প্রথমবার মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র
- আপডেট সময় : ১০:২০:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 4
প্রথমবারের মতো মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মেরিল্যান্ডে আয়োজিত ‘এয়ার অ্যান্ড স্পেস সাইবার কনফারেন্স’-এ দেশটির বিমানবাহিনীর সেক্রেটারি ট্রয় মেইঙ্ক জানান, ‘অন-অরবিট স্পেস কন্ট্রোল উইপন’ বা কক্ষপথে মোতায়েনযোগ্য মহাকাশ নিয়ন্ত্রণ অস্ত্র তৈরি করা হয়েছে। এই অস্ত্রের মূল লক্ষ্য হলো, শত্রুপক্ষের হামলা থেকে মার্কিন যৌথ বাহিনীকে সুরক্ষিত রাখা। তবে গোপনীয়তার স্বার্থে মেইঙ্ক এই অস্ত্রের ধরন কিংবা কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি। ওয়াশিংটনের এমন উদ্যোগের বিপরীতে রাশিয়া ও চীন কঠোর নিন্দা জানিয়েছে।
মহাকাশ প্রযুক্তির সুরক্ষা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ দীর্ঘদিনের, বিশেষ করে দেশটির অধিকাংশ অবকাঠামো ও যোগাযোগব্যবস্থা স্যাটেলাইটের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এ নিয়ে সতর্কতা আরও বেড়েছে। এর আগে ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করেছিল যে, রাশিয়া মহাকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য নতুন ধরনের এন্টি-স্যাটেলাইট অস্ত্র উদ্ভাবন করছে। যদিও সেই সময় হোয়াইট হাউস দাবি করেছিল, রাশিয়ার ওই অস্ত্রের কারণে তাৎক্ষণিক কোনো বড় বিপদ নেই। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প মহাকাশ গবেষণায় নতুন মাত্রা যোগ করতে ‘স্পেস ফোর্স’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
সম্মেলনে বিমানবাহিনীর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও কথা বলেন ট্রয় মেইঙ্ক। তিনি জানান, বাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিতভাবে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি যুক্ত করা হচ্ছে। মেইঙ্কের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩২ সালের মধ্যে মার্কিন বিমানবাহিনীর কাঠামো সম্পূর্ণ বদলে যাবে। সে সময় যুদ্ধক্ষেত্রে কামানের বিকল্প হিসেবে একমুখী হামলা চালাতে সক্ষম ড্রোন ‘প্রধান হত্যাকারী অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহৃত হবে। বিদ্যমান বৈশ্বিক হুমকির মোকাবিলায় প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার পূর্বাভাস, ২০৩২ সালের মধ্যে মার্কিন বিমানবাহিনীর চেহারা ‘নাটকীয়ভাবে ভিন্ন’ হয়ে যাবে।























