ঢাকা ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অখণ্ড ইউনিয়ন পুনর্বহালের দাবিতে রেল ও সড়ক অবরোধ ইরানের কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণ, তেলবাহী জাহাজে আগুন মজুরি বৃদ্ধির ঘোষণায় গাজীপুরে কাজে ফিরলেন পোশাক শ্রমিকরা ইসরায়েলে সরকার গঠনের দায়িত্ব পেলেন বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকোট ইউরোপে ভুয়া বোমা হামলার হুমকিতে ব্যাহত ৩০ ফ্লাইট জামালগঞ্জে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২ রাজধানীর ক্লিনিকে ইনকিউবেটরের আগুনে নবজাতকের শরীর ঝলসে যাওয়ার অভিযোগ দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অধিকার যেকোনো মূল্যে রক্ষা করব: প্রধানমন্ত্রী রান্নার অ্যালুমিনিয়াম পাত্রে সিসার ঝুঁকি: মিলছে না সমাধান সেবায় রূপান্তরই মূল লক্ষ্য, জানালেন তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

হরতালের নামে জীবন্ত মানুষ পুড়িয়ে মারা হত্যাকারীদের বাংলাদেশে থাকার অধিকার নেই : সংস্কৃতিমন্ত্রী

  • আপডেট সময় : ০১:৫২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ মে ২০১৮
  • / 349
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন, যারা হরতাল অবরোধের নামে জীবন্ত মানুষ পুড়ে মারে, রাস্তাঘাট-গাড়ি বন্ধ করে, লেখাপড়া ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ করে, তাদের এই বাংলাদেশে থাকার অধিকার নেই।

তিনি আজ মহান মে দিবস উপলক্ষে নীলফামারী কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার চত্ত্বরে জেলা প্রশাসন আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করছিলেন।

তিনি বলেন, ‘আবারো জ্বালাও-পোড়াও, অবরোধ, হাওয়াভবন, দূর্নীতি, লুটপাট শুরু হোউক, তারেক জিয়া দেশের টাকা নিয়ে বিদেশে চলে যাক, এইটা আমরা চাইনা। তারা বাংলাদেশের ভালো চায়না, শান্তি চায়না। আমরা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা চাই, সুন্দর বাংলাদেশ চাই, যে বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষ খেয়ে-পরে ভালোভাবে জীবন-যাপন করতে পারবেন।’
বাংলাদেশের মুক্তির সংগ্রামে কৃষক শ্রমিকের অনেক অবদান আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। ঘরে-ঘরে খাবার আছে, পরণে কাপড় আছে, ছেলে-মেয়েরা লেখাপড়ার সুযোগ পাচ্ছে, তারা বিনামূল্যে বই পাচ্ছে। কৃষকরা নায্যমূল্যে সার পাচ্ছেন, ফসলের দাম পাচ্ছেন। শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীর বেতন দ্বিগুণ-তিনগুণ হয়েছে। শ্রমিকদের মজুরি বেড়েছে। পোশাক শ্রমিকদের নূন্যতম বেতন ধার্য্য করা হয়েছে, সমস্ত কল-কারখানায় নূত্যতম বেতন ধার্য্য করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, যেসব কারখানা চলে না, বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম সেখানেও ভূতর্কী দিয়ে শ্রমিকদের খাওয়া পরার ব্যবস্থা করে বাঁচিয়ে রাখছে বর্তমান সরকার। শ্রমিক কল্যাণ ট্রাস্ট করা হয়েছে, সবাই শান্তিতে আছেন। এই শান্তি না থাকলে দেশটা সামনের দিকে এগুবে না।

তিনি শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সামনে সময় আসছে সবাই একসঙ্গে থাকবেন, একসঙ্গে হাটবেন, শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করবেন, সবাই শান্তির পথ বেছে নিবেন।’

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালেদ রহীমের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল হক, জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অক্ষয় কুমার রায়, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুজার রহমান, জেলা সিপিবির সাধারণ সম্পাক শ্রীদাম দাস, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মসফিকুল ইসলাম, জেলা ট্রাক-ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি গোলাম রহমান ডালু, জেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন ও জেলা জাতীয় পাটির সদস্য সচিব একেএম সাজ্জাদ পারভেজ।

