ঢাকা ০১:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের

‘খালেদা জিয়াকে হয়রানি করতে মামলা চালু রাখা হয়েছে’

  • আপডেট সময় : ০৮:৪৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • / 237
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করে বলেছেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলা রাজনৈতিক এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত। শুধু তাকে হয়রানি করতেই মামলাগুলো চালু রাখা হয়েছ।সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যেভাবে বক্তব্য দিচ্ছেন তাতে সুস্পষ্টভাবে আদালতের ওপর প্রভাব বিস্তার করার সামিল। প্রধানমন্ত্রী মনে করেন আইন, বিচার, প্রশাসন সবকিছুই তার করায়ত্বে। সেজন্য মামলা ও শাস্তি দেয়া তার ইচ্ছার ওপরই নির্ভর করে। তিনি নির্ধারণ করে দিয়েছেন বিরোধী দল হলে তাকে শাস্তি পেতেই হবে।

আজ রবিবার সকালে নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন সময় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মামলা নিয়ে মিথ্যাচার করছেন। গত শুক্রবারও জার্মানির মিউনিখে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘প্রমাণ হলে খালেদা জিয়ার শাস্তি হবে। সেখানে তিনি আরো বলেন, জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাসহ চলমান বিচারাধীন মামলাগুলো ১/১১ এর সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে করা। কিন্তু বাস্তবে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাসহ বেশির ভাগ মামলা করা হয়েছে ২০১০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে।

তিনি রিজভী বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) ব্যবহার করে এসব মামলার চার্জশিটও দেয়া হয়েছে তাদের আমলে। এমনকি যে মামলাগুলো ১/১১ সরকারের সময় উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত ছিল সেই মামলাগুলোও তারা পুণরায় চালু করেছে। অথচ একই মামলাগুলোতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীরও নাম ছিল এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে ১/১১ এর সরকার যতগুলো মামলা দিয়েছিল তার তিনগুণ মামলা দায়ের করা হয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তিনি ১৫টি মামলা মাথায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী হন। সেই মামলাগুলি হাওয়ায় উড়ে গেল কীভাবে?

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

‘খালেদা জিয়াকে হয়রানি করতে মামলা চালু রাখা হয়েছে’

আপডেট সময় : ০৮:৪৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করে বলেছেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলা রাজনৈতিক এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত। শুধু তাকে হয়রানি করতেই মামলাগুলো চালু রাখা হয়েছ।সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যেভাবে বক্তব্য দিচ্ছেন তাতে সুস্পষ্টভাবে আদালতের ওপর প্রভাব বিস্তার করার সামিল। প্রধানমন্ত্রী মনে করেন আইন, বিচার, প্রশাসন সবকিছুই তার করায়ত্বে। সেজন্য মামলা ও শাস্তি দেয়া তার ইচ্ছার ওপরই নির্ভর করে। তিনি নির্ধারণ করে দিয়েছেন বিরোধী দল হলে তাকে শাস্তি পেতেই হবে।

আজ রবিবার সকালে নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন সময় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মামলা নিয়ে মিথ্যাচার করছেন। গত শুক্রবারও জার্মানির মিউনিখে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘প্রমাণ হলে খালেদা জিয়ার শাস্তি হবে। সেখানে তিনি আরো বলেন, জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাসহ চলমান বিচারাধীন মামলাগুলো ১/১১ এর সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে করা। কিন্তু বাস্তবে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাসহ বেশির ভাগ মামলা করা হয়েছে ২০১০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে।

তিনি রিজভী বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) ব্যবহার করে এসব মামলার চার্জশিটও দেয়া হয়েছে তাদের আমলে। এমনকি যে মামলাগুলো ১/১১ সরকারের সময় উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত ছিল সেই মামলাগুলোও তারা পুণরায় চালু করেছে। অথচ একই মামলাগুলোতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীরও নাম ছিল এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে ১/১১ এর সরকার যতগুলো মামলা দিয়েছিল তার তিনগুণ মামলা দায়ের করা হয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তিনি ১৫টি মামলা মাথায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী হন। সেই মামলাগুলি হাওয়ায় উড়ে গেল কীভাবে?