ঢাকা ০১:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জীবনযাত্রার ব্যয় ও শিক্ষাসংকট নিয়ে ফের বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স ইরানের নতুন লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা গাজীপুরে পোশাক শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ: মোতায়েন ৫ প্লাটুন বিজিবি যুবসমাজই দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ: রাষ্ট্রপতি রাজধানীর বনানী থেকে গ্রেপ্তার অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজ ডব্লিউটিসি ফাইনাল খেলতে বাংলাদেশের সামনে কঠিন সমীকরণ ইসরায়েলে ক্ষমতা ভাগাভাগির গুঞ্জনে তোলপাড়, নাকচ করল রাষ্ট্রপতির কার্যালয় তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী রূপপুরে পৌঁছাল রাশিয়ার ইউরেনিয়ামের চতুর্থ চালান নতুন পে-স্কেল ও উৎসব ভাতার দাবিতে সিলেটে শিক্ষকদের বিক্ষোভ

ইরানের নতুন লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা

  • আপডেট সময় : ১২:৩১:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • / 2
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইরানের ভূখণ্ডে নতুন করে কোনো আগ্রাসন চালানোর চেষ্টা করা হলে এবার আগের চেয়েও ভয়াবহ ও কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আলি আবদোল্লাহি জানিয়েছেন, তাদের সামরিক পরিকল্পনায় শত্রুপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সম্পদের একটি ‘নতুন তালিকা’ তৈরি করা হয়েছে। এই তালিকাটি কেবল নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং বিস্তৃত অঞ্চলজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু এর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনি যেকোনো হুমকির মুখে ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা ছাড়াই তাৎক্ষণিক ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

জেনারেল আবদোল্লাহি জানান, সর্বোচ্চ নেতার এই নির্দেশনা সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডারদের জন্য একটি সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে। তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, যেকোনো মাত্রার আগ্রাসন মোকাবিলায় শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে প্রস্তুত দেশটির সশস্ত্র বাহিনী। পাশাপাশি আধুনিক উন্নত প্রযুক্তি ও অস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে যে কোনো সীমারেখার ঊর্ধ্বে উঠে জবাব দেওয়ার সক্ষমতাও রয়েছে তাদের। যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুদের মোকাবিলায় নতুন চমক দেখানো হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

মার্কিন-জায়নবাদী শত্রুদের উদ্দেশ্য করে জেনারেল আবদোল্লাহি বলেন, যদি ইরান বা দেশটির জনগণের ওপর পুনরায় কোনো আগ্রাসন চালানো হয়, তবে তার জবাব হবে অকল্পনীয় এবং নতুন কৌশলে সাজানো। যুদ্ধের সমাপ্তি কখন ঘটবে, তা এখন থেকে ইরানই নির্ধারণ করবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, শত্রুদের পরাজিত করার পরই কেবল যুদ্ধের সমাপ্তি টানা হবে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া আগ্রাসনের জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায় এবং কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। ভবিষ্যতে নতুন কোনো হামলা হলে সামরিক ঘাঁটির বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের ডেটা সেন্টার, সাবমেরিন যোগাযোগের কেবল এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই অবকাঠামো ইরানের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় থাকবে বলে কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের নতুন লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা

আপডেট সময় : ১২:৩১:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

ইরানের ভূখণ্ডে নতুন করে কোনো আগ্রাসন চালানোর চেষ্টা করা হলে এবার আগের চেয়েও ভয়াবহ ও কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আলি আবদোল্লাহি জানিয়েছেন, তাদের সামরিক পরিকল্পনায় শত্রুপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সম্পদের একটি ‘নতুন তালিকা’ তৈরি করা হয়েছে। এই তালিকাটি কেবল নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং বিস্তৃত অঞ্চলজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু এর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনি যেকোনো হুমকির মুখে ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা ছাড়াই তাৎক্ষণিক ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

জেনারেল আবদোল্লাহি জানান, সর্বোচ্চ নেতার এই নির্দেশনা সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডারদের জন্য একটি সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে। তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, যেকোনো মাত্রার আগ্রাসন মোকাবিলায় শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে প্রস্তুত দেশটির সশস্ত্র বাহিনী। পাশাপাশি আধুনিক উন্নত প্রযুক্তি ও অস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে যে কোনো সীমারেখার ঊর্ধ্বে উঠে জবাব দেওয়ার সক্ষমতাও রয়েছে তাদের। যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুদের মোকাবিলায় নতুন চমক দেখানো হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

মার্কিন-জায়নবাদী শত্রুদের উদ্দেশ্য করে জেনারেল আবদোল্লাহি বলেন, যদি ইরান বা দেশটির জনগণের ওপর পুনরায় কোনো আগ্রাসন চালানো হয়, তবে তার জবাব হবে অকল্পনীয় এবং নতুন কৌশলে সাজানো। যুদ্ধের সমাপ্তি কখন ঘটবে, তা এখন থেকে ইরানই নির্ধারণ করবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, শত্রুদের পরাজিত করার পরই কেবল যুদ্ধের সমাপ্তি টানা হবে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া আগ্রাসনের জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায় এবং কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। ভবিষ্যতে নতুন কোনো হামলা হলে সামরিক ঘাঁটির বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের ডেটা সেন্টার, সাবমেরিন যোগাযোগের কেবল এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই অবকাঠামো ইরানের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় থাকবে বলে কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন।