ঢাকা ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সৌদি রুটে ১৮০ ফ্লাইট বাতিল, বিপাকে ২৩ হাজার যাত্রী ভাঙ্গুড়ায় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সিরিজ ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৩ চরফ্যাশনে সারের সংকট, মিয়ানমারে পাচারের অভিযোগ কৃষকদের দেশের ২৯তম পররাষ্ট্র সচিব হলেন সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী টানা দুইবার গোল্ডেন বুট জিতে ইতিহাস গড়লেন লিওনেল মেসি শাহজালালে হারানো ব্যাগ উদ্ধার: ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদের তৎপরতায় উপকৃত যাত্রীরা প্রতিরক্ষা খাতে বড় বিনিয়োগের পথে সার্বিয়ার শিক্ষার্থী জোট জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির পঞ্চম বৈঠক অনুষ্ঠিত মধ্যবর্তী নির্বাচনে ধাক্কা খেয়ে ইরানের বিষয়ে দ্বিধায় ট্রাম্প

১১ হত্যায়ও নেই অনুশোচনা কিলার মাসুমের

  • আপডেট সময় : ১২:৪৬:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ মার্চ ২০১৭
  • / 272
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ট্রিপল মার্ডারসহ  ১১ হত্যা মামলার আসামি  মাসুম (৪৫)  ফের গ্রেফতার হয়েছে। কদমতলী থানা পুলিশ গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর এলাকা থেকে তাকে  গ্রেফতার করে।

কদমতলী থানার  ওসি কাজী ওয়াজেদ আলী বলেন, মাসুম পেশাদার কিলার। সে শ্যামপুরের বটতলা এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। এক সময় সে  এলাকায় জমির দালালির সঙ্গে জড়িত ছিল। ১৯৯৮ সালে এলাকার আধিপত্য নিয়ে শ্যামপুরের মেরাজনগরের  ‘ ডিস বাবু’কে হত্যা করে।  একই বছর হত্যা করে ওয়াসা এলাকার স্বপন ও মোহাম্মদবাগস্থ একটি  ক্লিনিকে ঢুকে কালু নামে  অপর এক যুববকে। পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালের শেষদিকে গ্রেফতার হয় মাসুম। আর আট বছর জেল খাটার পর ২০০৭ সালের শেষ দিকে জামিনে সে ছাড়া পায়। আবার শুরু করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। সর্বশেষ ২০১১ সালে শ্যামপুরের জিয়া সরণিতে হত্যা করে তার প্রতিপক্ষ গ্রুপের বাবু, জনী ও হাসানকে।

ওসি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাসুম জানিয়েছে, এক সময় সে শান্তিপ্রিয় ছিল। কিন্তু তার প্রথম স্ত্রীর এক ভাইয়ের কারণে সে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। প্রথম হত্যাকাণ্ডের পর তার খুনের নেশা পেয়ে বসে। এরপর একে একে নিজ হাতে ১১ জনকে হত্যা করে। এ নিয়ে তার কোনো অনুশোচনা নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

১১ হত্যায়ও নেই অনুশোচনা কিলার মাসুমের

আপডেট সময় : ১২:৪৬:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ মার্চ ২০১৭

ট্রিপল মার্ডারসহ  ১১ হত্যা মামলার আসামি  মাসুম (৪৫)  ফের গ্রেফতার হয়েছে। কদমতলী থানা পুলিশ গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর এলাকা থেকে তাকে  গ্রেফতার করে।

কদমতলী থানার  ওসি কাজী ওয়াজেদ আলী বলেন, মাসুম পেশাদার কিলার। সে শ্যামপুরের বটতলা এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। এক সময় সে  এলাকায় জমির দালালির সঙ্গে জড়িত ছিল। ১৯৯৮ সালে এলাকার আধিপত্য নিয়ে শ্যামপুরের মেরাজনগরের  ‘ ডিস বাবু’কে হত্যা করে।  একই বছর হত্যা করে ওয়াসা এলাকার স্বপন ও মোহাম্মদবাগস্থ একটি  ক্লিনিকে ঢুকে কালু নামে  অপর এক যুববকে। পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালের শেষদিকে গ্রেফতার হয় মাসুম। আর আট বছর জেল খাটার পর ২০০৭ সালের শেষ দিকে জামিনে সে ছাড়া পায়। আবার শুরু করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। সর্বশেষ ২০১১ সালে শ্যামপুরের জিয়া সরণিতে হত্যা করে তার প্রতিপক্ষ গ্রুপের বাবু, জনী ও হাসানকে।

ওসি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাসুম জানিয়েছে, এক সময় সে শান্তিপ্রিয় ছিল। কিন্তু তার প্রথম স্ত্রীর এক ভাইয়ের কারণে সে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। প্রথম হত্যাকাণ্ডের পর তার খুনের নেশা পেয়ে বসে। এরপর একে একে নিজ হাতে ১১ জনকে হত্যা করে। এ নিয়ে তার কোনো অনুশোচনা নেই।