ঢাকা ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশিদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করতে ভিয়েতনামের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান ছাত্র আন্দোলনে মৃত্যু: শেখ হাসিনাসহ ১২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা মেঘ হয়ে ঝরে পড়ার আকুতি নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে ট্রান্সফরমার চুরির হিড়িক, সেচ নিয়ে শঙ্কা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে রোমহর্ষক সাক্ষ্য সাবেক সেনা কর্মকর্তার চীন ও ভারতের ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের গ্রীষ্মে রেকর্ড যাত্রী পরিবহন এমিরেটসের, শীতের বুকিংয়েও জোর সম্ভাবনা জাতিসংঘ অধিবেশনে মাহমুদ আব্বাসকে ভিসা দিল না যুক্তরাষ্ট্র শ্রীরামপুরে জনসভার অনুমতি পেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতিতে অটল

মালয়েশিয়ায় বাড়ছে নারীদের মাদকাসক্তি, চিন্তায় প্রশাসন

  • আপডেট সময় : ১১:৪১:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 3
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মালয়েশিয়ায় মাদকাসক্ত নারীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। ন্যাশনাল অ্যান্টি-ড্রাগ এজেন্সির (এএডিকে) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশটিতে মাদক গ্রহণকারী হিসেবে শনাক্ত নারীর সংখ্যা ছিল ৮ হাজার ৯২৬ জন। ২০২৪ সালে এই সংখ্যাটি ছিল ৮ হাজার ৬৩৮ জন। অর্থাৎ মাত্র এক বছরে শনাক্ত নারীর সংখ্যা বেড়েছে ২৮৮ জন, যা আগের বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশটিতে শনাক্ত মাদকাসক্তদের মধ্যে নারীর হার ৪ দশমিক ৭ শতাংশ এবং পুরুষের হার ৯৫ দশমিক ৩ শতাংশ। যদিও সামগ্রিকভাবে পুরুষের তুলনায় এই হার কম, কিন্তু নারীদের মাদকাসক্তি সমস্যাটি অনেক বেশি জটিল ও সংবেদনশীল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এএডিকে মহাপরিচালক দাতুক রুসলিন জুসোহের দেওয়া তথ্যমতে, আক্রান্তদের মধ্যে ১৯ থেকে ৩৯ বছর বয়সী নারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি—৬ হাজার ১৯৩ জন। এছাড়াও ৪০ থেকে ৫৯ বছর বয়সী ২ হাজার ৫৬৭ জন এবং ১৬৬ জন কিশোরী মাদকাসক্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। এদের মধ্যে প্রায় ৮৫ শতাংশ নারীই অ্যামফেটামিন-টাইপ স্টিমুল্যান্টস (এটিএস) ব্যবহার করেন। অন্যান্য মাদকের মধ্যে অপিয়েটস ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৭৬২ জন, ক্যানাবিস ১৩৮ জন, সাইকোট্রপিক পিল ১১৯ জন এবং কেটামিন ও কোকেনসহ অন্যান্য মাদক গ্রহীতা ৩১৯ জন।

মাদকাসক্ত নারীদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে সামাজিক ও আর্থিক বাধাগুলো অত্যন্ত প্রকট। রুসলিন জুসোহের মতে, মাদক গ্রহণকারী নারীরা প্রায়ই সামাজিক কলঙ্ক বা কুসংস্কারের ভয়ে চিকিৎসা নিতে এগিয়ে আসেন না। এছাড়া অনেক নারী অর্থনৈতিকভাবে স্বামী বা সঙ্গীর ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় চিকিৎসার খরচ বা যাতায়াত ব্যবস্থাপনায় হিমশিম খান। অনেক ক্ষেত্রে সঙ্গী নিজেও মাদকাসক্ত হওয়ায় তিনি নারীকে নেশামুক্তি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে বাধা প্রদান করেন। জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তরও (ইউএনওডিসি) নারীদের এই বিশেষ সীমাবদ্ধতাগুলোর বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

