ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিফাত হত্যা: স্বামীর ১০ বছর কারাদণ্ডাদেশ

  • আপডেট সময় : ১০:০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • / 277
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহীর গৃহবধূ এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগোযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ওয়াহিদা সিফাত হত্যা মামলায় তার স্বামী মো. আসিফকে ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে মামলার অন্য আসামিদের খালাস দেয়া হয়েছে।

আজ সোমবার ঢাকা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক সাঈদ আহম্মেদ এ রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারি আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ২৭ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ২৯ মার্চ সন্ধ্যায় রাজশাহীর মহিষবাথান এলাকায় অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন রমজানের বাড়িতে রহস্যজনক মৃত্যু হয় গৃহবধূ ওয়াহিদা সিফাতের। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। প্রথমে সিফাত আত্মহত্যা করেছে বলে তার শশুরবাড়ির লোকজন দাবি করলেও পরে দ্বিতীয় ময়নাতদন্তে হত্যাকাণ্ড প্রমাণিত হয়।

এ ঘটনায় মহানগরীর রাজপাড়া থানায় দায়ের করেন সিফাতের চাচা মিজানুর রহমান খন্দকার। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা করেন। মামলায়  সিফাতের স্বামী মো. আসিফসহ তিনজনকে আসামি করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সিফাত হত্যা: স্বামীর ১০ বছর কারাদণ্ডাদেশ

আপডেট সময় : ১০:০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

রাজশাহীর গৃহবধূ এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগোযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ওয়াহিদা সিফাত হত্যা মামলায় তার স্বামী মো. আসিফকে ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে মামলার অন্য আসামিদের খালাস দেয়া হয়েছে।

আজ সোমবার ঢাকা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক সাঈদ আহম্মেদ এ রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারি আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ২৭ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ২৯ মার্চ সন্ধ্যায় রাজশাহীর মহিষবাথান এলাকায় অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন রমজানের বাড়িতে রহস্যজনক মৃত্যু হয় গৃহবধূ ওয়াহিদা সিফাতের। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। প্রথমে সিফাত আত্মহত্যা করেছে বলে তার শশুরবাড়ির লোকজন দাবি করলেও পরে দ্বিতীয় ময়নাতদন্তে হত্যাকাণ্ড প্রমাণিত হয়।

এ ঘটনায় মহানগরীর রাজপাড়া থানায় দায়ের করেন সিফাতের চাচা মিজানুর রহমান খন্দকার। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা করেন। মামলায়  সিফাতের স্বামী মো. আসিফসহ তিনজনকে আসামি করা হয়।