ঢাকা ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

শিল্প-কারখানায় কাল থেকেই স্বাভাবিক হবে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ: প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট সময় : ০৬:২০:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 28
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান সংকট উত্তরণে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে। এই সংকট নিরসনে ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যা নাগাদ শিল্প-কারখানায় গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি দেড় মাস আগের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের মতবিনিময় সভায় তিনি এ আশ্বাস দেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই তিন ঘণ্টার দীর্ঘ আলোচনায় ব্যবসায়ী নেতা, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এবং সরকারের নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ‘বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পথরেখা’ বিষয়ক একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন।

বর্তমান জ্বালানি সংকটের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের একটিতে যান্ত্রিক দুর্ঘটনার কারণে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যাহত হয়েছিল। তবে ইতিমধ্যে সেই ত্রুটি মেরামত করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে ঘাটতি এড়াতে জিটুজি ভিত্তিতে আরও একটি তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে, যা ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সমস্যা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট করেন, এই সমস্যা এতটাই গভীর যে, ছয় মাস বা এক বছরের মধ্যে এর পূর্ণাঙ্গ সমাধান করা সম্ভব নয়। তবুও সরকার একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা ধরে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। তিনি বলেন, যেকোনো বড় প্রকল্পের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন সময়সাপেক্ষ। সরকার সমস্যাগুলো গোপন না করে বরং খোলাসা করেছে এবং তা সমাধানের জন্য সুনির্দিষ্ট রূপরেখা প্রণয়ন করেছে।

ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি না করে সরকারকে তাদের মেয়াদে নেওয়া পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ দেওয়া উচিত। শিল্প-কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার নেতিবাচক প্রভাব পুরো দেশের অর্থনীতির ওপর পড়ে। ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকলে বিভ্রান্তি ছড়ানোর সুযোগ থাকে না। তিনি মনে করেন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সফল করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের একটি কার্যকর দল হিসেবে কাজ করা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ সংকট দূর করতে পাঁচটি টার্মিনাল নির্মাণসহ দীর্ঘমেয়াদী কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘১৬ বছরের পুঞ্জীভূত সংকট দ্রুতই সমাধান সম্ভব নয়।’ মাহদী আমিন আরও যোগ করেন, সরকার বিদ্যুৎ খাতকে বৈচিত্র্যময় করতে চায়। তেল, গ্যাস ও কয়লার পাশাপাশি সৌরশক্তিকে (সোলার এনার্জি) সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, যাতে দেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে পারে।

সভায় উপস্থিত এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের রেশ ধরে বলেন, শিল্প-কারখানায় মঙ্গলবার রাত থেকে পরিস্থিতির উন্নতির বিষয়ে তারা আশ্বস্ত হয়েছেন। সরকারের দীর্ঘমেয়াদী রূপরেখা দেখে ব্যবসায়ীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন, যা বিনিয়োগ ও শিল্পের বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা। এদের মধ্যে ছিলেন বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ড্রাষ্ট্রিজের সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ প্রমুখ। এছাড়া মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের মধ্যে প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী এবং বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ড. আসাদুজ্জামান রিপন সভায় অংশ নেন।

উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরে তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে শিল্পোৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি গৃহস্থালি ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছিল। সরকারের এই নতুন উদ্যোগ ও আশ্বাসে ব্যবসায়ীদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শিল্প-কারখানায় গ্যাস সরবরাহ আগামীকালের (মঙ্গলবার) মধ্যে পূর্বের অবস্থার মতো ফিরবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনীতিও উপকৃত হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর প্রভাব পড়েছে শিল্পকারখানাসহ বিভিন্ন খাতে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর সমস্যা পর্যালোচনা করেছে, সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বসেছে এবং সেগুলো সমাধানে পরিকল্পনা তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সভায়, সরকার কোন কাজ কখন শেষ করতে চায়, তার একটি সম্ভাব্য সময়সীমাও ব্যবসায়ী নেতাদের সামনে তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সময় কিছুটা এদিক-সেদিক হতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফলে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান শুধু ব্যবসায়ীদের স্বার্থের বিষয় নয়; এটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির সঙ্গে সম্পর্কিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

