ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজার বিমানবন্দরে বোর্ডিং ব্রিজের প্রথম ব্যবহার ইউএস-বাংলার বিএনপির সঙ্গে থাকলেও জামায়াতের মনে আওয়ামী লীগ: রিজভী নারায়ণগঞ্জে ভোরে ছিনতাইয়ের কবলে সাংবাদিক ও তার মেয়ে মক্কায় দুই বাংলাদেশির দণ্ডাদেশ: সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব করল সরকার দুই বছরে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত ডিজিটাল নেটওয়ার্ক গড়বে ইউজিসি নেত্রকোণায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফ মামলার অগ্রগতি ফাঁকা শাহজালাল বিমানবন্দর: সৌদি রুটে ফ্লাইট বন্ধে বদলেছে চিত্র দেশের প্রায় অর্ধেক পরিবার এখন ঋণগ্রস্ত, বলছে নতুন জরিপ ঝিনাইদহে সারের ডিলারশিপ দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে জামায়াতের মানববন্ধন কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান শেখ আব্দুল হান্নান

বৈধতা চাওয়ার আগে তালেবানের প্রতিশ্রুতি পূরণ করা উচিত : যুক্তরাষ্ট্র

  • আপডেট সময় : ০২:০৫:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • / 112
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

আফগানিস্তানের তালেবানের প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে সমালোচনা করে বলেছে, তাদের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে তখুনি, যখন তারা দায়িত্বশীল উপায়ে দেশ পরিচালনা করবে এবং দেশটির নারীসহ সব আফগানের অধিকারকে সম্মান করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের কৌশলগত যোগাযোগের সমন্বয়কারী জন কার্বি ভিওএ-কে বলেছেন, তালেবান সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে নিজেদেরকে বিচ্ছিন্ন করে রাখবে, যদি না তারা নারীদের ওপর থেকে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়।

কার্বি জোর দিয়ে বলেন, তালেবান প্রশাসন যদি বৈধ বলে বিবেচিত হতে চায়, যদি তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্বীকৃতি চায়, যদি তারা তাদের দেশে আর্থিক সাহায্য এবং বিনিয়োগ চায়, তাহলে তাদের সবার আগে উচিত তাদের প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ করা, তাদের বাধ্যবাধকতা মেনে চলা এবং সেই অনুযায়ী আচরণ করা।

২০২১ সালের আগস্টে তালেবান আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ দখল করে এবং তারপর থেকে দেশটিতে কঠোর বিধিনিষেধ প্রয়োগ করে, যা নারী ও মেয়েদের সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক জীবনে অংশগ্রহণের অধিকারকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে।

কট্টরপন্থী শাসকরা আফগানিস্তানকে বিশ্বের একমাত্র দেশে পরিণত করেছে, যেখানে মেয়েদের মাধ্যমিক স্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এছাড়া তালেবান আফগান নারীদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থার জন্য কাজ করা নিষিদ্ধ করেছে, যারা সংঘাত-বিধ্বস্ত দেশটির লাখ লাখ মানুষকে মানবিক সহায়তা প্রদান করে আসছিল। উপরন্তু নারীদের পার্ক, ব্যায়মাগার এবং পাবলিক গোসলখানা ব্যবহার বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মানবাধিকার বিষয়ে উদ্বেগ বিশ্ব সম্প্রদায়কে আফগানিস্তানের বৈধ শাসক হিসেবে তালেবানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি না দিতে ভূমিকা রেখেছে।

তালেবান তাদের নীতির সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, তারা আফগান সংস্কৃতি এবং তাদের ইসলামী শরিয়া আইনের ব্যাখ্যা অনুসারে দেশ পরিচালনা করছে। তবে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর আলেমরা তাদের এই দাবিগুলোকে খারিজ করে দিয়ে বলেছেন, ইসলাম নারীদের কাজ করার এবং শিক্ষা নেয়ার সম্পূর্ণ অধিকার দেয়।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বৈধতা চাওয়ার আগে তালেবানের প্রতিশ্রুতি পূরণ করা উচিত : যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০২:০৫:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

আফগানিস্তানের তালেবানের প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে সমালোচনা করে বলেছে, তাদের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে তখুনি, যখন তারা দায়িত্বশীল উপায়ে দেশ পরিচালনা করবে এবং দেশটির নারীসহ সব আফগানের অধিকারকে সম্মান করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের কৌশলগত যোগাযোগের সমন্বয়কারী জন কার্বি ভিওএ-কে বলেছেন, তালেবান সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে নিজেদেরকে বিচ্ছিন্ন করে রাখবে, যদি না তারা নারীদের ওপর থেকে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়।

কার্বি জোর দিয়ে বলেন, তালেবান প্রশাসন যদি বৈধ বলে বিবেচিত হতে চায়, যদি তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্বীকৃতি চায়, যদি তারা তাদের দেশে আর্থিক সাহায্য এবং বিনিয়োগ চায়, তাহলে তাদের সবার আগে উচিত তাদের প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ করা, তাদের বাধ্যবাধকতা মেনে চলা এবং সেই অনুযায়ী আচরণ করা।

২০২১ সালের আগস্টে তালেবান আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ দখল করে এবং তারপর থেকে দেশটিতে কঠোর বিধিনিষেধ প্রয়োগ করে, যা নারী ও মেয়েদের সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক জীবনে অংশগ্রহণের অধিকারকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে।

কট্টরপন্থী শাসকরা আফগানিস্তানকে বিশ্বের একমাত্র দেশে পরিণত করেছে, যেখানে মেয়েদের মাধ্যমিক স্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এছাড়া তালেবান আফগান নারীদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থার জন্য কাজ করা নিষিদ্ধ করেছে, যারা সংঘাত-বিধ্বস্ত দেশটির লাখ লাখ মানুষকে মানবিক সহায়তা প্রদান করে আসছিল। উপরন্তু নারীদের পার্ক, ব্যায়মাগার এবং পাবলিক গোসলখানা ব্যবহার বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মানবাধিকার বিষয়ে উদ্বেগ বিশ্ব সম্প্রদায়কে আফগানিস্তানের বৈধ শাসক হিসেবে তালেবানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি না দিতে ভূমিকা রেখেছে।

তালেবান তাদের নীতির সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, তারা আফগান সংস্কৃতি এবং তাদের ইসলামী শরিয়া আইনের ব্যাখ্যা অনুসারে দেশ পরিচালনা করছে। তবে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর আলেমরা তাদের এই দাবিগুলোকে খারিজ করে দিয়ে বলেছেন, ইসলাম নারীদের কাজ করার এবং শিক্ষা নেয়ার সম্পূর্ণ অধিকার দেয়।

বিডিসংবাদ/এএইচএস