বন্দরে রণতরী ইউয়ান ওয়াং ৫-কে দাঁড় করিয়ে রেখেছে বেইজিং। আর্থিক সঙ্কটে ভোগা কম্বোডিয়াতে ঋণ দেয়ার বিনিময়ে রিম বন্দরকে নিজেদের দখলে নিয়েছে চীন। একইভাবে শ্রীলঙ্কার হামবানতোতা বন্দর এবং ইরানের চাবাহার বন্দরকেও বিশেষ নজরে রেখেছে চীন।

কিছু দিন আগেই আমেরিকা প্রভাবিত সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে ইরানকে আলোচনার টেবিলে বসিয়ে কার্যত অসাধ্যসাধন করেছে চীন। এই ঘটনার পরই পশ্চিম এশিয়ায় নিজেদের কৌশলগত প্রভাব বাড়াতে সক্ষম হয়েছে চীন। এবার বিশ্বের অন্যত্রও নিজেদের প্রভাব পড়তে চলেছে তারা। কিছু দিন আগে চীন সফরে এসে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাকরঁ, আমেরিকার প্রভাব থেকে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে চলার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। যা থেকে অনেকের অনুমান ইউরোপের ‘ঐক্যে’ও ফাটল ধরাতে সক্ষম হয়েছে চীন।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

বিডিসংবাদ/এএইচএস