ঢাকা ০৭:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের পাশে সরকার: প্রধানমন্ত্রী পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা পরিদর্শনে আনসার মহাপরিচালক নিরাপত্তাজনিত কারণে রিয়াদগামী সব ফ্লাইট স্থগিত করল বিমান কোডশেয়ার চুক্তিতে যুক্ত হচ্ছে থাই ও লট পোলিশ এয়ারওয়েজ শূন্যে ভাসবে টেসলার নতুন রোডস্টার, চমক দিলেন ইলন মাস্ক আড়াইহাজারে অস্ত্র ঠেকিয়ে মোটরসাইকেল ও টাকা সম্পদ সংক্রান্ত ঘটনায় ইনানীতে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: নিহতদের মধ্যে ৬ জন একই পরিবারের ভোলায় নানাবাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু বহরে নতুন বোয়িং ৭৭৭ যুক্ত করল এয়ার চায়না কার্গো লাইসেন্সহীন টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও কার্যক্রম চালু

ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশ মেরামত হচ্ছে ‘থ্রি আর’ কৌশলে: প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট সময় : ১১:২৯:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 21
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন ও শোষণে বাংলাদেশ ক্ষতবিক্ষত হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জানিয়েছেন, এই ক্ষতবিক্ষত দেশকে মেরামতের লক্ষ্য নিয়ে বর্তমান সরকার ‘থ্রি আর’ কৌশল গ্রহণ করেছে এবং তা বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে। বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ভোর ৪টার দিকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সামনে বর্তমানে এক অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত। এই কর্মযজ্ঞে নিজের উন্নয়ন সহযোগীদের পাশে পেতে চায় বাংলাদেশ।

ফ্যাসিবাদ থেকে উত্তরণ ও ‘থ্রি আর’ কৌশল

তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের দমন-পীড়ন ও ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হওয়া গুম, খুন, অপহরণ, দুর্নীতি, লুটপাট এবং ব্যাপক অর্থ পাচারের মতো অভিশাপ থেকে জাতি মুক্ত হয়েছে এবং দেশটি আবারও গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য সরকার ‘থ্রি আর’ কৌশল অনুসরণ করছে, যার পূর্ণরূপ হলো—রিকভারি (পুনরুদ্ধার), রস্টোরেশন (পুনঃস্থাপন) ও রিকনস্ট্রাকশন (পুনর্গঠন)।

অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন ও তরুণ সম্ভাবনা

প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, সরকার শুধু ভোটের গণতন্ত্রে বিশ্বাসী নয়, বরং অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ন নিশ্চিত করতে চায়। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সমৃদ্ধির সুফল প্রতিটি পরিবার ও নাগরিকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য। এই লক্ষ্য পূরণে তরুণ উদ্যোক্তা, গবেষক ও উদ্ভাবকদের জন্য বিশেষ স্টার্টআপ উদ্যোগ বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরিতে চলতি অর্থবছরে সরকার ৪ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রেখেছে। ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুবিধা কাজে লাগিয়ে দেশের কর্মক্ষম জনশক্তিকে দক্ষ মানব সম্পদে রূপান্তর করতে সরকার ব্যাপক কর্মযজ্ঞ শুরু করেছে। নৈতিক মানসম্পন্ন কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে, কারিগরি এবং ব্যবহারিক শিক্ষার উপর জোর দিয়ে শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে এর সুযোগ এখনো সবার জন্য সমান নয়।

নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক সুরক্ষা

তারেক রহমান দেশের জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি নারী উল্লেখ করে বলেন, দেশের আর্থ-সামাজিক রূপান্তরে নারীরা সরকারের পরিকল্পনার কেন্দ্রে রয়েছেন। নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে নারীদের নগদ অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এছাড়া স্নাতক শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা অবৈতনিক করা হয়েছে। প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানের নামে ইস্যু করা ‘ফ্যামিলি কার্ড’-কে তিনি নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন। ভবিষ্যতে বিভিন্ন সহায়তার কার্ডগুলোকে সমন্বয় করে একটি ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।

৩১ দফা ও জাতীয় উন্নয়ন লক্ষ্য

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া ৩১ দফা কর্মসূচি বর্তমান সরকার ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়ন করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে শহর ও গ্রামের মধ্যে বিদ্যমান উন্নয়ন বৈষম্য দূর হবে এবং এসডিজির ‘লিভ নো ওয়ান বিহাইন্ড’ প্রতিপাদ্যসহ ২০৩০ এজেন্ডার লক্ষ্যগুলো অর্জন সম্ভব হবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়াক্ষেত্রে দেশের ইতিহাসে এবার সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান। জাতিসংঘ ঘোষিত এসডিজির ‘লিভ নো ওয়ান বিহাইন্ড’— এই প্রতিপাদ্যের সঙ্গে বর্তমান সরকারের ৩১ দফা কর্মসূচির কমপক্ষে ৭৩ শতাংশ কার্যক্রমের সরাসরি এবং ২৭ শতাংশ কার্যক্রমের পরোক্ষভাবে মিল রয়েছে। একইসঙ্গে ২০৩০ এজেন্ডার সব ক্ষেত্রে, জবাবদিহিতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

