ঢাকা ১১:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

চল্লিশে চপল হরিণা শাকিরা(ভিডিও)

  • আপডেট সময় : ০১:২৫:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • / 383
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কলম্বিয়ার পপ গায়িকা শাকিরার বাবা আরব বংশোদ্ভূত, তাই শাকিরার নাচে বেলি-ড্যান্সিং-এর ছোঁয়া পাওয়া যায়, যেমন তাঁর গানে থাকে প্রাচ্যের হিল্লোল৷ আবার চল্লিশে পা দিয়ে শাকিরা এখন শিক্ষার প্রবক্তাও বটে৷

কলম্বিয়ার সুপারস্টার

১৯৭৭ সালের দোসরা ফেব্রুয়ারি কলম্বিয়ার বারাঙ্কিলায় এক পরিবারের আট সন্তানের কনিষ্ঠতম হিসেবে শাকিরার জন্ম৷ শাকিরা চিরকালের সফলতম লাতিন শিল্পীদের অন্যতম৷ তাঁর প্রথম অ্যালবাম বেরোয় মাত্র ১৪ বছর বয়সে, কিন্তু তিনি নাম করেন তাঁর তৃতীয় গানের রেকর্ড ‘পিয়েস দিয়েসকালসস’ বা ‘খালি-পা’ দিয়ে৷ সেটা ছিল ১৯৯৬ সালে৷ ১৯৯৭-তে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে গিয়ে প্রযোজক এমিলিও এস্তেফানের সহযোগিতায় বিশ্বখ্যাত হন৷

উত্তর ও দক্ষিণ অ্যামেরিকার মধ্যে সংযোগসূত্র

শাকিরা তাঁর প্রথম গ্র্যামি পান ২০০০ সালে, সেরা ল্যাটিন পপ অ্যালবামের জন্য৷ ২০০১ সালে বেরোয় তাঁর প্রথম ইংরেজি ভাষার অ্যালবাম ‘লন্ড্রি সার্ভিস’ এবং সেটা সোজা বিলবোর্ড চার্টের তৃতীয় স্থানে পৌঁছে যায়৷ ২০০৬ সালে আসে শাকিরার দ্বিতীয় গ্র্যামি, এবার ল্যাটিন রক/অল্টারনেটিভ বিভাগে৷ সে বছরই তাঁর ‘হিপস ডোন্ট লাই’ গানটি সেরা গান হিসেবে এমটিভি’র ল্যাটিন অ্যামেরিকান অ্যাওয়ার্ড পায়৷

মিথ্যে বলে না’

https://youtu.be/LU34CP8jUWU
২০০৬ সালের গ্র্যামি জেতা ‘ওরাল ফিক্সেশন’ অ্যালবামটি থেকে ‘হিপস ডোন্ট লাই’ গানটি শাকিরার সেরা হিট গানগুলোর অন্যতম৷ মাত্র পাঁচ ফুট এক ইঞ্চি লম্বা শাকিরার নাচে ও গানে তাঁর কলম্বিয়ান, স্প্যানিশ, ইটালীয় ও লেবাননী বংশধরার ছাপ পাওয়া যায়৷

শাকিরা ও ফুটবল

২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় ফুটবল বিশ্বকাপের কথা ভাবলেই মনে পড়বে ‘ওয়াকা ওয়াকা’৷ শাকিরার গানটি ছিল টুর্নামেন্টের থিম সং; ইউটিউবে একশ’ কোটিবার দেখা হয়েছে গানের ভিডিওটি৷ সে বছরই বাজারে আসে শাকিরার প্রথম সেন্ট, যার নাম রাখেন ‘এস’৷

