ঢাকা ০৪:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার: ৪ জেলে কারাগারে নির্ধারিত দামের চেয়েও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার সৌদিতে কঠোর বিধিনিষেধ: ১০৩ ফ্লাইটে বিপাকে ১৫ হাজার যাত্রী ইরানে জিবিইউ-৪৩/বি বোমা ব্যবহারের পরিকল্পনা মার্কিন বাহিনীর মোজাম্বিক থেকে দেশে ফিরল প্রবাসী জসিমের মৃত অবস্থায় পাওয়া পেশোয়ারে স্কুলের ছাদ ধসে ২৯ জনের প্রাণহানি আইএমএফের ঋণ পেতে পূরণ করতে হবে নির্দিষ্ট শর্ত: অর্থমন্ত্রী ফেনীর ফাজিলপুরে ১৯ নভেম্বর বিনামূল্যে রোগী দেখবেন অধ্যাপক ডা. কাজী দ্বীন মোহাম্মদ আরামকোর সদর দপ্তর ও রিয়াদে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মুম্বাই পুলিশের নোটিশে দেশ ছাড়ার নির্দেশ পেলেন অভিনেতা ইমরান

চল্লিশে চপল হরিণা শাকিরা(ভিডিও)

  • আপডেট সময় : ০১:২৫:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • / 389
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কলম্বিয়ার পপ গায়িকা শাকিরার বাবা আরব বংশোদ্ভূত, তাই শাকিরার নাচে বেলি-ড্যান্সিং-এর ছোঁয়া পাওয়া যায়, যেমন তাঁর গানে থাকে প্রাচ্যের হিল্লোল৷ আবার চল্লিশে পা দিয়ে শাকিরা এখন শিক্ষার প্রবক্তাও বটে৷

কলম্বিয়ার সুপারস্টার

১৯৭৭ সালের দোসরা ফেব্রুয়ারি কলম্বিয়ার বারাঙ্কিলায় এক পরিবারের আট সন্তানের কনিষ্ঠতম হিসেবে শাকিরার জন্ম৷ শাকিরা চিরকালের সফলতম লাতিন শিল্পীদের অন্যতম৷ তাঁর প্রথম অ্যালবাম বেরোয় মাত্র ১৪ বছর বয়সে, কিন্তু তিনি নাম করেন তাঁর তৃতীয় গানের রেকর্ড ‘পিয়েস দিয়েসকালসস’ বা ‘খালি-পা’ দিয়ে৷ সেটা ছিল ১৯৯৬ সালে৷ ১৯৯৭-তে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে গিয়ে প্রযোজক এমিলিও এস্তেফানের সহযোগিতায় বিশ্বখ্যাত হন৷

উত্তর ও দক্ষিণ অ্যামেরিকার মধ্যে সংযোগসূত্র

শাকিরা তাঁর প্রথম গ্র্যামি পান ২০০০ সালে, সেরা ল্যাটিন পপ অ্যালবামের জন্য৷ ২০০১ সালে বেরোয় তাঁর প্রথম ইংরেজি ভাষার অ্যালবাম ‘লন্ড্রি সার্ভিস’ এবং সেটা সোজা বিলবোর্ড চার্টের তৃতীয় স্থানে পৌঁছে যায়৷ ২০০৬ সালে আসে শাকিরার দ্বিতীয় গ্র্যামি, এবার ল্যাটিন রক/অল্টারনেটিভ বিভাগে৷ সে বছরই তাঁর ‘হিপস ডোন্ট লাই’ গানটি সেরা গান হিসেবে এমটিভি’র ল্যাটিন অ্যামেরিকান অ্যাওয়ার্ড পায়৷

মিথ্যে বলে না’

https://youtu.be/LU34CP8jUWU
২০০৬ সালের গ্র্যামি জেতা ‘ওরাল ফিক্সেশন’ অ্যালবামটি থেকে ‘হিপস ডোন্ট লাই’ গানটি শাকিরার সেরা হিট গানগুলোর অন্যতম৷ মাত্র পাঁচ ফুট এক ইঞ্চি লম্বা শাকিরার নাচে ও গানে তাঁর কলম্বিয়ান, স্প্যানিশ, ইটালীয় ও লেবাননী বংশধরার ছাপ পাওয়া যায়৷

