ঢাকা ০২:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিশু রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়: পুলিশ

  • আপডেট সময় : ০৪:২৬:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
  • / 93
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে হত্যার আগে ধর্ষণের কথা শিকার করেছে অভিযুক্ত সোহেল রানা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহেল এ কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আজ বুধবার বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক ওহিদুজ্জামান গণমাধ্যমকে এ কথা জানান।

তিনি বলেন, সোহেল ওই শিশুকে টয়লেটে নিয়ে প্রথমে ধর্ষণ করে। পরে তাকে গলা কেটে হত্যা করে বলে স্বীকার করেছে।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে পল্লবী সেকশন-১১ এলাকায় একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী রামিসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে পুলিশ। সোহেল আত্মগোপনে চলে গেলেও সন্ধ্যায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ দুই আসামিকে আজ আদালতে হাজির করেছে।

আদালত সূত্র জানায়, সোহেল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়েছে। তবে, অজ্ঞাত আসামি এখনো পলাতক।

এদিকে আজ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে শিশুটির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/এনআরএইচ
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

শিশু রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়: পুলিশ

আপডেট সময় : ০৪:২৬:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে হত্যার আগে ধর্ষণের কথা শিকার করেছে অভিযুক্ত সোহেল রানা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহেল এ কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আজ বুধবার বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক ওহিদুজ্জামান গণমাধ্যমকে এ কথা জানান।

তিনি বলেন, সোহেল ওই শিশুকে টয়লেটে নিয়ে প্রথমে ধর্ষণ করে। পরে তাকে গলা কেটে হত্যা করে বলে স্বীকার করেছে।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে পল্লবী সেকশন-১১ এলাকায় একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী রামিসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে পুলিশ। সোহেল আত্মগোপনে চলে গেলেও সন্ধ্যায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ দুই আসামিকে আজ আদালতে হাজির করেছে।

আদালত সূত্র জানায়, সোহেল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়েছে। তবে, অজ্ঞাত আসামি এখনো পলাতক।

এদিকে আজ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে শিশুটির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/এনআরএইচ
বিডিসংবাদ/এএইচএস