পুরাতন প্রেমিক

প্রায় দশ বছর ধরে শাকিরার জীবনে যে পুরুষটি ছিলেন, তাঁর নাম আন্তোনিও দে লা রুয়া, আর্জেন্টিনার এক সাবেক প্রেসিডেন্টের পুত্র৷ ২০০১ সালে শাকিরা দে লা রুয়া’র বাগদত্তাও হন৷ কিন্তু দু’জনার ছাড়ছাড়ি হয়ে যায় ২০১০ সালে৷ দে লা রুয়া শাকিরার বিরুদ্ধে ২৫ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণের মামলা করেন৷ তিনি নাকি শাকিরার ক্যারিয়ার ম্যানেজ করতেন৷ শেষমেশ মামলা খারিজ হয়ে যায়৷ ছবিতে দু’জনকে দেখা যাচ্ছে লাস ভেগাসে, ২০০৭ সালে৷

ফুটবলার সঙ্গি

স্পেনের ফুটবল খেলোয়াড় জেরার্ড পিকে’র সঙ্গে শাকিরার সম্পর্ক চলছে ২০১০ সাল থেকে৷ ২০১০ সালের বিশ্বকাপের সময় থেকেই নাকি দু’জনের ঘনিষ্ঠতা৷ পিকে থাকেন বার্সেলোনায়৷ শাকিরার চেয়ে তিনি ঠিক দশ বছরের ছোট৷ তবে দু’জনের জন্ম একই দিনে৷ তাঁদের দুই ছেলে মিলান আর সাশার জন্ম ২০১৩ আর ২০১৫ সালে৷

ওয়াক অফ ফেম

শাকিরা হলিউডের ওয়াক অফ ফেম-এ স্থান পান ২০১১ সালের নভেম্বর মাসে৷ শাকিরার নিজের বাড়ি আছে মায়ামিতে, বাহামায়, তাঁর জন্মের শহর বারাঙ্কিলায় আর বার্সেলোনাতে৷

বেয়ারফুট ফাউন্ডেশন

শাকিরা খালি পায়ে নাচতে ভালোবাসেন; তাই নিজের চ্যারিটির নাম রেখেছেন পিয়েস দিয়েসকালসস নিধি বা বেয়ারফুট ফাউন্ডেশন৷ এই সংগঠনের উদ্দেশ্য তাঁর স্বদেশ কলম্বিয়ার শিশুদের জন্য শিক্ষার ব্যবস্থা করা৷ ছবিতে শাকিরাকে কলম্বিয়ার কার্তাজেনা দে ইন্দিয়াস শহরে একটি স্কুলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে দেখা যাচ্ছে৷

দ্য ভয়েস’

মার্কিন এনবিসি টেলিভিশনের ‘দ্য ভয়েস’ টিভি শো-তে শাকিরা জুরির সদস্য হন ২০১৩ সালে৷ তাঁর সঙ্গে জুরিতে ছিলেন আরঅ্যান্ডবি আর্টিস্ট আশার-এর মতো শিল্পী৷ সেটা ছিল চতুর্থ সিজন৷ তারপর পঞ্চম সিজন বাদ দিয়ে শাকিরা আবার ষষ্ঠ সিজনে ‘দ্য ভয়েস’-এর জুরি হয়েছেন৷

চপলা হরিণ

অ্যানিমেটেড অর্থাৎ কার্টুন ছবি ‘জুটোপিয়া’-য় ‘গ্যাজেল’ অর্থাৎ হরিণের চরিত্রটিতে কণ্ঠ দেন শাকিরা, যেমন তার ইংরেজি, তেমন তার স্প্যানিশ সংস্করণে৷ ছবিটিতে তিনি ‘ট্রাই এভরিথিং’ শীর্ষক গানটি গান৷ ‘জুটোপিয়া’ সেরা অ্যানিমেটেড ফিচার ফিল্ম হিসেবে একটি ‘গোল্ডেন গ্লোব’ জয় করে৷

ইউনিসেফের গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর

শাকিরা ইউনিসেফের গুডউইল অ্যাম্বাসেডর৷ ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে তিনি ডাভোসের বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে গিয়েছিলেন শিক্ষার জন্য প্রাচারণা করতে৷ এখানে তিনি শোয়াব ফাউন্ডেশনের ক্রিস্টাল অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হন: এই পুরস্কার সেই সব শিল্পীকে দেওয়া হয়, যাঁরা বিশ্বের উন্নতির জন্য সচেষ্ট৷

