ঢাকা ১০:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাপানে ভারী বৃষ্টিতে ৫ জনের মৃত্যু পরমাণু অস্ত্র ঠেকানো নয়, তেলের দাম কম রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য : জেডি ভ্যান্স ১০ কোটি ভিউ পার করলো ইমরান-পড়শীর ‘জনম জনম’ যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়ার আগে নতুন প্রতিরোধ হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার নিউজিল্যান্ডের গোয়েন্দা সংস্থার গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ : চীন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নয়, যুদ্ধে তেলের দাম কমানোই এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সেঞ্চুরি তানজিদের বেগম খালেদা জিয়া : গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা

নবীগঞ্জে দুই প্রভাবশালীর রোষানলে কয়েকটি নিরীহ পরিবার!

  • আপডেট সময় : ০২:২৯:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ মে ২০১৭
  • / 194
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নবীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নবীগঞ্জে দুই প্রভাবশালী লোকের রোষানলে পড়েছেন কয়েকটি পরিবার। তাদের অত্যাচার নির্যাতনে অতিষ্ট হয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছেন মোঃ আব্দুল মতলিব মিয়া নামের লোক।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রকাশ, উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের আউশকান্দি গ্রামের মৃত তোতা মিয়ার পুত্র ও তাদের লোকদের স্বত্ব ভুমি আউশকান্দি মৌজাস্থ ১ নং খতিয়ানের ৭৭১ দাগের ভুমিতে তারা বাড়িঘর নির্মাণ করে আসছেন মোঃ আব্দুল মতলিব গংদের লোকজন। ওই ভূমির দিকে কু-দৃষ্টি পড়ে একই উপজেলার  আউশকান্দি ইউনিয়নের বেতাপুর গ্রামের মৃত মনির উদ্দিনের পুত্র প্রভাবশালী দুই সহোদর বুলবুল আমীন ও সুহুল আমীনের।

তারা ঐক্যজোঠ হয়ে ফঁন্দি করতে থাকেন কিভাবে আব্দুল মতলিব গংদের এ স্থান থেকে উচ্ছেদ করা যায়। এমনকি ইতিপুর্বে ও আবদুল মতলিবের লোকদের সাথে বুলবুল আমীন ও সুহুল আমীনের ভাড়াটিয়া ফুরুক নামের লোক হামলার ঘটনায় মামলায় দু’বছরের সাজা প্রদান করে আদালত। কিন্তু আবদুল মতলিব গংদের পিছু ছাড়েননি দুই ভাই বুলবুল আমীন ও সুহুল আমীন।

ইদানিং তারা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠলে আব্দুল মতলিব মিয়া গংদের লোকজন প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেন। আরো জানা গেছে, হুমকি দাতা প্রভাবশালী বুলবুল আমীন ও সুহুল আমীন তারা উলুকান্দি মৌজাস্থ সরকার বাহাদুরের ১ নং খতিয়ানের ১,২,৩,৪ নং দাগের প্রায় ৫ একর  ভুমি প্রভাব খাটিয়ে দখল করে তাতে ব্রিক ফিল্ড গড়ে তোলেছেন। এবং পাকা দালান বাড়ি নির্মান করে সরকার বাহাদুরের রাজস্ব ক্ষতি সাধন করে আসছেন।

এ নিয়ে বিগত ২০০৭ সালের ৬ ই মার্চ  আবদুল মতলিব ও জুতি মিয়া মিলে জেলা প্রশাসক হবিগঞ্জ বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু তারা প্রভাবশালী হওয়ায় অবশেষে ওই অভিযোগ কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ইদানিং প্রভাবশালী দুই ভাই এলাকার কুখ্যাত লোকদের নিয়ে গড়ে তোলেছেন ত্রাসের রাজত্ব বলে এলাকায় প্রচার রয়েছে। এলাকার লোকজন মনে করেন দেশের সরকারের সুদৃষ্টিতে তারা পাবেন ন্যায্য বিচার।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নবীগঞ্জে দুই প্রভাবশালীর রোষানলে কয়েকটি নিরীহ পরিবার!

আপডেট সময় : ০২:২৯:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ মে ২০১৭

নবীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নবীগঞ্জে দুই প্রভাবশালী লোকের রোষানলে পড়েছেন কয়েকটি পরিবার। তাদের অত্যাচার নির্যাতনে অতিষ্ট হয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছেন মোঃ আব্দুল মতলিব মিয়া নামের লোক।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রকাশ, উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের আউশকান্দি গ্রামের মৃত তোতা মিয়ার পুত্র ও তাদের লোকদের স্বত্ব ভুমি আউশকান্দি মৌজাস্থ ১ নং খতিয়ানের ৭৭১ দাগের ভুমিতে তারা বাড়িঘর নির্মাণ করে আসছেন মোঃ আব্দুল মতলিব গংদের লোকজন। ওই ভূমির দিকে কু-দৃষ্টি পড়ে একই উপজেলার  আউশকান্দি ইউনিয়নের বেতাপুর গ্রামের মৃত মনির উদ্দিনের পুত্র প্রভাবশালী দুই সহোদর বুলবুল আমীন ও সুহুল আমীনের।

তারা ঐক্যজোঠ হয়ে ফঁন্দি করতে থাকেন কিভাবে আব্দুল মতলিব গংদের এ স্থান থেকে উচ্ছেদ করা যায়। এমনকি ইতিপুর্বে ও আবদুল মতলিবের লোকদের সাথে বুলবুল আমীন ও সুহুল আমীনের ভাড়াটিয়া ফুরুক নামের লোক হামলার ঘটনায় মামলায় দু’বছরের সাজা প্রদান করে আদালত। কিন্তু আবদুল মতলিব গংদের পিছু ছাড়েননি দুই ভাই বুলবুল আমীন ও সুহুল আমীন।

ইদানিং তারা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠলে আব্দুল মতলিব মিয়া গংদের লোকজন প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেন। আরো জানা গেছে, হুমকি দাতা প্রভাবশালী বুলবুল আমীন ও সুহুল আমীন তারা উলুকান্দি মৌজাস্থ সরকার বাহাদুরের ১ নং খতিয়ানের ১,২,৩,৪ নং দাগের প্রায় ৫ একর  ভুমি প্রভাব খাটিয়ে দখল করে তাতে ব্রিক ফিল্ড গড়ে তোলেছেন। এবং পাকা দালান বাড়ি নির্মান করে সরকার বাহাদুরের রাজস্ব ক্ষতি সাধন করে আসছেন।

এ নিয়ে বিগত ২০০৭ সালের ৬ ই মার্চ  আবদুল মতলিব ও জুতি মিয়া মিলে জেলা প্রশাসক হবিগঞ্জ বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু তারা প্রভাবশালী হওয়ায় অবশেষে ওই অভিযোগ কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ইদানিং প্রভাবশালী দুই ভাই এলাকার কুখ্যাত লোকদের নিয়ে গড়ে তোলেছেন ত্রাসের রাজত্ব বলে এলাকায় প্রচার রয়েছে। এলাকার লোকজন মনে করেন দেশের সরকারের সুদৃষ্টিতে তারা পাবেন ন্যায্য বিচার।