ঢাকা ০২:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের অভিযোগ আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে: রাশেদ খাঁন

  • আপডেট সময় : ০৮:২১:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 24
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে আওয়ামী ঘরানার ব্যবসায়ী ও সাবেক সংসদ সদস্যদের সুরক্ষা এবং পুনর্বাসনের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তিনি এই বিস্ফোরক দাবি করেন। রাশেদের অভিযোগ, ক্ষমতার অপব্যবহার করে আসিফ মাহমুদ বড় অঙ্কের অর্থও হাতিয়ে নিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ওই পোস্টে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা ও ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের বিষয়টি তার জানা ছিল। এই অপকর্মের বিষয়ে তিনি সেই সময়েই আসিফ মাহমুদকে কয়েকবার সরাসরি সতর্ক করেছিলেন, কিন্তু আসিফ তার কথায় কোনো গুরুত্ব দেননি। রাশেদ আরও উল্লেখ করেন, ন্যাশনাল সিটিজেনস কমিটির (এনসিপি) নেতারাও বিষয়টি জানতেন। সে সময় আসিফের সঙ্গে সংগঠনের কোনো যোগাযোগ বা সম্পর্ক নেই বলে দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করত এনসিপি। এমনকি দুর্নীতি ও বিতর্কের দায় এড়াতে নাহিদ ইসলামও বারবার গণমাধ্যমে জানিয়েছিলেন যে, আসিফ ও আরেকজন ছাত্র উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির কোনো সম্পর্ক নেই।

আসিফ মাহমুদের তৎকালীন এপিএস মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন তথ্য আসার বিষয়টিও পোস্টে তুলে ধরেন রাশেদ। তিনি দাবি করেন, এই দুইজনের অনিয়মের বিষয়ে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্য এক উপদেষ্টাকে অবহিত করেছিলেন। সেই উপদেষ্টা রাশেদের তথ্যের উত্তরে অবাক হয়ে বলেছিলেন, সরকার থেকে যে বেতন পান তা দিয়ে জীবন চালানোই কঠিন, সেখানে তারা মানুষকে কীভাবে লাখ লাখ টাকা দেয়? বেতনের বাইরে এমন বিশাল অঙ্কের অর্থের উৎস নিয়ে তিনি নিজেও প্রশ্ন তুলেছিলেন।

নিজের দীর্ঘ পোস্টে রাশেদ খাঁন আরও বলেন, কেন নাহিদ ইসলাম বা আখতার হোসেনের মতো নেতারা আসিফের পাশে শক্তভাবে দাঁড়াচ্ছেন না, তার কারণ এসব তথ্য তাদের সবারই জানা। আসিফের এই কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি প্রবাদ টেনে লেখেন, চোরের মায়ের যেমন বড় গলা হয়, আসিফ মাহমুদের অবস্থাও ঠিক তেমনটি হয়েছে। দুর্নীতির এসব তথ্য জানা থাকার কারণেই দলের সিনিয়র নেতারা তার পাশে অবস্থান নিতে অস্বস্তিতে ভুগছেন বলেও তিনি ইঙ্গিত করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অন্তত একজন আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা ও ব্যবসায়ীকে সে পুনর্বাসন করেছে, সেটা আমি জানি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আওয়ামী সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের অভিযোগ আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে: রাশেদ খাঁন

আপডেট সময় : ০৮:২১:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে আওয়ামী ঘরানার ব্যবসায়ী ও সাবেক সংসদ সদস্যদের সুরক্ষা এবং পুনর্বাসনের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তিনি এই বিস্ফোরক দাবি করেন। রাশেদের অভিযোগ, ক্ষমতার অপব্যবহার করে আসিফ মাহমুদ বড় অঙ্কের অর্থও হাতিয়ে নিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ওই পোস্টে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা ও ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের বিষয়টি তার জানা ছিল। এই অপকর্মের বিষয়ে তিনি সেই সময়েই আসিফ মাহমুদকে কয়েকবার সরাসরি সতর্ক করেছিলেন, কিন্তু আসিফ তার কথায় কোনো গুরুত্ব দেননি। রাশেদ আরও উল্লেখ করেন, ন্যাশনাল সিটিজেনস কমিটির (এনসিপি) নেতারাও বিষয়টি জানতেন। সে সময় আসিফের সঙ্গে সংগঠনের কোনো যোগাযোগ বা সম্পর্ক নেই বলে দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করত এনসিপি। এমনকি দুর্নীতি ও বিতর্কের দায় এড়াতে নাহিদ ইসলামও বারবার গণমাধ্যমে জানিয়েছিলেন যে, আসিফ ও আরেকজন ছাত্র উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির কোনো সম্পর্ক নেই।

আসিফ মাহমুদের তৎকালীন এপিএস মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন তথ্য আসার বিষয়টিও পোস্টে তুলে ধরেন রাশেদ। তিনি দাবি করেন, এই দুইজনের অনিয়মের বিষয়ে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্য এক উপদেষ্টাকে অবহিত করেছিলেন। সেই উপদেষ্টা রাশেদের তথ্যের উত্তরে অবাক হয়ে বলেছিলেন, সরকার থেকে যে বেতন পান তা দিয়ে জীবন চালানোই কঠিন, সেখানে তারা মানুষকে কীভাবে লাখ লাখ টাকা দেয়? বেতনের বাইরে এমন বিশাল অঙ্কের অর্থের উৎস নিয়ে তিনি নিজেও প্রশ্ন তুলেছিলেন।

নিজের দীর্ঘ পোস্টে রাশেদ খাঁন আরও বলেন, কেন নাহিদ ইসলাম বা আখতার হোসেনের মতো নেতারা আসিফের পাশে শক্তভাবে দাঁড়াচ্ছেন না, তার কারণ এসব তথ্য তাদের সবারই জানা। আসিফের এই কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি প্রবাদ টেনে লেখেন, চোরের মায়ের যেমন বড় গলা হয়, আসিফ মাহমুদের অবস্থাও ঠিক তেমনটি হয়েছে। দুর্নীতির এসব তথ্য জানা থাকার কারণেই দলের সিনিয়র নেতারা তার পাশে অবস্থান নিতে অস্বস্তিতে ভুগছেন বলেও তিনি ইঙ্গিত করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অন্তত একজন আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা ও ব্যবসায়ীকে সে পুনর্বাসন করেছে, সেটা আমি জানি।