ঢাকা ১১:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাপানে ভারী বৃষ্টিতে ৫ জনের মৃত্যু পরমাণু অস্ত্র ঠেকানো নয়, তেলের দাম কম রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য : জেডি ভ্যান্স ১০ কোটি ভিউ পার করলো ইমরান-পড়শীর ‘জনম জনম’ যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়ার আগে নতুন প্রতিরোধ হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার নিউজিল্যান্ডের গোয়েন্দা সংস্থার গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ : চীন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নয়, যুদ্ধে তেলের দাম কমানোই এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সেঞ্চুরি তানজিদের বেগম খালেদা জিয়া : গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা

জয়ের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ, কিন্ত বাধলো বৃষ্টি

  • আপডেট সময় : ১১:৩৫:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০
  • / 141
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

জয় থেকে আর মাত্র ১৫ রান দূরে। বলতে গেলে জয়ের একেবারে দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ ক্রিকেট দল। দেশবাসী যখন মেতেছে অগ্রিম বিজয় উৎসবে ঠিক তখনই বাগড়া দিল বেরসিক বৃষ্টি। শেষ খরব পাওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪১ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৬৩ রান। ব্যাট করছেন আকবর আলী ৪২ রান নিয়ে এবং রকিবুল হাসান ৩ রান নিয়ে।

এর আগে অধিনায়ক আকবর আলী ও পারভেজ হোসেন ইমনের ব্যাটে ম্যাচে ফিরেছিল বাংলাদেশ। ১০২ রানে ৬ ব্যাটসম্যানের বিদায়ের পর চরম বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। তাদের দিকেই তাকিয়ে ছিলে বাংলাদেশের কোটি কোটি সমর্থক। এই দুই তরুণের ব্যাটে বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ। দলীয় ১৪৩ রানে আশা দেখিয়ে আউট হন পারভেজ হোসেন ইমন।

এরপর দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে দলকে চাপ মুক্ত করার পাশাপশি জরে স্বপ্ন দেখান আকবর আলী। তাকে সঙ্গ দেন রিটায়ার্ডহার্ট হয়ে সাজঘরে ফিরে সপ্তম ব্যাটসম্যান হিসেবে ফের ব্যাটিংয়ে নামা ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন। তাদের দুজনের দিকেই তাকিয়ে ছিল বাংলাদেশ। তাই তাকে হারিয়ে চারিয়ে চাপে পড়েছে যুবারা।

এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ৩২ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৩ রান। জয়ের জন্য শেষ ১৮ ওভারে প্রয়োজন আর মাত্র ৩৫ রান। ৩২ ও ০ রানে ব্যাট করছেন আকবর ও রাকিবুল হাসান।

দলীয় ৫০ রানে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে মিড-উইকেটে কার্তিকের হাতে ক্যাচ হয়েছেন তানজিদ। তার সংগ্রহ ১৭ রান। সেমিফাইনাল ম্যাচে সেঞ্চুরি করা মাহমুদুল হাসান ফিরেছেন ব্যক্তিগত ৮ রানে। ১৫তম ওভারে এলবিডব্লিউ হয়েছেন তৌহিদ হৃদয়। তিনি রানের খাতা খুলতে পারেননি। দলীয় ৬৫ রানে স্ট্যাম্পিং হয়েছেন শাহাদাৎ হোসেন। ১০ বল খেলে তার সংগ্রহ ১ রান। এরপর শামিম হোসেন ১৮ বলে ৭ রান করে সুশান্ত মিশ্রার বলে আউট হন।

এর আগে শক্তিশালী ভারতকে ৪৭.২ ওভারে ১৭৭ রানে অল-আউট করে ভারত। বিশ্বকাপ ফাইনালে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে নেমেই ভারতকে কাঁপিয়ে দেয় টাইগাররা। দলীয় ৯ রানে ডিএ সাক্সেনাকে মাহমুদুল হাসানের দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত করেন অভিষেক দাস। রান তুলতে নাভিশ্বাস উঠে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের। এরপর জসশ্বী জয়সওয়াল আর তিলক ভার্মার ব্যাটে এগুতে থাকে ভারত। ২৩ ওভারে দুজনের জুটিতে আসে ৯৪ রান। অবশেষে ২৯তম ওভারে দলীয় ১০৩ রানে তানজিম সাকিবের বলে শরিফুলের তালুবন্দি হন তিলক (৩৮)। নতুন ব্যাটসম্যান পিকে গ্রেগ বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। রকিবুলের বলে আউট হন ৭ রান করে।