শাকিরা ও ফুটবল

২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় ফুটবল বিশ্বকাপের কথা ভাবলেই মনে পড়বে ‘ওয়াকা ওয়াকা’৷ শাকিরার গানটি ছিল টুর্নামেন্টের থিম সং; ইউটিউবে একশ’ কোটিবার দেখা হয়েছে গানের ভিডিওটি৷ সে বছরই বাজারে আসে শাকিরার প্রথম সেন্ট, যার নাম রাখেন ‘এস’৷

পুরাতন প্রেমিক

প্রায় দশ বছর ধরে শাকিরার জীবনে যে পুরুষটি ছিলেন, তাঁর নাম আন্তোনিও দে লা রুয়া, আর্জেন্টিনার এক সাবেক প্রেসিডেন্টের পুত্র৷ ২০০১ সালে শাকিরা দে লা রুয়া’র বাগদত্তাও হন৷ কিন্তু দু’জনার ছাড়ছাড়ি হয়ে যায় ২০১০ সালে৷ দে লা রুয়া শাকিরার বিরুদ্ধে ২৫ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণের মামলা করেন৷ তিনি নাকি শাকিরার ক্যারিয়ার ম্যানেজ করতেন৷ শেষমেশ মামলা খারিজ হয়ে যায়৷ ছবিতে দু’জনকে দেখা যাচ্ছে লাস ভেগাসে, ২০০৭ সালে৷

ফুটবলার সঙ্গি

স্পেনের ফুটবল খেলোয়াড় জেরার্ড পিকে’র সঙ্গে শাকিরার সম্পর্ক চলছে ২০১০ সাল থেকে৷ ২০১০ সালের বিশ্বকাপের সময় থেকেই নাকি দু’জনের ঘনিষ্ঠতা৷ পিকে থাকেন বার্সেলোনায়৷ শাকিরার চেয়ে তিনি ঠিক দশ বছরের ছোট৷ তবে দু’জনের জন্ম একই দিনে৷ তাঁদের দুই ছেলে মিলান আর সাশার জন্ম ২০১৩ আর ২০১৫ সালে৷

ওয়াক অফ ফেম

শাকিরা হলিউডের ওয়াক অফ ফেম-এ স্থান পান ২০১১ সালের নভেম্বর মাসে৷ শাকিরার নিজের বাড়ি আছে মায়ামিতে, বাহামায়, তাঁর জন্মের শহর বারাঙ্কিলায় আর বার্সেলোনাতে৷

বেয়ারফুট ফাউন্ডেশন

শাকিরা খালি পায়ে নাচতে ভালোবাসেন; তাই নিজের চ্যারিটির নাম রেখেছেন পিয়েস দিয়েসকালসস নিধি বা বেয়ারফুট ফাউন্ডেশন৷ এই সংগঠনের উদ্দেশ্য তাঁর স্বদেশ কলম্বিয়ার শিশুদের জন্য শিক্ষার ব্যবস্থা করা৷ ছবিতে শাকিরাকে কলম্বিয়ার কার্তাজেনা দে ইন্দিয়াস শহরে একটি স্কুলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে দেখা যাচ্ছে৷

দ্য ভয়েস’

মার্কিন এনবিসি টেলিভিশনের ‘দ্য ভয়েস’ টিভি শো-তে শাকিরা জুরির সদস্য হন ২০১৩ সালে৷ তাঁর সঙ্গে জুরিতে ছিলেন আরঅ্যান্ডবি আর্টিস্ট আশার-এর মতো শিল্পী৷ সেটা ছিল চতুর্থ সিজন৷ তারপর পঞ্চম সিজন বাদ দিয়ে শাকিরা আবার ষষ্ঠ সিজনে ‘দ্য ভয়েস’-এর জুরি হয়েছেন৷

চপলা হরিণ

অ্যানিমেটেড অর্থাৎ কার্টুন ছবি ‘জুটোপিয়া’-য় ‘গ্যাজেল’ অর্থাৎ হরিণের চরিত্রটিতে কণ্ঠ দেন শাকিরা, যেমন তার ইংরেজি, তেমন তার স্প্যানিশ সংস্করণে৷ ছবিটিতে তিনি ‘ট্রাই এভরিথিং’ শীর্ষক গানটি গান৷ ‘জুটোপিয়া’ সেরা অ্যানিমেটেড ফিচার ফিল্ম হিসেবে একটি ‘গোল্ডেন গ্লোব’ জয় করে৷

ইউনিসেফের গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর

শাকিরা ইউনিসেফের গুডউইল অ্যাম্বাসেডর৷ ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে তিনি ডাভোসের বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে গিয়েছিলেন শিক্ষার জন্য প্রাচারণা করতে৷ এখানে তিনি শোয়াব ফাউন্ডেশনের ক্রিস্টাল অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হন: এই পুরস্কার সেই সব শিল্পীকে দেওয়া হয়, যাঁরা বিশ্বের উন্নতির জন্য সচেষ্ট৷

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চল্লিশে চপল হরিণা শাকিরা(ভিডিও)

আপডেট সময় : ০১:২৫:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

কলম্বিয়ার পপ গায়িকা শাকিরার বাবা আরব বংশোদ্ভূত, তাই শাকিরার নাচে বেলি-ড্যান্সিং-এর ছোঁয়া পাওয়া যায়, যেমন তাঁর গানে থাকে প্রাচ্যের হিল্লোল৷ আবার চল্লিশে পা দিয়ে শাকিরা এখন শিক্ষার প্রবক্তাও বটে৷

কলম্বিয়ার সুপারস্টার

১৯৭৭ সালের দোসরা ফেব্রুয়ারি কলম্বিয়ার বারাঙ্কিলায় এক পরিবারের আট সন্তানের কনিষ্ঠতম হিসেবে শাকিরার জন্ম৷ শাকিরা চিরকালের সফলতম লাতিন শিল্পীদের অন্যতম৷ তাঁর প্রথম অ্যালবাম বেরোয় মাত্র ১৪ বছর বয়সে, কিন্তু তিনি নাম করেন তাঁর তৃতীয় গানের রেকর্ড ‘পিয়েস দিয়েসকালসস’ বা ‘খালি-পা’ দিয়ে৷ সেটা ছিল ১৯৯৬ সালে৷ ১৯৯৭-তে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে গিয়ে প্রযোজক এমিলিও এস্তেফানের সহযোগিতায় বিশ্বখ্যাত হন৷

উত্তর ও দক্ষিণ অ্যামেরিকার মধ্যে সংযোগসূত্র

শাকিরা তাঁর প্রথম গ্র্যামি পান ২০০০ সালে, সেরা ল্যাটিন পপ অ্যালবামের জন্য৷ ২০০১ সালে বেরোয় তাঁর প্রথম ইংরেজি ভাষার অ্যালবাম ‘লন্ড্রি সার্ভিস’ এবং সেটা সোজা বিলবোর্ড চার্টের তৃতীয় স্থানে পৌঁছে যায়৷ ২০০৬ সালে আসে শাকিরার দ্বিতীয় গ্র্যামি, এবার ল্যাটিন রক/অল্টারনেটিভ বিভাগে৷ সে বছরই তাঁর ‘হিপস ডোন্ট লাই’ গানটি সেরা গান হিসেবে এমটিভি’র ল্যাটিন অ্যামেরিকান অ্যাওয়ার্ড পায়৷

মিথ্যে বলে না’

https://youtu.be/LU34CP8jUWU
২০০৬ সালের গ্র্যামি জেতা ‘ওরাল ফিক্সেশন’ অ্যালবামটি থেকে ‘হিপস ডোন্ট লাই’ গানটি শাকিরার সেরা হিট গানগুলোর অন্যতম৷ মাত্র পাঁচ ফুট এক ইঞ্চি লম্বা শাকিরার নাচে ও গানে তাঁর কলম্বিয়ান, স্প্যানিশ, ইটালীয় ও লেবাননী বংশধরার ছাপ পাওয়া যায়৷

শাকিরা ও ফুটবল

২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় ফুটবল বিশ্বকাপের কথা ভাবলেই মনে পড়বে ‘ওয়াকা ওয়াকা’৷ শাকিরার গানটি ছিল টুর্নামেন্টের থিম সং; ইউটিউবে একশ’ কোটিবার দেখা হয়েছে গানের ভিডিওটি৷ সে বছরই বাজারে আসে শাকিরার প্রথম সেন্ট, যার নাম রাখেন ‘এস’৷