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চল্লিশে চপল হরিণা শাকিরা(ভিডিও)

আপডেট সময় : ০১:২৫:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

কলম্বিয়ার পপ গায়িকা শাকিরার বাবা আরব বংশোদ্ভূত, তাই শাকিরার নাচে বেলি-ড্যান্সিং-এর ছোঁয়া পাওয়া যায়, যেমন তাঁর গানে থাকে প্রাচ্যের হিল্লোল৷ আবার চল্লিশে পা দিয়ে শাকিরা এখন শিক্ষার প্রবক্তাও বটে৷

কলম্বিয়ার সুপারস্টার

১৯৭৭ সালের দোসরা ফেব্রুয়ারি কলম্বিয়ার বারাঙ্কিলায় এক পরিবারের আট সন্তানের কনিষ্ঠতম হিসেবে শাকিরার জন্ম৷ শাকিরা চিরকালের সফলতম লাতিন শিল্পীদের অন্যতম৷ তাঁর প্রথম অ্যালবাম বেরোয় মাত্র ১৪ বছর বয়সে, কিন্তু তিনি নাম করেন তাঁর তৃতীয় গানের রেকর্ড ‘পিয়েস দিয়েসকালসস’ বা ‘খালি-পা’ দিয়ে৷ সেটা ছিল ১৯৯৬ সালে৷ ১৯৯৭-তে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে গিয়ে প্রযোজক এমিলিও এস্তেফানের সহযোগিতায় বিশ্বখ্যাত হন৷

উত্তর ও দক্ষিণ অ্যামেরিকার মধ্যে সংযোগসূত্র

শাকিরা তাঁর প্রথম গ্র্যামি পান ২০০০ সালে, সেরা ল্যাটিন পপ অ্যালবামের জন্য৷ ২০০১ সালে বেরোয় তাঁর প্রথম ইংরেজি ভাষার অ্যালবাম ‘লন্ড্রি সার্ভিস’ এবং সেটা সোজা বিলবোর্ড চার্টের তৃতীয় স্থানে পৌঁছে যায়৷ ২০০৬ সালে আসে শাকিরার দ্বিতীয় গ্র্যামি, এবার ল্যাটিন রক/অল্টারনেটিভ বিভাগে৷ সে বছরই তাঁর ‘হিপস ডোন্ট লাই’ গানটি সেরা গান হিসেবে এমটিভি’র ল্যাটিন অ্যামেরিকান অ্যাওয়ার্ড পায়৷

মিথ্যে বলে না’

https://youtu.be/LU34CP8jUWU
২০০৬ সালের গ্র্যামি জেতা ‘ওরাল ফিক্সেশন’ অ্যালবামটি থেকে ‘হিপস ডোন্ট লাই’ গানটি শাকিরার সেরা হিট গানগুলোর অন্যতম৷ মাত্র পাঁচ ফুট এক ইঞ্চি লম্বা শাকিরার নাচে ও গানে তাঁর কলম্বিয়ান, স্প্যানিশ, ইটালীয় ও লেবাননী বংশধরার ছাপ পাওয়া যায়৷

শাকিরা ও ফুটবল

২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় ফুটবল বিশ্বকাপের কথা ভাবলেই মনে পড়বে ‘ওয়াকা ওয়াকা’৷ শাকিরার গানটি ছিল টুর্নামেন্টের থিম সং; ইউটিউবে একশ’ কোটিবার দেখা হয়েছে গানের ভিডিওটি৷ সে বছরই বাজারে আসে শাকিরার প্রথম সেন্ট, যার নাম রাখেন ‘এস’৷