এর আগে দিবসটি উপলক্ষে সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর জেলা শ্রমিকলীগ আয়োজিত শোভাযাত্রায় অংশ নেন।
এছাড়াও দিবসটিতে জেলা শ্রমিকলীগ, শ্রমিকদল, শ্রমিক পাটি, শ্রমিক ঐক্য পরিষদ, ক্ষেতমজুর সমিতি, নীলসাগর গ্রুপ, রিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন, মাইক্রোবাস চালক সমিতি, ট্রাক-ট্যাংকলরি-কাভার্ডভ্যান ও ট্রাক্টর পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়সহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন পৃথক কর্মসূচি পালন করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

হরতালের নামে জীবন্ত মানুষ পুড়িয়ে মারা হত্যাকারীদের বাংলাদেশে থাকার অধিকার নেই : সংস্কৃতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০১:৫২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ মে ২০১৮

সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন, যারা হরতাল অবরোধের নামে জীবন্ত মানুষ পুড়ে মারে, রাস্তাঘাট-গাড়ি বন্ধ করে, লেখাপড়া ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ করে, তাদের এই বাংলাদেশে থাকার অধিকার নেই।

তিনি আজ মহান মে দিবস উপলক্ষে নীলফামারী কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার চত্ত্বরে জেলা প্রশাসন আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করছিলেন।

তিনি বলেন, ‘আবারো জ্বালাও-পোড়াও, অবরোধ, হাওয়াভবন, দূর্নীতি, লুটপাট শুরু হোউক, তারেক জিয়া দেশের টাকা নিয়ে বিদেশে চলে যাক, এইটা আমরা চাইনা। তারা বাংলাদেশের ভালো চায়না, শান্তি চায়না। আমরা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা চাই, সুন্দর বাংলাদেশ চাই, যে বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষ খেয়ে-পরে ভালোভাবে জীবন-যাপন করতে পারবেন।’
বাংলাদেশের মুক্তির সংগ্রামে কৃষক শ্রমিকের অনেক অবদান আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। ঘরে-ঘরে খাবার আছে, পরণে কাপড় আছে, ছেলে-মেয়েরা লেখাপড়ার সুযোগ পাচ্ছে, তারা বিনামূল্যে বই পাচ্ছে। কৃষকরা নায্যমূল্যে সার পাচ্ছেন, ফসলের দাম পাচ্ছেন। শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীর বেতন দ্বিগুণ-তিনগুণ হয়েছে। শ্রমিকদের মজুরি বেড়েছে। পোশাক শ্রমিকদের নূন্যতম বেতন ধার্য্য করা হয়েছে, সমস্ত কল-কারখানায় নূত্যতম বেতন ধার্য্য করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, যেসব কারখানা চলে না, বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম সেখানেও ভূতর্কী দিয়ে শ্রমিকদের খাওয়া পরার ব্যবস্থা করে বাঁচিয়ে রাখছে বর্তমান সরকার। শ্রমিক কল্যাণ ট্রাস্ট করা হয়েছে, সবাই শান্তিতে আছেন। এই শান্তি না থাকলে দেশটা সামনের দিকে এগুবে না।

তিনি শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সামনে সময় আসছে সবাই একসঙ্গে থাকবেন, একসঙ্গে হাটবেন, শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করবেন, সবাই শান্তির পথ বেছে নিবেন।’

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালেদ রহীমের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল হক, জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অক্ষয় কুমার রায়, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুজার রহমান, জেলা সিপিবির সাধারণ সম্পাক শ্রীদাম দাস, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মসফিকুল ইসলাম, জেলা ট্রাক-ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি গোলাম রহমান ডালু, জেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন ও জেলা জাতীয় পাটির সদস্য সচিব একেএম সাজ্জাদ পারভেজ।

এর আগে দিবসটি উপলক্ষে সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর জেলা শ্রমিকলীগ আয়োজিত শোভাযাত্রায় অংশ নেন।
এছাড়াও দিবসটিতে জেলা শ্রমিকলীগ, শ্রমিকদল, শ্রমিক পাটি, শ্রমিক ঐক্য পরিষদ, ক্ষেতমজুর সমিতি, নীলসাগর গ্রুপ, রিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন, মাইক্রোবাস চালক সমিতি, ট্রাক-ট্যাংকলরি-কাভার্ডভ্যান ও ট্রাক্টর পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়সহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন পৃথক কর্মসূচি পালন করে।