ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র
- আপডেট সময় : ০৮:৫৫:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 2
ইরান ইস্যুতে সৃষ্ট আঞ্চলিক উত্তেজনাকর পরিস্থিতি এবং পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে গত সপ্তাহে জার্মানিতে এক গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং বেশ কয়েকটি আরব দেশের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস ইসরায়েলি দুই কর্মকর্তার বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে ইরান-বিরোধী যুদ্ধের ছয় মাস পর এটিই এ ধরনের প্রথম উচ্চপর্যায়ের কোনো বৈঠক, যেখানে সরাসরি আলোচনার বিরল সুযোগ তৈরি হয়েছে।
বৈঠকে মার্কিন সেন্টকমের এডমিরাল ব্র্যাড কুপারের পাশাপাশি ইসরায়েল, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত, কাতার, জর্ডান এবং মিশরের সামরিক প্রধানরা যোগ দিয়েছেন। মার্কিন সেন্টকম এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সভায় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) চিফ অব স্টাফ জেনারেল ইয়াল জামির বিভিন্ন ফ্রন্টে আইডিএফ-এর বর্তমান সামরিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন।
উল্লেখ্য যে, লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে হুথি বিদ্রোহীদের আক্রমণ ও সৌদি আরবের ওপর হামলার তীব্রতা বৃদ্ধির মধ্যেই এই গোপন বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হলো। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আব্রাহাম চুক্তি সই হওয়ার পর থেকেই ইসরায়েল ও আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতার পরিধি ক্রমাগত বাড়ছে। বর্তমানে এই দেশগুলোর মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান ও নজরদারি কার্যক্রমের সমন্বয় চলছে।
সূত্র মারফত জানা গেছে, সেন্টকমের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও সৌদি আরবের মধ্যে বিশেষ আলোচনা চলছে। এর মূল লক্ষ্য হলো সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো সৌদি আরবকেও কীভাবে হুতি বিরোধী সামরিক অভিযানে ইসরায়েলি গোয়েন্দা ও নজরদারি সহায়তা দেওয়া যায়, তা নির্ধারণ করা। ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মতে, এই দেশগুলোকে প্রয়োজনীয় রিয়েল-টাইম গোয়েন্দা সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এর আগে যেসব আরব দেশের সঙ্গে ইসরায়েলের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই, তাদের সামরিক প্রধানদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার এই সুযোগ ভূ-রাজনৈতিক দিক থেকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ৬ মাস আগে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়ানোর পর এটিই এ ধরনের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে আব্রাহাম চুক্তি সই হওয়ার পর থেকে ইসরায়েল ও অঞ্চলের অন্যান্য দেশের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বাড়তে থাকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে বৈঠকের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও দেশের পক্ষ থেকেই ঘোষণা দেওয়া হয়নি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ইরানের হামলা হওয়ার পরও পশ্চিম এশিয়া থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার করা হবে না বলে বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের আশ্বস্ত করেন কুপার। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল বাড়ানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা করেন তিনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: চুক্তির পর ইসরায়েলকে মার্কিন ইউরোপীয় কমান্ডের (ইউএসইউকম) আওতা থেকে সরিয়ে সেন্টকমের অধীনে আনা হয়।