পুরাতন প্রেমিক

প্রায় দশ বছর ধরে শাকিরার জীবনে যে পুরুষটি ছিলেন, তাঁর নাম আন্তোনিও দে লা রুয়া, আর্জেন্টিনার এক সাবেক প্রেসিডেন্টের পুত্র৷ ২০০১ সালে শাকিরা দে লা রুয়া’র বাগদত্তাও হন৷ কিন্তু দু’জনার ছাড়ছাড়ি হয়ে যায় ২০১০ সালে৷ দে লা রুয়া শাকিরার বিরুদ্ধে ২৫ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণের মামলা করেন৷ তিনি নাকি শাকিরার ক্যারিয়ার ম্যানেজ করতেন৷ শেষমেশ মামলা খারিজ হয়ে যায়৷ ছবিতে দু’জনকে দেখা যাচ্ছে লাস ভেগাসে, ২০০৭ সালে৷

ফুটবলার সঙ্গি

স্পেনের ফুটবল খেলোয়াড় জেরার্ড পিকে’র সঙ্গে শাকিরার সম্পর্ক চলছে ২০১০ সাল থেকে৷ ২০১০ সালের বিশ্বকাপের সময় থেকেই নাকি দু’জনের ঘনিষ্ঠতা৷ পিকে থাকেন বার্সেলোনায়৷ শাকিরার চেয়ে তিনি ঠিক দশ বছরের ছোট৷ তবে দু’জনের জন্ম একই দিনে৷ তাঁদের দুই ছেলে মিলান আর সাশার জন্ম ২০১৩ আর ২০১৫ সালে৷

ওয়াক অফ ফেম

শাকিরা হলিউডের ওয়াক অফ ফেম-এ স্থান পান ২০১১ সালের নভেম্বর মাসে৷ শাকিরার নিজের বাড়ি আছে মায়ামিতে, বাহামায়, তাঁর জন্মের শহর বারাঙ্কিলায় আর বার্সেলোনাতে৷

বেয়ারফুট ফাউন্ডেশন

শাকিরা খালি পায়ে নাচতে ভালোবাসেন; তাই নিজের চ্যারিটির নাম রেখেছেন পিয়েস দিয়েসকালসস নিধি বা বেয়ারফুট ফাউন্ডেশন৷ এই সংগঠনের উদ্দেশ্য তাঁর স্বদেশ কলম্বিয়ার শিশুদের জন্য শিক্ষার ব্যবস্থা করা৷ ছবিতে শাকিরাকে কলম্বিয়ার কার্তাজেনা দে ইন্দিয়াস শহরে একটি স্কুলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে দেখা যাচ্ছে৷

দ্য ভয়েস’

মার্কিন এনবিসি টেলিভিশনের ‘দ্য ভয়েস’ টিভি শো-তে শাকিরা জুরির সদস্য হন ২০১৩ সালে৷ তাঁর সঙ্গে জুরিতে ছিলেন আরঅ্যান্ডবি আর্টিস্ট আশার-এর মতো শিল্পী৷ সেটা ছিল চতুর্থ সিজন৷ তারপর পঞ্চম সিজন বাদ দিয়ে শাকিরা আবার ষষ্ঠ সিজনে ‘দ্য ভয়েস’-এর জুরি হয়েছেন৷

চপলা হরিণ

অ্যানিমেটেড অর্থাৎ কার্টুন ছবি ‘জুটোপিয়া’-য় ‘গ্যাজেল’ অর্থাৎ হরিণের চরিত্রটিতে কণ্ঠ দেন শাকিরা, যেমন তার ইংরেজি, তেমন তার স্প্যানিশ সংস্করণে৷ ছবিটিতে তিনি ‘ট্রাই এভরিথিং’ শীর্ষক গানটি গান৷ ‘জুটোপিয়া’ সেরা অ্যানিমেটেড ফিচার ফিল্ম হিসেবে একটি ‘গোল্ডেন গ্লোব’ জয় করে৷

ইউনিসেফের গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর

শাকিরা ইউনিসেফের গুডউইল অ্যাম্বাসেডর৷ ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে তিনি ডাভোসের বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে গিয়েছিলেন শিক্ষার জন্য প্রাচারণা করতে৷ এখানে তিনি শোয়াব ফাউন্ডেশনের ক্রিস্টাল অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হন: এই পুরস্কার সেই সব শিল্পীকে দেওয়া হয়, যাঁরা বিশ্বের উন্নতির জন্য সচেষ্ট৷