ঢাকা ১০:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

থাইল্যান্ডের একটি পার্কে ভাইরাসে ৪৭ বাঘের মৃত্যু

  • আপডেট সময় : ০৯:০৬:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 86
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের একটি ব্যক্তিগত সাফারি পার্কে সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রাণঘাতী ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে অন্তত ৭২টি বাঘ মারা গেছে বলে জানা গেছে।

কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

দেশটির চিয়াং মাইয়ের প্রাদেশিক প্রাণিসম্পদ কার্যালয় শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘পরীক্ষায় মারাত্নক সংক্রামক ক্যানাইন ডিস্টেম্পার ভাইরাসের পাশাপাশি শ্বাসযন্ত্রকে প্রভাবিত করে, এমন ব্যাকটেরিয়া শনাক্ত করা হয়েছে।’

জাতীয় প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরিচালক সোমচুয়ান রতনামুংক্লানন স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বাঘরা অসুস্থ হলে, বিড়াল বা কুকুরের মতো পোষা প্রাণীর তুলনায় তাদের রোগ শনাক্ত করা অনেক কঠিন। আমরা যখন বুঝতে পারলাম যে, তারা অসুস্থ, তখন ইতোমধ্যেই অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, চিয়াং মাই প্রদেশের টাইগার কিংডম সাফারি পার্ক এই বাঘগুলোর মৃত্যু হয়।

পার্কটির ওয়েবসাইটে দর্শকদের জন্য বাঘগুলোকে স্পর্শ করার ও ছবি তোলার সুযোগের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে।

প্রাণী অধিকার সংস্থা পেটা এশিয়া এএফপিকে জানিয়েছে, বাঘগুলোর জীবনযাপন দুর্দশা, বন্দীদশা ও ভয়ের মধ্যে কেটেছে।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ‘যদি পর্যটকদের সংখ্যা কমে যায়, তাহলে জনপ্রিয় স্থানগুলো দ্রুত অলাভজনক হতে পারে। তবে তাতে এই ধরনের নেতিবাচক ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা অনেক কম হবে।’
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

থাইল্যান্ডের একটি পার্কে ভাইরাসে ৪৭ বাঘের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৯:০৬:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের একটি ব্যক্তিগত সাফারি পার্কে সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রাণঘাতী ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে অন্তত ৭২টি বাঘ মারা গেছে বলে জানা গেছে।

কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

দেশটির চিয়াং মাইয়ের প্রাদেশিক প্রাণিসম্পদ কার্যালয় শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘পরীক্ষায় মারাত্নক সংক্রামক ক্যানাইন ডিস্টেম্পার ভাইরাসের পাশাপাশি শ্বাসযন্ত্রকে প্রভাবিত করে, এমন ব্যাকটেরিয়া শনাক্ত করা হয়েছে।’

জাতীয় প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরিচালক সোমচুয়ান রতনামুংক্লানন স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বাঘরা অসুস্থ হলে, বিড়াল বা কুকুরের মতো পোষা প্রাণীর তুলনায় তাদের রোগ শনাক্ত করা অনেক কঠিন। আমরা যখন বুঝতে পারলাম যে, তারা অসুস্থ, তখন ইতোমধ্যেই অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, চিয়াং মাই প্রদেশের টাইগার কিংডম সাফারি পার্ক এই বাঘগুলোর মৃত্যু হয়।

পার্কটির ওয়েবসাইটে দর্শকদের জন্য বাঘগুলোকে স্পর্শ করার ও ছবি তোলার সুযোগের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে।

প্রাণী অধিকার সংস্থা পেটা এশিয়া এএফপিকে জানিয়েছে, বাঘগুলোর জীবনযাপন দুর্দশা, বন্দীদশা ও ভয়ের মধ্যে কেটেছে।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ‘যদি পর্যটকদের সংখ্যা কমে যায়, তাহলে জনপ্রিয় স্থানগুলো দ্রুত অলাভজনক হতে পারে। তবে তাতে এই ধরনের নেতিবাচক ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা অনেক কম হবে।’
বিডিসংবাদ/এএইচএস