ঢাকা ১০:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান

ইবোলা আতঙ্কে তিন দেশের যাত্রী প্রবেশ বন্ধ করল আমিরাত

  • আপডেট সময় : ০১:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • / 27
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে আফ্রিকার তিনটি দেশ থেকে যাত্রী প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আগাম সতর্কতা হিসেবে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে আজ ৬ জুন থেকে।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা, দক্ষিণ সুদান। এসব দেশ থেকে আগত পর্যটক ও যাত্রীদের প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাস্থ্য ও প্রতিরোধ মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানায়, এই নিষেধাজ্ঞা শুধু সরাসরি ফ্লাইটে আসা যাত্রীদের জন্য নয়, অন্য দেশের মাধ্যমে ট্রানজিট নিয়েও যারা প্রবেশের চেষ্টা করবেন, তাদের ক্ষেত্রেও একইভাবে প্রযোজ্য হবে।

ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ক্রাইসিস অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি এবং ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্ট সিকিউরিটি যৌথভাবে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২১ দিনের একটি কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট তিনটি দেশ ভ্রমণ করা বা সেসব দেশের ওপর দিয়ে যাতায়াত করা কেউ আমিরাতে প্রবেশ করতে চাইলে তাকে অন্তত ২১ দিন ওই দেশগুলোর বাইরে অবস্থান করতে হবে। এই সময়সীমা ইবোলা ভাইরাসের সুপ্তিকাল বিবেচনায় নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে যাত্রী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ট্রানজিট ফ্লাইট এবং কার্গো পরিবহন চালু থাকবে। যেসব যাত্রী আমিরাতে না নেমে অন্য দেশে যাবেন, তাদের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য হবে না। একইভাবে জরুরি পণ্য পরিবহনও অব্যাহত থাকবে, তবে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মানতে হবে।

বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যঝুঁকির প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমিরাতের বিমানবন্দরগুলোতে স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ জোরদার করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে উচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে।

সূত্র: মিডলইস্ট অনলাইন
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ইবোলা আতঙ্কে তিন দেশের যাত্রী প্রবেশ বন্ধ করল আমিরাত

আপডেট সময় : ০১:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে আফ্রিকার তিনটি দেশ থেকে যাত্রী প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আগাম সতর্কতা হিসেবে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে আজ ৬ জুন থেকে।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা, দক্ষিণ সুদান। এসব দেশ থেকে আগত পর্যটক ও যাত্রীদের প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাস্থ্য ও প্রতিরোধ মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানায়, এই নিষেধাজ্ঞা শুধু সরাসরি ফ্লাইটে আসা যাত্রীদের জন্য নয়, অন্য দেশের মাধ্যমে ট্রানজিট নিয়েও যারা প্রবেশের চেষ্টা করবেন, তাদের ক্ষেত্রেও একইভাবে প্রযোজ্য হবে।

ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ক্রাইসিস অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি এবং ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্ট সিকিউরিটি যৌথভাবে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২১ দিনের একটি কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট তিনটি দেশ ভ্রমণ করা বা সেসব দেশের ওপর দিয়ে যাতায়াত করা কেউ আমিরাতে প্রবেশ করতে চাইলে তাকে অন্তত ২১ দিন ওই দেশগুলোর বাইরে অবস্থান করতে হবে। এই সময়সীমা ইবোলা ভাইরাসের সুপ্তিকাল বিবেচনায় নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে যাত্রী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ট্রানজিট ফ্লাইট এবং কার্গো পরিবহন চালু থাকবে। যেসব যাত্রী আমিরাতে না নেমে অন্য দেশে যাবেন, তাদের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য হবে না। একইভাবে জরুরি পণ্য পরিবহনও অব্যাহত থাকবে, তবে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মানতে হবে।

বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যঝুঁকির প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমিরাতের বিমানবন্দরগুলোতে স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ জোরদার করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে উচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে।

সূত্র: মিডলইস্ট অনলাইন
বিডিসংবাদ/এএইচএস