নারীদের মাদক ব্যবহারের প্রবণতা যে নতুন নয়, তা ২০১৭ সালের ইউনিভার্সিটি টেকনোলজি মারা (ইউআইটিএম)-এর গবেষণায় উঠে এসেছিল। সেই সময়ের তথ্যে দেখা যায়, ২০১০ সালে মাদকাসক্ত নারীদের হার ছিল ১ দশমিক ৮ শতাংশ, যা ২০১৫ সালে বেড়ে ৩ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছায়। গবেষণায় উঠে এসেছে যে, দারিদ্র্য, পারিবারিক অস্থিরতা, সহিংসতা এবং মানসিক ট্রমার কারণে অনেক নারী মাদকের দিকে ঝুঁকছেন। এমনকি শারীরিক সৌন্দর্য বজায় রাখা বা ওজন কমানোর ভুল আকাঙ্ক্ষাও অনেকের মাদক ব্যবহারের কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, সরকারি পরিসংখ্যান কেবল শনাক্তদের প্রতিনিধিত্ব করে, প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় মালয়েশিয়া সরকার চিকিৎসার সুযোগ বাড়াচ্ছে। গত ২২ আগস্ট ২০২৫ থেকে কার্যকর হওয়া সংশোধিত আইনের আওতায় মাদকনির্ভর ব্যক্তিরা এখন স্বেচ্ছায় কমিউনিটি-ভিত্তিক চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। নারীরা পুনর্বাসন কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় পর্যায়ে অথবা সরকারি নেশামুক্তি কেন্দ্রে (পুসপেন) বিনামূল্যে সেবা গ্রহণ করতে পারছেন। এছাড়া দুর্গম ও গ্রামীণ এলাকায় বসবাসরত নারীদের সুবিধার জন্য ‘মোবাইল ট্রিটমেন্ট অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন উইদাউট বর্ডার্স’ (এমআরটি) নামক বিশেষ উদ্যোগও পরিচালনা করা হচ্ছে।

ইউএনওডিসির ২০২৬ সালের প্রতিবেদনেও মালয়েশিয়ার এই তথ্যগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা নারীদের মাদক ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী পৃথক চিকিৎসা পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তাকে সামনে নিয়ে এসেছে। নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ইউএনওডিসি এবং দ্য স্টারের তথ্যানুযায়ী, শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ ও পুনর্বাসনের মতো বহুমুখী পদক্ষেপগুলোই এখন নারীদের এই ক্রমবর্ধমান মাদক সমস্যা সমাধানের মূল চাবিকাঠি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ ধরনের মাদক ব্যবহারের সঙ্গে জড়িত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৭ হাজার ৫৮৮ জন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ৮ হাজার ৯২৬ জনের মোট সংখ্যার হিসাবে এটিএস-সংশ্লিষ্ট শনাক্ত নারীর অংশ প্রায় ৮৫ শতাংশ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে সংস্থাটির বক্তব্য, সংখ্যাগতভাবে নারীরা সংখ্যালঘু হলেও তাদের মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে পুরুষদের তুলনায় আলাদা এবং অনেক ক্ষেত্রে জটিল বাধার মুখে পড়তে হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে এসব কারণকে বর্তমান পরিস্থিতির একমাত্র বা সরাসরি কারণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; এগুলো বিভিন্ন গবেষণায় চিহ্নিত সম্ভাব্য সামাজিক ও ব্যক্তিগত ঝুঁকি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এতে দেশটির চিকিৎসা ব্যবস্থায় মাদকের ধরন ও লিঙ্গভিত্তিক তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, যা দেখায় যে নারীদের মাদক ব্যবহারকে পৃথকভাবে পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা করার প্রয়োজনীয়তা ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মালয়েশিয়ায় বাড়ছে নারীদের মাদকাসক্তি, চিন্তায় প্রশাসন

আপডেট সময় : ১১:৪১:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মালয়েশিয়ায় মাদকাসক্ত নারীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। ন্যাশনাল অ্যান্টি-ড্রাগ এজেন্সির (এএডিকে) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশটিতে মাদক গ্রহণকারী হিসেবে শনাক্ত নারীর সংখ্যা ছিল ৮ হাজার ৯২৬ জন। ২০২৪ সালে এই সংখ্যাটি ছিল ৮ হাজার ৬৩৮ জন। অর্থাৎ মাত্র এক বছরে শনাক্ত নারীর সংখ্যা বেড়েছে ২৮৮ জন, যা আগের বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশটিতে শনাক্ত মাদকাসক্তদের মধ্যে নারীর হার ৪ দশমিক ৭ শতাংশ এবং পুরুষের হার ৯৫ দশমিক ৩ শতাংশ। যদিও সামগ্রিকভাবে পুরুষের তুলনায় এই হার কম, কিন্তু নারীদের মাদকাসক্তি সমস্যাটি অনেক বেশি জটিল ও সংবেদনশীল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এএডিকে মহাপরিচালক দাতুক রুসলিন জুসোহের দেওয়া তথ্যমতে, আক্রান্তদের মধ্যে ১৯ থেকে ৩৯ বছর বয়সী নারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি—৬ হাজার ১৯৩ জন। এছাড়াও ৪০ থেকে ৫৯ বছর বয়সী ২ হাজার ৫৬৭ জন এবং ১৬৬ জন কিশোরী মাদকাসক্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। এদের মধ্যে প্রায় ৮৫ শতাংশ নারীই অ্যামফেটামিন-টাইপ স্টিমুল্যান্টস (এটিএস) ব্যবহার করেন। অন্যান্য মাদকের মধ্যে অপিয়েটস ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৭৬২ জন, ক্যানাবিস ১৩৮ জন, সাইকোট্রপিক পিল ১১৯ জন এবং কেটামিন ও কোকেনসহ অন্যান্য মাদক গ্রহীতা ৩১৯ জন।