পুরাতন প্রেমিক

প্রায় দশ বছর ধরে শাকিরার জীবনে যে পুরুষটি ছিলেন, তাঁর নাম আন্তোনিও দে লা রুয়া, আর্জেন্টিনার এক সাবেক প্রেসিডেন্টের পুত্র৷ ২০০১ সালে শাকিরা দে লা রুয়া’র বাগদত্তাও হন৷ কিন্তু দু’জনার ছাড়ছাড়ি হয়ে যায় ২০১০ সালে৷ দে লা রুয়া শাকিরার বিরুদ্ধে ২৫ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণের মামলা করেন৷ তিনি নাকি শাকিরার ক্যারিয়ার ম্যানেজ করতেন৷ শেষমেশ মামলা খারিজ হয়ে যায়৷ ছবিতে দু’জনকে দেখা যাচ্ছে লাস ভেগাসে, ২০০৭ সালে৷

ফুটবলার সঙ্গি

স্পেনের ফুটবল খেলোয়াড় জেরার্ড পিকে’র সঙ্গে শাকিরার সম্পর্ক চলছে ২০১০ সাল থেকে৷ ২০১০ সালের বিশ্বকাপের সময় থেকেই নাকি দু’জনের ঘনিষ্ঠতা৷ পিকে থাকেন বার্সেলোনায়৷ শাকিরার চেয়ে তিনি ঠিক দশ বছরের ছোট৷ তবে দু’জনের জন্ম একই দিনে৷ তাঁদের দুই ছেলে মিলান আর সাশার জন্ম ২০১৩ আর ২০১৫ সালে৷

ওয়াক অফ ফেম

শাকিরা হলিউডের ওয়াক অফ ফেম-এ স্থান পান ২০১১ সালের নভেম্বর মাসে৷ শাকিরার নিজের বাড়ি আছে মায়ামিতে, বাহামায়, তাঁর জন্মের শহর বারাঙ্কিলায় আর বার্সেলোনাতে৷

বেয়ারফুট ফাউন্ডেশন

শাকিরা খালি পায়ে নাচতে ভালোবাসেন; তাই নিজের চ্যারিটির নাম রেখেছেন পিয়েস দিয়েসকালসস নিধি বা বেয়ারফুট ফাউন্ডেশন৷ এই সংগঠনের উদ্দেশ্য তাঁর স্বদেশ কলম্বিয়ার শিশুদের জন্য শিক্ষার ব্যবস্থা করা৷ ছবিতে শাকিরাকে কলম্বিয়ার কার্তাজেনা দে ইন্দিয়াস শহরে একটি স্কুলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে দেখা যাচ্ছে৷

দ্য ভয়েস’

মার্কিন এনবিসি টেলিভিশনের ‘দ্য ভয়েস’ টিভি শো-তে শাকিরা জুরির সদস্য হন ২০১৩ সালে৷ তাঁর সঙ্গে জুরিতে ছিলেন আরঅ্যান্ডবি আর্টিস্ট আশার-এর মতো শিল্পী৷ সেটা ছিল চতুর্থ সিজন৷ তারপর পঞ্চম সিজন বাদ দিয়ে শাকিরা আবার ষষ্ঠ সিজনে ‘দ্য ভয়েস’-এর জুরি হয়েছেন৷

চপলা হরিণ

অ্যানিমেটেড অর্থাৎ কার্টুন ছবি ‘জুটোপিয়া’-য় ‘গ্যাজেল’ অর্থাৎ হরিণের চরিত্রটিতে কণ্ঠ দেন শাকিরা, যেমন তার ইংরেজি, তেমন তার স্প্যানিশ সংস্করণে৷ ছবিটিতে তিনি ‘ট্রাই এভরিথিং’ শীর্ষক গানটি গান৷ ‘জুটোপিয়া’ সেরা অ্যানিমেটেড ফিচার ফিল্ম হিসেবে একটি ‘গোল্ডেন গ্লোব’ জয় করে৷

ইউনিসেফের গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর

শাকিরা ইউনিসেফের গুডউইল অ্যাম্বাসেডর৷ ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে তিনি ডাভোসের বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে গিয়েছিলেন শিক্ষার জন্য প্রাচারণা করতে৷ এখানে তিনি শোয়াব ফাউন্ডেশনের ক্রিস্টাল অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হন: এই পুরস্কার সেই সব শিল্পীকে দেওয়া হয়, যাঁরা বিশ্বের উন্নতির জন্য সচেষ্ট৷