ঢাকা ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাপানে ভারী বৃষ্টিতে ৫ জনের মৃত্যু পরমাণু অস্ত্র ঠেকানো নয়, তেলের দাম কম রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য : জেডি ভ্যান্স ১০ কোটি ভিউ পার করলো ইমরান-পড়শীর ‘জনম জনম’ যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়ার আগে নতুন প্রতিরোধ হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার নিউজিল্যান্ডের গোয়েন্দা সংস্থার গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ : চীন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নয়, যুদ্ধে তেলের দাম কমানোই এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সেঞ্চুরি তানজিদের বেগম খালেদা জিয়া : গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা

ইসরাইলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও সেতু চালু করল লেবাননের সেনাবাহিনী

  • আপডেট সময় : ০৭:১৯:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 38
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরাইলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি সড়ক ও সেতু পুনরায় চালু করেছে লেবাননের সেনাবাহিনী।

এ সময় হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি বহাল রয়েছে।

সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, নবাতিয়েহ শহরকে খারদালি এলাকার সঙ্গে সংযোগকারী সড়কটি ‘পুনরায় চালু’ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বুর্জ রাহাল-টাইর সেতুটি ‘আংশিকভাবে চালু’ করা হয়েছে।
বৈরুত থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘ইসরাইল আগ্রাসনে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর তাইর ফালসাই-টাইর সেতুর পুনর্বাসন কাজও চলছে।’

লেবাননের লিতানি নদীর ওপর নির্মিত সেতুগুলোতে ইসরাইলি হামলার ফলে নদীর দক্ষিণাঞ্চল কার্যত দেশের বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল।

সেনাবাহিনীর তথ্যে এ কথা জানানো হয়। নদীটি ইসরাইল সীমান্ত থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার উত্তরে প্রবাহিত।

শুক্রবার ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হয়। কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো সরাসরি আলোচনার পর, এই সমঝোতা হয়। এতে কয়েক সপ্তাহের লড়াইয়ে সাময়িক বিরতি আসে।

এই সংঘাতে প্রায় ২ হাজার ৩০০ মানুষ নিহত এবং ১০ লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে, লেবাননের সেনাবাহিনী ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ইসরাইলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বন্ধ থাকা সড়কগুলো পুনরায় চালুর কাজ করছে।

শুক্রবার সকালে গুরুত্বপূর্ণ কাসমিয়েহ সেতুও চালু করা হয়। এতে দক্ষিণ লেবানন থেকে বাস্তুচ্যুত অসংখ্য মানুষ নিজেদের এলাকায় ফিরে গিয়ে সম্পদের খোঁজ নিতে পারছেন।

তবে যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব অনিশ্চিত থাকায় অনেক বাসিন্দা এখনও ফিরে যেতে দ্বিধায় রয়েছেন।

শনিবার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর সাইদনে এএফপি’র এক প্রতিবেদক দেখেছেন, দক্ষিণ থেকে আসা বাস্তুচ্যুত মানুষরা সংক্ষিপ্ত সফর শেষে বৈরুতে তাদের অস্থায়ী আশ্রয়ে ফিরে যাচ্ছেন। এতে রাজধানীমুখী যানবাহনের চাপ বাড়তে দেখা যায়।

এর আগে, ওই দিন হিজবুল্লাহর কর্মকর্তা মাহমুদ কামাতি সতর্ক করে বলেন, ‘ইসরাইলি বিশ্বাসঘাতকতা যে কোনো সময় ঘটতে পারে। এটি একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি।’

তিনি আরও বলেন, ‘একটু স্বস্তি নিন, কিছুটা বিশ্রাম নিন। তবে পুরোপুরি নিরাপদ হয়ে ফেরার বিষয়ে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত, আশ্রয়স্থল ত্যাগ করবেন না।’

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি বাহিনী হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে।

এ ছাড়া ইসরাইলি সেনাবাহিনী শনিবার জানায়, তারা একটি ‘ইয়েলো লাইন’ নির্ধারণ করেছে।

গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি বাহিনী ও হামাস নিয়ন্ত্রিত এলাকার মধ্যে যে সীমারেখা রয়েছে, তার মতোই এই লাইন নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ইসরাইলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও সেতু চালু করল লেবাননের সেনাবাহিনী

আপডেট সময় : ০৭:১৯:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরাইলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি সড়ক ও সেতু পুনরায় চালু করেছে লেবাননের সেনাবাহিনী।

এ সময় হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি বহাল রয়েছে।

সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, নবাতিয়েহ শহরকে খারদালি এলাকার সঙ্গে সংযোগকারী সড়কটি ‘পুনরায় চালু’ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বুর্জ রাহাল-টাইর সেতুটি ‘আংশিকভাবে চালু’ করা হয়েছে।
বৈরুত থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘ইসরাইল আগ্রাসনে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর তাইর ফালসাই-টাইর সেতুর পুনর্বাসন কাজও চলছে।’

লেবাননের লিতানি নদীর ওপর নির্মিত সেতুগুলোতে ইসরাইলি হামলার ফলে নদীর দক্ষিণাঞ্চল কার্যত দেশের বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল।

সেনাবাহিনীর তথ্যে এ কথা জানানো হয়। নদীটি ইসরাইল সীমান্ত থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার উত্তরে প্রবাহিত।

শুক্রবার ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হয়। কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো সরাসরি আলোচনার পর, এই সমঝোতা হয়। এতে কয়েক সপ্তাহের লড়াইয়ে সাময়িক বিরতি আসে।

এই সংঘাতে প্রায় ২ হাজার ৩০০ মানুষ নিহত এবং ১০ লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে, লেবাননের সেনাবাহিনী ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ইসরাইলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বন্ধ থাকা সড়কগুলো পুনরায় চালুর কাজ করছে।

শুক্রবার সকালে গুরুত্বপূর্ণ কাসমিয়েহ সেতুও চালু করা হয়। এতে দক্ষিণ লেবানন থেকে বাস্তুচ্যুত অসংখ্য মানুষ নিজেদের এলাকায় ফিরে গিয়ে সম্পদের খোঁজ নিতে পারছেন।

তবে যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব অনিশ্চিত থাকায় অনেক বাসিন্দা এখনও ফিরে যেতে দ্বিধায় রয়েছেন।

শনিবার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর সাইদনে এএফপি’র এক প্রতিবেদক দেখেছেন, দক্ষিণ থেকে আসা বাস্তুচ্যুত মানুষরা সংক্ষিপ্ত সফর শেষে বৈরুতে তাদের অস্থায়ী আশ্রয়ে ফিরে যাচ্ছেন। এতে রাজধানীমুখী যানবাহনের চাপ বাড়তে দেখা যায়।

এর আগে, ওই দিন হিজবুল্লাহর কর্মকর্তা মাহমুদ কামাতি সতর্ক করে বলেন, ‘ইসরাইলি বিশ্বাসঘাতকতা যে কোনো সময় ঘটতে পারে। এটি একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি।’

তিনি আরও বলেন, ‘একটু স্বস্তি নিন, কিছুটা বিশ্রাম নিন। তবে পুরোপুরি নিরাপদ হয়ে ফেরার বিষয়ে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত, আশ্রয়স্থল ত্যাগ করবেন না।’

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি বাহিনী হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে।

এ ছাড়া ইসরাইলি সেনাবাহিনী শনিবার জানায়, তারা একটি ‘ইয়েলো লাইন’ নির্ধারণ করেছে।

গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি বাহিনী ও হামাস নিয়ন্ত্রিত এলাকার মধ্যে যে সীমারেখা রয়েছে, তার মতোই এই লাইন নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিডিসংবাদ/এএইচএস