ঢাকা ১১:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

বাবার শেষযাত্রায় প্যারোলে মুক্তি পেলেন মৃত্যুর ঘটনা মামলার অভিযোগে

  • আপডেট সময় : ০৯:৩২:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
  • / 3
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় আলোচিত জোড়া হত্যাকাণ্ডের মামলায় কারাবন্দি রবিউল ইসলাম বাবার শেষযাত্রায় অংশ নেওয়ার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন। গত মঙ্গলবার গাইবান্ধা জেলা কারাগার থেকে পুলিশি পাহারায় তাকে সাঘাটার বোনারপাড়ায় নিয়ে আসা হয়। বাবার মৃত্যুর পর মানবিক দিক বিবেচনা করে আদালতের কাছে আবেদন করলে তাকে তিন থেকে চার ঘণ্টার জন্য এই বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়। জানাজা সম্পন্ন হওয়ার পর পুলিশি নিরাপত্তায় তাকে পুনরায় কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত রবিউল ইসলামের বাবা শাহ আলমের জানাজায় তার আত্মীয়স্বজন ও এলাকার মানুষ অংশ নেন। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর জেলা পুলিশ ও সাঘাটা থানা পুলিশের কড়া পাহারায় তাকে আবার জেলা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। এ সময় পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ২১ জুন বোনারপাড়া চৌমাথা এলাকায় ছাত্রশিবিরের ইউনিয়ন সভাপতি সাইফুল্লাহ বারি এবং কর্মী সালাউদ্দিনের ওপর অতর্কিতে হামলা চালানো হয়। উল্লেখ্য, গত ২১ জুন বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্র শিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ ও শিবির কর্মী সালাউদ্দিন উপজেলা সংলগ্ন বোনারপাড়া চৌমাথা এলাকায় অবস্থান করছিলেন।

এ ঘটনায় স্থানীয় যুবদল ও বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, যুবদলের ইউনিয়ন আহ্বায়ক মুকুল মিয়া, তার ভাই পলাশ, ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য রবিউল ইসলামসহ ১০ থেকে ১৩ জনের একটি দল ধারালো অস্ত্র নিয়ে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা প্রথমে সালাউদ্দিনকে আঘাত করে এবং পরে সাইফুল্লাহ বারিকে ধাওয়া করে বোনারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে কুপিয়ে জখম করে।

হামলার ওই দিনই চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাইফুল্লাহ বারী মারা যান। এছাড়া আহত সালাউদ্দিন ৪৮ দিন ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর ৮ আগস্ট মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। এই জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাইফুল্লাহর বাবা হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে ২২ জুন সাঘাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১৪ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার ৪ নম্বর আসামি হিসেবে রবিউল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে বন্দি রয়েছেন। হামলার পর অভিযুক্তরা মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাবার শেষযাত্রায় প্যারোলে মুক্তি পেলেন মৃত্যুর ঘটনা মামলার অভিযোগে

আপডেট সময় : ০৯:৩২:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় আলোচিত জোড়া হত্যাকাণ্ডের মামলায় কারাবন্দি রবিউল ইসলাম বাবার শেষযাত্রায় অংশ নেওয়ার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন। গত মঙ্গলবার গাইবান্ধা জেলা কারাগার থেকে পুলিশি পাহারায় তাকে সাঘাটার বোনারপাড়ায় নিয়ে আসা হয়। বাবার মৃত্যুর পর মানবিক দিক বিবেচনা করে আদালতের কাছে আবেদন করলে তাকে তিন থেকে চার ঘণ্টার জন্য এই বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়। জানাজা সম্পন্ন হওয়ার পর পুলিশি নিরাপত্তায় তাকে পুনরায় কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত রবিউল ইসলামের বাবা শাহ আলমের জানাজায় তার আত্মীয়স্বজন ও এলাকার মানুষ অংশ নেন। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর জেলা পুলিশ ও সাঘাটা থানা পুলিশের কড়া পাহারায় তাকে আবার জেলা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। এ সময় পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ২১ জুন বোনারপাড়া চৌমাথা এলাকায় ছাত্রশিবিরের ইউনিয়ন সভাপতি সাইফুল্লাহ বারি এবং কর্মী সালাউদ্দিনের ওপর অতর্কিতে হামলা চালানো হয়। উল্লেখ্য, গত ২১ জুন বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্র শিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ ও শিবির কর্মী সালাউদ্দিন উপজেলা সংলগ্ন বোনারপাড়া চৌমাথা এলাকায় অবস্থান করছিলেন।

এ ঘটনায় স্থানীয় যুবদল ও বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, যুবদলের ইউনিয়ন আহ্বায়ক মুকুল মিয়া, তার ভাই পলাশ, ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য রবিউল ইসলামসহ ১০ থেকে ১৩ জনের একটি দল ধারালো অস্ত্র নিয়ে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা প্রথমে সালাউদ্দিনকে আঘাত করে এবং পরে সাইফুল্লাহ বারিকে ধাওয়া করে বোনারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে কুপিয়ে জখম করে।

হামলার ওই দিনই চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাইফুল্লাহ বারী মারা যান। এছাড়া আহত সালাউদ্দিন ৪৮ দিন ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর ৮ আগস্ট মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। এই জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাইফুল্লাহর বাবা হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে ২২ জুন সাঘাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১৪ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার ৪ নম্বর আসামি হিসেবে রবিউল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে বন্দি রয়েছেন। হামলার পর অভিযুক্তরা মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।