শিল্প-কারখানায় কাল থেকেই স্বাভাবিক হবে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৬:২০:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান সংকট উত্তরণে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে। এই সংকট নিরসনে ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যা নাগাদ শিল্প-কারখানায় গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি দেড় মাস আগের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের মতবিনিময় সভায় তিনি এ আশ্বাস দেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই তিন ঘণ্টার দীর্ঘ আলোচনায় ব্যবসায়ী নেতা, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এবং সরকারের নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ‘বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পথরেখা’ বিষয়ক একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন।

বর্তমান জ্বালানি সংকটের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের একটিতে যান্ত্রিক দুর্ঘটনার কারণে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যাহত হয়েছিল। তবে ইতিমধ্যে সেই ত্রুটি মেরামত করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে ঘাটতি এড়াতে জিটুজি ভিত্তিতে আরও একটি তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে, যা ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সমস্যা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট করেন, এই সমস্যা এতটাই গভীর যে, ছয় মাস বা এক বছরের মধ্যে এর পূর্ণাঙ্গ সমাধান করা সম্ভব নয়। তবুও সরকার একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা ধরে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। তিনি বলেন, যেকোনো বড় প্রকল্পের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন সময়সাপেক্ষ। সরকার সমস্যাগুলো গোপন না করে বরং খোলাসা করেছে এবং তা সমাধানের জন্য সুনির্দিষ্ট রূপরেখা প্রণয়ন করেছে।

ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি না করে সরকারকে তাদের মেয়াদে নেওয়া পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ দেওয়া উচিত। শিল্প-কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার নেতিবাচক প্রভাব পুরো দেশের অর্থনীতির ওপর পড়ে। ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকলে বিভ্রান্তি ছড়ানোর সুযোগ থাকে না। তিনি মনে করেন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সফল করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের একটি কার্যকর দল হিসেবে কাজ করা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ সংকট দূর করতে পাঁচটি টার্মিনাল নির্মাণসহ দীর্ঘমেয়াদী কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘১৬ বছরের পুঞ্জীভূত সংকট দ্রুতই সমাধান সম্ভব নয়।’ মাহদী আমিন আরও যোগ করেন, সরকার বিদ্যুৎ খাতকে বৈচিত্র্যময় করতে চায়। তেল, গ্যাস ও কয়লার পাশাপাশি সৌরশক্তিকে (সোলার এনার্জি) সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, যাতে দেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে পারে।

সভায় উপস্থিত এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের রেশ ধরে বলেন, শিল্প-কারখানায় মঙ্গলবার রাত থেকে পরিস্থিতির উন্নতির বিষয়ে তারা আশ্বস্ত হয়েছেন। সরকারের দীর্ঘমেয়াদী রূপরেখা দেখে ব্যবসায়ীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন, যা বিনিয়োগ ও শিল্পের বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা। এদের মধ্যে ছিলেন বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ড্রাষ্ট্রিজের সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ প্রমুখ। এছাড়া মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের মধ্যে প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী এবং বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ড. আসাদুজ্জামান রিপন সভায় অংশ নেন।

উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরে তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে শিল্পোৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি গৃহস্থালি ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছিল। সরকারের এই নতুন উদ্যোগ ও আশ্বাসে ব্যবসায়ীদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শিল্প-কারখানায় গ্যাস সরবরাহ আগামীকালের (মঙ্গলবার) মধ্যে পূর্বের অবস্থার মতো ফিরবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনীতিও উপকৃত হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর প্রভাব পড়েছে শিল্পকারখানাসহ বিভিন্ন খাতে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর সমস্যা পর্যালোচনা করেছে, সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বসেছে এবং সেগুলো সমাধানে পরিকল্পনা তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সভায়, সরকার কোন কাজ কখন শেষ করতে চায়, তার একটি সম্ভাব্য সময়সীমাও ব্যবসায়ী নেতাদের সামনে তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সময় কিছুটা এদিক-সেদিক হতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফলে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান শুধু ব্যবসায়ীদের স্বার্থের বিষয় নয়; এটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির সঙ্গে সম্পর্কিত।