সৌদিতে কঠোর বিধিনিষেধ: ১০৩ ফ্লাইটে বিপাকে ১৫ হাজার যাত্রী
- আপডেট সময় : ০৩:২৯:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
- / 0
সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে চলমান পরিচালনাগত বিধিনিষেধের কারণে আকাশপথে যাত্রীদের চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ১০৩টি ফ্লাইটের কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে ১৫ হাজার ৭৭৯ জন যাত্রীর ওপর। বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে সৌদিগামী যাত্রীরা ব্যাপক অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রভাবিত হওয়া ১০৩টি ফ্লাইটের মধ্যে ৪২টি সরাসরি এবং ৬১টি ট্রানজিট ফ্লাইট রয়েছে। পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবগামী যাত্রীদের ভ্রমণ পরিকল্পনায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনাকারী এয়ারলাইনসগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১৭টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ৮টি এবং রিয়াদ এয়ারের ৭টি ফ্লাইটের সূচি ব্যাহত হয়েছে। অন্যদিকে ট্রানজিট ফ্লাইটের তালিকায় ইন্ডিগোর ২২টি ফ্লাইট, এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৮টি, সালামএয়ারের ৭টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৬টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৩টি এবং ইজিপ্টএয়ারের একটি ফ্লাইট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে শুধু গন্তব্যের যাত্রীই নয়, বিভিন্ন দেশের ট্রানজিট পয়েন্ট হয়ে চলাচলকারী যাত্রীরাও চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস রিয়াদ ও দাম্মাম রুটে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত সব ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করেছে। রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম আপাতত বন্ধ রয়েছে এবং দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও ফ্লাইট চলাচলে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। তবে মদিনার প্রিন্স মোহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক আছে এবং জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও উড়োজাহাজ উড্ডয়ন ও অবতরণ প্রক্রিয়া সচল রয়েছে। সেখানে বেশ কয়েকটি ফ্লাইট বাতিল ও স্থগিত করা হয়েছে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ কাউছার মাহমুদ যাত্রীদের উদ্দেশ্যে পরামর্শ দিয়েছেন যে, বিমানবন্দরে রওনা হওয়ার আগে নিজ নিজ এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ তথ্য নিশ্চিত করতে হবে। সৌদি আরবের বিমানবন্দরের বিধিনিষেধ যেকোনো সময় পরিবর্তন হতে পারে, যার ফলে ফ্লাইটের সময়সূচিতেও পরিবর্তন আসতে পারে। এই অস্থির পরিস্থিতিতে যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে নিয়মিত তথ্য যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থাগুলোর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এতে এসব গন্তব্যে যাতায়াতের পরিকল্পনা করা যাত্রীদের ভ্রমণসূচি পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে।






















