টার্কিশ এয়ারলাইন্সের সেবা প্রসারে গলফহাউসের সাথে নতুন চুক্তি
- আপডেট সময় : ১২:৩২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
- / 1
টার্কিশ এয়ারলাইন্স ও গলফহাউস করপোরেট সেবার মান বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক প্রচার কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে। গত সোমবার (১২ অক্টোবর) ঢাকায় গলফহাউসের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দুই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তির আওতায়, গলফহাউস তাদের নিজস্ব গ্রাহক ও ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের সেবাগুলো প্রচার করবে, যা গলফার ও ব্যবসায়িক অংশীদারদের কাছে বিমান সংস্থাটির পরিচিতি বাড়াতে সহায়তা করবে।
বর্তমানে ঢাকা-ইস্তাম্বুল রুটে সপ্তাহে সাতটি যাত্রীবাহী ফ্লাইট পরিচালনা করছে টার্কিশ এয়ারলাইন্স। ইস্তাম্বুলকে কেন্দ্র করে বিশ্বের ১৩৩টি দেশের ৩৫৮টি গন্তব্যে সংস্থাটির বিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে। পাশাপাশি সপ্তাহে দুটি কার্গো ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্প্রসারণে সংস্থাটি অবদান রাখছে। এছাড়াও, গলফ খেলার প্রসারে এবং ক্রীড়াবিদদের পৃষ্ঠপোষকতায় টার্কিশ এয়ারলাইন্স নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে, যার অন্যতম উদাহরণ তাদের আয়োজিত ‘টার্কিশ এয়ারলাইন্স ওয়ার্ল্ড গলফ কাপ’ প্রতিযোগিতা।
যাত্রীদের জন্য টার্কিশ এয়ারলাইন্স একটি বিশেষ সুবিধা ঘোষণা করেছে। তাদের নীতিমালা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে ভ্রমণকারী একজন যাত্রী অতিরিক্ত কোনো খরচ ছাড়াই এক সেট গলফ সরঞ্জাম বহন করতে পারবেন। তবে এই সুবিধা পাওয়ার জন্য যাত্রীদের আগে থেকে বুকিং নিশ্চিত করতে হবে এবং নির্ধারিত নিয়মাবলী অনুসরণ করতে হবে।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা মহাব্যবস্থাপক ইসলাম গুরে এবং মার্কেটিং অফিসার (ইন্টারন্যাশনাল) এজাজ কাদরি উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, গলফহাউস ও গলফহাউস হোল্ডিংস লিমিটেডের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ এম এম নজরুল হোসেন এবং পরিচালক (অপারেশনস) কে এম বদিউজ্জামান।
উল্লেখ্য, ১৯৩৩ সালে পাঁচটি উড়োজাহাজ নিয়ে যাত্রা শুরু করা টার্কিশ এয়ারলাইন্স বর্তমানে স্টার অ্যালায়েন্সের সদস্য হিসেবে ৫৬৬টি উড়োজাহাজের বিশাল বহর পরিচালনা করছে। অন্যদিকে, ২০১৫ সালে যাত্রা শুরু করা ‘দ্য গলফহাউস’ বাংলাদেশের একটি গলফভিত্তিক গণমাধ্যম ও ব্যবসায়িক প্ল্যাটফর্ম, যা আন্তর্জাতিক গলফ টুর্নামেন্ট ও সংশ্লিষ্ট খাতের সংবাদ প্রচারের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে।
























