ঢাকা ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাপানে ভারী বৃষ্টিতে ৫ জনের মৃত্যু পরমাণু অস্ত্র ঠেকানো নয়, তেলের দাম কম রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য : জেডি ভ্যান্স ১০ কোটি ভিউ পার করলো ইমরান-পড়শীর ‘জনম জনম’ যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়ার আগে নতুন প্রতিরোধ হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার নিউজিল্যান্ডের গোয়েন্দা সংস্থার গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ : চীন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নয়, যুদ্ধে তেলের দাম কমানোই এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সেঞ্চুরি তানজিদের বেগম খালেদা জিয়া : গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা

রাজনীতি না করার সিদ্ধান্ত বুয়েট শিক্ষক সমিতির

  • আপডেট সময় : ০৮:৩৯:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ অক্টোবর ২০১৯
  • / 153
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে সোমবার রাতে এক ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার লোমহর্ষক ঘটনার প্রেক্ষাপটে বুয়েট শিক্ষক সমিতির এক সাধারণ সভা থেকে প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক রাজনীতি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

একইসাথে, হত্যাকাণ্ডের দায় কাঁধে নিয়ে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করা হয়েছে। সমিতির প্রেসিডেন্ট ড. একেএম মাসুদ বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত হয়েছে সর্বসম্মতভাবে। “আজকের (বুধবারের) সভায় ৩০০ জনের মত শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন, সবাই এই প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন।”

কেন তারা এই সিদ্ধান্ত নিলেন, এই প্রশ্নে ড. মাসুদ বলেন, সাধারণ ছাত্রদের দাবির সাথে তারা একাত্বতা ঘোষণা করছেন। “ছাত্ররা ক্যাম্পাসে রাজনীতি বন্ধের দাবি করছেন, তাহলে শিক্ষকরা কেন রাজনীতি করবেন?”

অধ্যাপক মাসুদ বলেন, ক্যাম্পাসে অপরাধের সাথে রাজনীতির সরাসরি কোনো সম্পর্ক না থাকলেও, রাজনৈতিক ছত্রছায়ার কারণে অনেক সময় প্রশাসন অপরাধ বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারেনা।

“এমন নয় যে রাজনৈতিক দলগুলো কাউকে মারধর করতে বলেন, নির্যাতন করতে বলেন, কিন্তু সরাসরি রাজনীতির কারণে ক্যাম্পাসে পরিস্থিতি দিনে দিনে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। নোংরা পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে।”

বুয়েটে বর্তমান পরিস্থিতির জন্য প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ব্যবস্থাকেও অনেকাংশে দায়ী করেন বুয়েট শিক্ষক সমিতির প্রেসিডেন্ট।

তিনি বলেন, “ক্ষমতা অত্যন্ত কেন্দ্রীভূত, উপাচার্য একাই সব সিদ্ধান্ত নেন। বিভিন্ন সময়ে ওঠা নানা অভিযোগ নিয়ে ব্যবস্থা না নেয়ায় পরিস্থিতি এতদূর গড়িয়েছে।”

ওদিকে, বুয়েট অ্যালামনাই সমিতি অর্থাৎ এই প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন শিক্ষক ও ছাত্র সমিতির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে- বুয়েট ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক দলসমুহের অঙ্গ সংগঠন ভিত্তিক ছাত্র, শিক্ষক ও কর্মচারীদের সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রাজনীতি না করার সিদ্ধান্ত বুয়েট শিক্ষক সমিতির

আপডেট সময় : ০৮:৩৯:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ অক্টোবর ২০১৯

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে সোমবার রাতে এক ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার লোমহর্ষক ঘটনার প্রেক্ষাপটে বুয়েট শিক্ষক সমিতির এক সাধারণ সভা থেকে প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক রাজনীতি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

একইসাথে, হত্যাকাণ্ডের দায় কাঁধে নিয়ে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করা হয়েছে। সমিতির প্রেসিডেন্ট ড. একেএম মাসুদ বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত হয়েছে সর্বসম্মতভাবে। “আজকের (বুধবারের) সভায় ৩০০ জনের মত শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন, সবাই এই প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন।”

কেন তারা এই সিদ্ধান্ত নিলেন, এই প্রশ্নে ড. মাসুদ বলেন, সাধারণ ছাত্রদের দাবির সাথে তারা একাত্বতা ঘোষণা করছেন। “ছাত্ররা ক্যাম্পাসে রাজনীতি বন্ধের দাবি করছেন, তাহলে শিক্ষকরা কেন রাজনীতি করবেন?”

অধ্যাপক মাসুদ বলেন, ক্যাম্পাসে অপরাধের সাথে রাজনীতির সরাসরি কোনো সম্পর্ক না থাকলেও, রাজনৈতিক ছত্রছায়ার কারণে অনেক সময় প্রশাসন অপরাধ বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারেনা।

“এমন নয় যে রাজনৈতিক দলগুলো কাউকে মারধর করতে বলেন, নির্যাতন করতে বলেন, কিন্তু সরাসরি রাজনীতির কারণে ক্যাম্পাসে পরিস্থিতি দিনে দিনে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। নোংরা পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে।”

বুয়েটে বর্তমান পরিস্থিতির জন্য প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ব্যবস্থাকেও অনেকাংশে দায়ী করেন বুয়েট শিক্ষক সমিতির প্রেসিডেন্ট।

তিনি বলেন, “ক্ষমতা অত্যন্ত কেন্দ্রীভূত, উপাচার্য একাই সব সিদ্ধান্ত নেন। বিভিন্ন সময়ে ওঠা নানা অভিযোগ নিয়ে ব্যবস্থা না নেয়ায় পরিস্থিতি এতদূর গড়িয়েছে।”

ওদিকে, বুয়েট অ্যালামনাই সমিতি অর্থাৎ এই প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন শিক্ষক ও ছাত্র সমিতির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে- বুয়েট ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক দলসমুহের অঙ্গ সংগঠন ভিত্তিক ছাত্র, শিক্ষক ও কর্মচারীদের সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করতে হবে।