মাদকাসক্ত নারীদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে সামাজিক ও আর্থিক বাধাগুলো অত্যন্ত প্রকট। রুসলিন জুসোহের মতে, মাদক গ্রহণকারী নারীরা প্রায়ই সামাজিক কলঙ্ক বা কুসংস্কারের ভয়ে চিকিৎসা নিতে এগিয়ে আসেন না। এছাড়া অনেক নারী অর্থনৈতিকভাবে স্বামী বা সঙ্গীর ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় চিকিৎসার খরচ বা যাতায়াত ব্যবস্থাপনায় হিমশিম খান। অনেক ক্ষেত্রে সঙ্গী নিজেও মাদকাসক্ত হওয়ায় তিনি নারীকে নেশামুক্তি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে বাধা প্রদান করেন। জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তরও (ইউএনওডিসি) নারীদের এই বিশেষ সীমাবদ্ধতাগুলোর বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

নারীদের মাদক ব্যবহারের প্রবণতা যে নতুন নয়, তা ২০১৭ সালের ইউনিভার্সিটি টেকনোলজি মারা (ইউআইটিএম)-এর গবেষণায় উঠে এসেছিল। সেই সময়ের তথ্যে দেখা যায়, ২০১০ সালে মাদকাসক্ত নারীদের হার ছিল ১ দশমিক ৮ শতাংশ, যা ২০১৫ সালে বেড়ে ৩ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছায়। গবেষণায় উঠে এসেছে যে, দারিদ্র্য, পারিবারিক অস্থিরতা, সহিংসতা এবং মানসিক ট্রমার কারণে অনেক নারী মাদকের দিকে ঝুঁকছেন। এমনকি শারীরিক সৌন্দর্য বজায় রাখা বা ওজন কমানোর ভুল আকাঙ্ক্ষাও অনেকের মাদক ব্যবহারের কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, সরকারি পরিসংখ্যান কেবল শনাক্তদের প্রতিনিধিত্ব করে, প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় মালয়েশিয়া সরকার চিকিৎসার সুযোগ বাড়াচ্ছে। গত ২২ আগস্ট ২০২৫ থেকে কার্যকর হওয়া সংশোধিত আইনের আওতায় মাদকনির্ভর ব্যক্তিরা এখন স্বেচ্ছায় কমিউনিটি-ভিত্তিক চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। নারীরা পুনর্বাসন কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় পর্যায়ে অথবা সরকারি নেশামুক্তি কেন্দ্রে (পুসপেন) বিনামূল্যে সেবা গ্রহণ করতে পারছেন। এছাড়া দুর্গম ও গ্রামীণ এলাকায় বসবাসরত নারীদের সুবিধার জন্য ‘মোবাইল ট্রিটমেন্ট অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন উইদাউট বর্ডার্স’ (এমআরটি) নামক বিশেষ উদ্যোগও পরিচালনা করা হচ্ছে।

ইউএনওডিসির ২০২৬ সালের প্রতিবেদনেও মালয়েশিয়ার এই তথ্যগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা নারীদের মাদক ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী পৃথক চিকিৎসা পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তাকে সামনে নিয়ে এসেছে। নিউ স্ট্রেইটস টাইমস, ইউএনওডিসি এবং দ্য স্টারের তথ্যানুযায়ী, শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ ও পুনর্বাসনের মতো বহুমুখী পদক্ষেপগুলোই এখন নারীদের এই ক্রমবর্ধমান মাদক সমস্যা সমাধানের মূল চাবিকাঠি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ ধরনের মাদক ব্যবহারের সঙ্গে জড়িত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৭ হাজার ৫৮৮ জন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ৮ হাজার ৯২৬ জনের মোট সংখ্যার হিসাবে এটিএস-সংশ্লিষ্ট শনাক্ত নারীর অংশ প্রায় ৮৫ শতাংশ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে সংস্থাটির বক্তব্য, সংখ্যাগতভাবে নারীরা সংখ্যালঘু হলেও তাদের মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে পুরুষদের তুলনায় আলাদা এবং অনেক ক্ষেত্রে জটিল বাধার মুখে পড়তে হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে এসব কারণকে বর্তমান পরিস্থিতির একমাত্র বা সরাসরি কারণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; এগুলো বিভিন্ন গবেষণায় চিহ্নিত সম্ভাব্য সামাজিক ও ব্যক্তিগত ঝুঁকি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এতে দেশটির চিকিৎসা ব্যবস্থায় মাদকের ধরন ও লিঙ্গভিত্তিক তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, যা দেখায় যে নারীদের মাদক ব্যবহারকে পৃথকভাবে পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা করার প্রয়োজনীয়তা ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।