এর মাঝেই হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন ওপেনার জয়সওয়াল। সেঞ্চুরির কাছে গিয়েও তাকে হতাশ হতে হয়। শরিফুল ইসলামের বলে তানজিদের তালুবন্দি হয়ে ফিরেন ১২১ বলে ৮৮ রান করা এই ব্যাটসম্যান। ১৫৬ রান পঞ্চম উইকেট হারায় ভারত। রান নিতে গিয়ে ভুল বোঝাবুঝিতে রান-আউট হন উইকেটকিপার ধ্রুব জুরেল (২২)। ভারতের ৭ম উইকেটের পতন হয় রবি বিঞ্চুর বিদায়ে। শরিফুলের দুর্দান্ত এক থ্রোতে প্যাভিলিয়নে ফিরেন রবি (২)। ৩ রান করা অথর্ব আনকোলেকারকে বোল্ড করে দেন অভিষেক। উইকেটে এসে ৫ বল খেলে ‘ডাক’ মারেন কার্তিক ত্যাগী। সুশান্ত মিশ্রের (৩) বিদায়ে শক্তিশালী ভারত ৪৭.২ ওভারে ১৭৭ রানে অল-আউট হয়ে যায়।

সিনিয়র এবং জুনিয়র দল মিলিয়ে এটাই প্রথমবার কোনো বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলছে বাংলাদেশ। ম্যাচের আগের দিন শনিবার অধিনায়ক আকবর আলী প্রত্যয়ী কণ্ঠে বলেছিলেন, ‘ভারত দুর্দান্ত দল। তাদের ব্যাটিং, বোলিং দুই বিভাগই খুব ভালো। টুর্নামেন্টে তারা অপরাজিত, আমরাও। আশা করছি, ভালো একটা ম্যাচ হতে যাচ্ছে। আমরা তাদের নিয়ে যে পরিকল্পনা সাজিয়েছি, সেগুলো যদি মাঠে বাস্তবায়ন করতে পারি, ইনশাল্লাহ ফলাফল আমাদের পক্ষে আসবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জয়ের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ, কিন্ত বাধলো বৃষ্টি

আপডেট সময় : ১১:৩৫:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

জয় থেকে আর মাত্র ১৫ রান দূরে। বলতে গেলে জয়ের একেবারে দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ ক্রিকেট দল। দেশবাসী যখন মেতেছে অগ্রিম বিজয় উৎসবে ঠিক তখনই বাগড়া দিল বেরসিক বৃষ্টি। শেষ খরব পাওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪১ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৬৩ রান। ব্যাট করছেন আকবর আলী ৪২ রান নিয়ে এবং রকিবুল হাসান ৩ রান নিয়ে।

এর আগে অধিনায়ক আকবর আলী ও পারভেজ হোসেন ইমনের ব্যাটে ম্যাচে ফিরেছিল বাংলাদেশ। ১০২ রানে ৬ ব্যাটসম্যানের বিদায়ের পর চরম বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। তাদের দিকেই তাকিয়ে ছিলে বাংলাদেশের কোটি কোটি সমর্থক। এই দুই তরুণের ব্যাটে বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ। দলীয় ১৪৩ রানে আশা দেখিয়ে আউট হন পারভেজ হোসেন ইমন।

এরপর দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে দলকে চাপ মুক্ত করার পাশাপশি জরে স্বপ্ন দেখান আকবর আলী। তাকে সঙ্গ দেন রিটায়ার্ডহার্ট হয়ে সাজঘরে ফিরে সপ্তম ব্যাটসম্যান হিসেবে ফের ব্যাটিংয়ে নামা ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন। তাদের দুজনের দিকেই তাকিয়ে ছিল বাংলাদেশ। তাই তাকে হারিয়ে চারিয়ে চাপে পড়েছে যুবারা।

এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ৩২ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৩ রান। জয়ের জন্য শেষ ১৮ ওভারে প্রয়োজন আর মাত্র ৩৫ রান। ৩২ ও ০ রানে ব্যাট করছেন আকবর ও রাকিবুল হাসান।

দলীয় ৫০ রানে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে মিড-উইকেটে কার্তিকের হাতে ক্যাচ হয়েছেন তানজিদ। তার সংগ্রহ ১৭ রান। সেমিফাইনাল ম্যাচে সেঞ্চুরি করা মাহমুদুল হাসান ফিরেছেন ব্যক্তিগত ৮ রানে। ১৫তম ওভারে এলবিডব্লিউ হয়েছেন তৌহিদ হৃদয়। তিনি রানের খাতা খুলতে পারেননি। দলীয় ৬৫ রানে স্ট্যাম্পিং হয়েছেন শাহাদাৎ হোসেন। ১০ বল খেলে তার সংগ্রহ ১ রান। এরপর শামিম হোসেন ১৮ বলে ৭ রান করে সুশান্ত মিশ্রার বলে আউট হন।

এর আগে শক্তিশালী ভারতকে ৪৭.২ ওভারে ১৭৭ রানে অল-আউট করে ভারত। বিশ্বকাপ ফাইনালে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে নেমেই ভারতকে কাঁপিয়ে দেয় টাইগাররা। দলীয় ৯ রানে ডিএ সাক্সেনাকে মাহমুদুল হাসানের দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত করেন অভিষেক দাস। রান তুলতে নাভিশ্বাস উঠে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের। এরপর জসশ্বী জয়সওয়াল আর তিলক ভার্মার ব্যাটে এগুতে থাকে ভারত। ২৩ ওভারে দুজনের জুটিতে আসে ৯৪ রান। অবশেষে ২৯তম ওভারে দলীয় ১০৩ রানে তানজিম সাকিবের বলে শরিফুলের তালুবন্দি হন তিলক (৩৮)। নতুন ব্যাটসম্যান পিকে গ্রেগ বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। রকিবুলের বলে আউট হন ৭ রান করে।

এর মাঝেই হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন ওপেনার জয়সওয়াল। সেঞ্চুরির কাছে গিয়েও তাকে হতাশ হতে হয়। শরিফুল ইসলামের বলে তানজিদের তালুবন্দি হয়ে ফিরেন ১২১ বলে ৮৮ রান করা এই ব্যাটসম্যান। ১৫৬ রান পঞ্চম উইকেট হারায় ভারত। রান নিতে গিয়ে ভুল বোঝাবুঝিতে রান-আউট হন উইকেটকিপার ধ্রুব জুরেল (২২)। ভারতের ৭ম উইকেটের পতন হয় রবি বিঞ্চুর বিদায়ে। শরিফুলের দুর্দান্ত এক থ্রোতে প্যাভিলিয়নে ফিরেন রবি (২)। ৩ রান করা অথর্ব আনকোলেকারকে বোল্ড করে দেন অভিষেক। উইকেটে এসে ৫ বল খেলে ‘ডাক’ মারেন কার্তিক ত্যাগী। সুশান্ত মিশ্রের (৩) বিদায়ে শক্তিশালী ভারত ৪৭.২ ওভারে ১৭৭ রানে অল-আউট হয়ে যায়।

সিনিয়র এবং জুনিয়র দল মিলিয়ে এটাই প্রথমবার কোনো বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলছে বাংলাদেশ। ম্যাচের আগের দিন শনিবার অধিনায়ক আকবর আলী প্রত্যয়ী কণ্ঠে বলেছিলেন, ‘ভারত দুর্দান্ত দল। তাদের ব্যাটিং, বোলিং দুই বিভাগই খুব ভালো। টুর্নামেন্টে তারা অপরাজিত, আমরাও। আশা করছি, ভালো একটা ম্যাচ হতে যাচ্ছে। আমরা তাদের নিয়ে যে পরিকল্পনা সাজিয়েছি, সেগুলো যদি মাঠে বাস্তবায়ন করতে পারি, ইনশাল্লাহ ফলাফল আমাদের পক্ষে আসবে।’