ঢাকা ১০:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট সময় : ০৯:৩৯:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 1
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে চার মন্ত্রীসহ ৩৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারের উচ্চপর্যায়ের সূত্র অনুযায়ী, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলায় ভাষণ দেবেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম সফরের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

বর্তমান সরকারের জন্য জাতিসংঘের এই বৈশ্বিক মঞ্চে এটি প্রথম অংশগ্রহণ এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো এই অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এবারের অধিবেশনটি বাংলাদেশের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বর্তমানে সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী দলের মধ্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ছাড়াও কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব রয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর ২২ সেপ্টেম্বর থেকে তার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে। ওইদিন সকালে জাতিসংঘ মহাসচিবের আয়োজনে রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের জন্য নির্ধারিত স্বাগত প্রাতঃরাশে তিনি যোগ দেবেন। এরপর সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং বিকেলে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দেওয়া অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে তার অংশ নেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে।

২৩ সেপ্টেম্বর সকালে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতব্য ও মানবিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সাথে প্রাতঃরাশ সভায় মতবিনিময় করবেন। পরে ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, নরওয়ে ও স্পেনের যৌথ আয়োজনে বৈশ্বিক বৈষম্য সংকট মোকাবিলা বিষয়ক সভায় তিনি বক্তব্য দেবেন। একই দিন বিকেলে জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্যোগে ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড দ্য জাস্ট ট্রানজিশন’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

২৪ সেপ্টেম্বর সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট অস্তিত্বগত হুমকি বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভায় উদ্বোধনী ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের পক্ষে জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন প্রক্রিয়া, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবি জোরালোভাবে উপস্থাপন করবেন। বিকেলে সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রা, আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, রোহিঙ্গা সংকট, বিশ্বশান্তি ও নারীর ক্ষমতায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যুতে বক্তব্য রাখবেন।

সফরকালে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ২৩ সেপ্টেম্বর একটি বিশেষ সাইড ইভেন্টে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী, যেখানে তিনি রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহায়তা চাইবেন। এছাড়া ২৪ সেপ্টেম্বর মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য এবং মিডওয়াইফারি বিষয়ক অপর একটি সাইড ইভেন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও দক্ষ ধাত্রীসেবার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কথা বলবেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স এবং ক্রোয়েশিয়া, ভুটান, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান ও হাইতির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। এ ছাড়াও জাতিসংঘ মহাসচিব, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্টসহ জাতিসংঘের বিভিন্ন বিশেষ দূত ও হাইকমিশনারদের সঙ্গে তার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাতের সূচি রয়েছে। পাশাপাশি অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে ওয়াল স্ট্রিট ও মেটাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা তুলে ধরবেন তিনি।

পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, এই সফরের মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে একটি গণতান্ত্রিক ও আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশের বার্তা পৌঁছে দিতে চায় সরকার। নিউইয়র্কের কর্মসূচি শেষে ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ২৩ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক সাইড ইভেন্টে তিনি রোহিঙ্গাদের দ্রুততম সময়ে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর সহযোগিতা চাইবেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সফরসঙ্গীদের তালিকায় দুই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও রয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার ভাষণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নবযাত্রা, আইনের শাসন ও জবাবদিহিতা, বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, যুব ও নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট, আধুনিক প্রযুক্তির ন্যায়সঙ্গত ব্যবহার এবং বহুপাক্ষিক। চাকরির আরও তথ্য: এসব বৈঠকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। চাকরির আরও তথ্য: এসব আলোচনায় বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ, উৎপাদন, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি খাতের সম্ভাবনা, দক্ষতা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং তরুণদের জন্য মানসম্পন্ন কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:৩৯:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে চার মন্ত্রীসহ ৩৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারের উচ্চপর্যায়ের সূত্র অনুযায়ী, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলায় ভাষণ দেবেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম সফরের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

বর্তমান সরকারের জন্য জাতিসংঘের এই বৈশ্বিক মঞ্চে এটি প্রথম অংশগ্রহণ এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো এই অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এবারের অধিবেশনটি বাংলাদেশের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বর্তমানে সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী দলের মধ্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ছাড়াও কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব রয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর ২২ সেপ্টেম্বর থেকে তার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে। ওইদিন সকালে জাতিসংঘ মহাসচিবের আয়োজনে রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের জন্য নির্ধারিত স্বাগত প্রাতঃরাশে তিনি যোগ দেবেন। এরপর সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং বিকেলে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দেওয়া অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে তার অংশ নেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে।

২৩ সেপ্টেম্বর সকালে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতব্য ও মানবিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সাথে প্রাতঃরাশ সভায় মতবিনিময় করবেন। পরে ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, নরওয়ে ও স্পেনের যৌথ আয়োজনে বৈশ্বিক বৈষম্য সংকট মোকাবিলা বিষয়ক সভায় তিনি বক্তব্য দেবেন। একই দিন বিকেলে জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্যোগে ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড দ্য জাস্ট ট্রানজিশন’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

২৪ সেপ্টেম্বর সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট অস্তিত্বগত হুমকি বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভায় উদ্বোধনী ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের পক্ষে জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন প্রক্রিয়া, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবি জোরালোভাবে উপস্থাপন করবেন। বিকেলে সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রা, আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, রোহিঙ্গা সংকট, বিশ্বশান্তি ও নারীর ক্ষমতায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যুতে বক্তব্য রাখবেন।

সফরকালে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ২৩ সেপ্টেম্বর একটি বিশেষ সাইড ইভেন্টে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী, যেখানে তিনি রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহায়তা চাইবেন। এছাড়া ২৪ সেপ্টেম্বর মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য এবং মিডওয়াইফারি বিষয়ক অপর একটি সাইড ইভেন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও দক্ষ ধাত্রীসেবার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কথা বলবেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স এবং ক্রোয়েশিয়া, ভুটান, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান ও হাইতির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। এ ছাড়াও জাতিসংঘ মহাসচিব, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্টসহ জাতিসংঘের বিভিন্ন বিশেষ দূত ও হাইকমিশনারদের সঙ্গে তার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাতের সূচি রয়েছে। পাশাপাশি অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে ওয়াল স্ট্রিট ও মেটাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা তুলে ধরবেন তিনি।

পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, এই সফরের মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে একটি গণতান্ত্রিক ও আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশের বার্তা পৌঁছে দিতে চায় সরকার। নিউইয়র্কের কর্মসূচি শেষে ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ২৩ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক সাইড ইভেন্টে তিনি রোহিঙ্গাদের দ্রুততম সময়ে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর সহযোগিতা চাইবেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সফরসঙ্গীদের তালিকায় দুই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও রয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার ভাষণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নবযাত্রা, আইনের শাসন ও জবাবদিহিতা, বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, যুব ও নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট, আধুনিক প্রযুক্তির ন্যায়সঙ্গত ব্যবহার এবং বহুপাক্ষিক। চাকরির আরও তথ্য: এসব বৈঠকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। চাকরির আরও তথ্য: এসব আলোচনায় বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ, উৎপাদন, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি খাতের সম্ভাবনা, দক্ষতা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং তরুণদের জন্য মানসম্পন্ন কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।