ঢাকা ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শাহজালালসহ তিন বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নতুন ট্রলি ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠে বাংলাদেশি পরিচয়ে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল বিশ্বকাপ: গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য বাংলাদেশের তিন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের এমডিদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল পেকুয়ায় নানাবাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১৮৫১ পাখির ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্ত এমিরেটস ফ্লাইট, দিল্লিতে ভোগান্তিতে যাত্রীরা ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগারওয়ালা গ্রেপ্তার ববি হাজ্জাজ |: প্রাথমিক শিক্ষার সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে বাংলাদেশ

একদিনে ইরাকের ব্রিটিশ-মার্কিন ঘাঁটিতে ২৮ বার হামলা চালায় ইরান

  • আপডেট সময় : ০১:০৬:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 27
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

ইরাকে অবস্থিত একটি যৌথ সামরিক ঘাঁটিতে ব্রিটিশ ও মার্কিন বাহিনীর কার্যক্রম এবং তাদের মধ্যকার সাম্প্রতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিবিসি। ওই ঘাঁটিতে অবস্থানরত ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্সের (আরএএফ) এক বিশেষজ্ঞ জানান, ইরান ও পশ্চিমা শক্তির সংঘাত চলাকালে এই ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ভয়াবহ হামলা চালানো হয়েছে। এক পর্যায়ে দৈনিক গড়ে ২৮টি পর্যন্ত ড্রোন ছোঁড়া হয়েছিল এই স্থাপনা লক্ষ্য করে।

যুদ্ধের সেই বিভীষিকা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, চারদিকে ধ্বংসাত্মক অস্ত্রের বিষ্ফোরণ শোনা এবং সেই পরিস্থিতির মোকাবিলা করা অত্যন্ত কঠিন একটি অভিজ্ঞতা।

দীর্ঘদিন ধরে এই ঘাঁটিতে দুই দেশের বাহিনী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়াই করে আসছে। তবে ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন এবং লন্ডনের কূটনৈতিক সম্পর্কে এক ধরনের শীতলতা লক্ষ্য করা গেছে। বৈশ্বিক রাজনীতিতে ট্রান্স-আটলান্টিক সম্পর্কের এই টানাপোড়েন স্পষ্ট হলেও রণক্ষেত্রে ব্রিটিশ ও মার্কিন সেনাদের মধ্যে এখনো গভীর সংহতি বিদ্যমান। ব্রিটিশ সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক মন্ত্রী আল কার্নস জানিয়েছেন, যুদ্ধের প্রতিকূলতার মধ্যেও উভয় দেশের সেনারা একে অপরকে সুরক্ষায় ও নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেছে। এই নিবিড় সমন্বয়কে তিনি একটি ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছেন, যদিও ব্রিটিশ বাহিনী সেখানে মূলত একটি প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এয়ার চিফ মার্শাল স্যার হার্ভে স্মিথ জানান, মার্কিন কমান্ডারের সাথে তার আলোচনায় ব্রিটিশ বাহিনীর প্রতি উচ্ছ্বসিত প্রশংসা শোনা গেছে। তার মতে, চলমান এই অপারেশন দুই দেশের সামরিক সম্পর্ককে ইতিহাসের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি শক্তিশালী করে তুলেছে। তবে মাঠপর্যায়ের এই ঐক্য সত্ত্বেও ওয়াশিংটন ও ওয়েস্টমিনিস্টারের উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ভাষা এবং কূটনৈতিক অবস্থানে ভিন্নতার রেশ রয়েই গেছে।
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

একদিনে ইরাকের ব্রিটিশ-মার্কিন ঘাঁটিতে ২৮ বার হামলা চালায় ইরান

আপডেট সময় : ০১:০৬:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

ইরাকে অবস্থিত একটি যৌথ সামরিক ঘাঁটিতে ব্রিটিশ ও মার্কিন বাহিনীর কার্যক্রম এবং তাদের মধ্যকার সাম্প্রতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিবিসি। ওই ঘাঁটিতে অবস্থানরত ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্সের (আরএএফ) এক বিশেষজ্ঞ জানান, ইরান ও পশ্চিমা শক্তির সংঘাত চলাকালে এই ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ভয়াবহ হামলা চালানো হয়েছে। এক পর্যায়ে দৈনিক গড়ে ২৮টি পর্যন্ত ড্রোন ছোঁড়া হয়েছিল এই স্থাপনা লক্ষ্য করে।

যুদ্ধের সেই বিভীষিকা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, চারদিকে ধ্বংসাত্মক অস্ত্রের বিষ্ফোরণ শোনা এবং সেই পরিস্থিতির মোকাবিলা করা অত্যন্ত কঠিন একটি অভিজ্ঞতা।

দীর্ঘদিন ধরে এই ঘাঁটিতে দুই দেশের বাহিনী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়াই করে আসছে। তবে ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন এবং লন্ডনের কূটনৈতিক সম্পর্কে এক ধরনের শীতলতা লক্ষ্য করা গেছে। বৈশ্বিক রাজনীতিতে ট্রান্স-আটলান্টিক সম্পর্কের এই টানাপোড়েন স্পষ্ট হলেও রণক্ষেত্রে ব্রিটিশ ও মার্কিন সেনাদের মধ্যে এখনো গভীর সংহতি বিদ্যমান। ব্রিটিশ সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক মন্ত্রী আল কার্নস জানিয়েছেন, যুদ্ধের প্রতিকূলতার মধ্যেও উভয় দেশের সেনারা একে অপরকে সুরক্ষায় ও নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেছে। এই নিবিড় সমন্বয়কে তিনি একটি ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছেন, যদিও ব্রিটিশ বাহিনী সেখানে মূলত একটি প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এয়ার চিফ মার্শাল স্যার হার্ভে স্মিথ জানান, মার্কিন কমান্ডারের সাথে তার আলোচনায় ব্রিটিশ বাহিনীর প্রতি উচ্ছ্বসিত প্রশংসা শোনা গেছে। তার মতে, চলমান এই অপারেশন দুই দেশের সামরিক সম্পর্ককে ইতিহাসের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি শক্তিশালী করে তুলেছে। তবে মাঠপর্যায়ের এই ঐক্য সত্ত্বেও ওয়াশিংটন ও ওয়েস্টমিনিস্টারের উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ভাষা এবং কূটনৈতিক অবস্থানে ভিন্নতার রেশ রয়েই গেছে।
বিডিসংবাদ/এএইচএস