ঢাকা ০২:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোজাম্বিক থেকে দেশে ফিরল প্রবাসী জসিমের মৃত অবস্থায় পাওয়া

  • আপডেট সময় : ০২:২৬:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / 3
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোজাম্বিকে কর্মরত অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারী বাঁশখালীর প্রবাসী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের (৩৫) মরদেহ সাত দিন পর দেশে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে কাতার এয়ারওয়েজের কার্গো ফ্লাইটে তার মরদেহ চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এরপর অ্যাম্বুলেন্সে করে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি চাম্বলে পৌঁছে দেওয়া হয়। জসিমের মৃত্যুতে তার পরিবার ও পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর স্বজনেরা জসিমের লাশ ফিরে পাওয়ায় পরিবার ও এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে।

নিহত জসিম উদ্দিন বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল ইউনিয়নের পূর্ব চাম্বল ছড়ারকুল এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি মোহাম্মদ ছৈয়্যদ মিয়া ও মাবিয়া খাতুনের ছেলে। প্রায় ১২ বছর ধরে তিনি জীবিকার সন্ধানে মোজাম্বিকে বসবাস করছিলেন। গত ৯ অক্টোবর শুক্রবার মোজাম্বিকের মাপুতো বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা করার সময় মাঝ আকাশে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন এবং মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তীতে তার মরদেহ কাতারের হামাদ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছিল।

নিহতের বড় ভাই মো. ইউনুস জানান, কাতারে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর বুধবার রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে কার্গো ফ্লাইটে মরদেহ চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়। জসিম উদ্দিনের মৃত্যুতে তার স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়ে, বাবা-মা এবং ভাই-বোনসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন শোকাভিভূত। মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছানোর পর শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

মোজাম্বিক থেকে দেশে ফিরল প্রবাসী জসিমের মৃত অবস্থায় পাওয়া

আপডেট সময় : ০২:২৬:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

মোজাম্বিকে কর্মরত অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারী বাঁশখালীর প্রবাসী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের (৩৫) মরদেহ সাত দিন পর দেশে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে কাতার এয়ারওয়েজের কার্গো ফ্লাইটে তার মরদেহ চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এরপর অ্যাম্বুলেন্সে করে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি চাম্বলে পৌঁছে দেওয়া হয়। জসিমের মৃত্যুতে তার পরিবার ও পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর স্বজনেরা জসিমের লাশ ফিরে পাওয়ায় পরিবার ও এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে।

নিহত জসিম উদ্দিন বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল ইউনিয়নের পূর্ব চাম্বল ছড়ারকুল এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি মোহাম্মদ ছৈয়্যদ মিয়া ও মাবিয়া খাতুনের ছেলে। প্রায় ১২ বছর ধরে তিনি জীবিকার সন্ধানে মোজাম্বিকে বসবাস করছিলেন। গত ৯ অক্টোবর শুক্রবার মোজাম্বিকের মাপুতো বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা করার সময় মাঝ আকাশে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন এবং মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তীতে তার মরদেহ কাতারের হামাদ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছিল।

নিহতের বড় ভাই মো. ইউনুস জানান, কাতারে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর বুধবার রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে কার্গো ফ্লাইটে মরদেহ চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়। জসিম উদ্দিনের মৃত্যুতে তার স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়ে, বাবা-মা এবং ভাই-বোনসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন শোকাভিভূত। মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছানোর পর শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়।