প্রযুক্তি ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব

আগামী বিশ্বের ভবিষ্যৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ উদ্ভাবন ও মেধাস্বত্বকে সম্মান করে। ডিজিটাল বিভাজন যেন আগামী দিনে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিভাজনে পরিণত না হয়, সে বিষয়ে তিনি সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য প্রযুক্তি হস্তান্তর ও দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। পরিশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব নাগরিকের জন্য সুশাসন, জবাবদিহিতা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের অঙ্গীকার, যাতে তরুণরা নির্ভয়ে স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ খুঁজে পায় এবং প্রতিটি শিশু সম্ভাবনা বিকাশের সুযোগ পায়। বাংলাদেশ এখন ‘স্বল্পোন্নত দেশ’-এর তালিকা থেকে উত্তরণের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আমরা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, বায়ো-টেকনোলোজি এবং বিজ্ঞানের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশ মেরামত হচ্ছে ‘থ্রি আর’ কৌশলে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১১:২৯:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন ও শোষণে বাংলাদেশ ক্ষতবিক্ষত হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জানিয়েছেন, এই ক্ষতবিক্ষত দেশকে মেরামতের লক্ষ্য নিয়ে বর্তমান সরকার ‘থ্রি আর’ কৌশল গ্রহণ করেছে এবং তা বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে। বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ভোর ৪টার দিকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সামনে বর্তমানে এক অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত। এই কর্মযজ্ঞে নিজের উন্নয়ন সহযোগীদের পাশে পেতে চায় বাংলাদেশ।

ফ্যাসিবাদ থেকে উত্তরণ ও ‘থ্রি আর’ কৌশল

তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের দমন-পীড়ন ও ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হওয়া গুম, খুন, অপহরণ, দুর্নীতি, লুটপাট এবং ব্যাপক অর্থ পাচারের মতো অভিশাপ থেকে জাতি মুক্ত হয়েছে এবং দেশটি আবারও গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য সরকার ‘থ্রি আর’ কৌশল অনুসরণ করছে, যার পূর্ণরূপ হলো—রিকভারি (পুনরুদ্ধার), রস্টোরেশন (পুনঃস্থাপন) ও রিকনস্ট্রাকশন (পুনর্গঠন)।

অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন ও তরুণ সম্ভাবনা

প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, সরকার শুধু ভোটের গণতন্ত্রে বিশ্বাসী নয়, বরং অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ন নিশ্চিত করতে চায়। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সমৃদ্ধির সুফল প্রতিটি পরিবার ও নাগরিকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য। এই লক্ষ্য পূরণে তরুণ উদ্যোক্তা, গবেষক ও উদ্ভাবকদের জন্য বিশেষ স্টার্টআপ উদ্যোগ বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরিতে চলতি অর্থবছরে সরকার ৪ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রেখেছে। ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুবিধা কাজে লাগিয়ে দেশের কর্মক্ষম জনশক্তিকে দক্ষ মানব সম্পদে রূপান্তর করতে সরকার ব্যাপক কর্মযজ্ঞ শুরু করেছে। নৈতিক মানসম্পন্ন কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে, কারিগরি এবং ব্যবহারিক শিক্ষার উপর জোর দিয়ে শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে এর সুযোগ এখনো সবার জন্য সমান নয়।

নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক সুরক্ষা

তারেক রহমান দেশের জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি নারী উল্লেখ করে বলেন, দেশের আর্থ-সামাজিক রূপান্তরে নারীরা সরকারের পরিকল্পনার কেন্দ্রে রয়েছেন। নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে নারীদের নগদ অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এছাড়া স্নাতক শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা অবৈতনিক করা হয়েছে। প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানের নামে ইস্যু করা ‘ফ্যামিলি কার্ড’-কে তিনি নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন। ভবিষ্যতে বিভিন্ন সহায়তার কার্ডগুলোকে সমন্বয় করে একটি ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।

৩১ দফা ও জাতীয় উন্নয়ন লক্ষ্য

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া ৩১ দফা কর্মসূচি বর্তমান সরকার ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়ন করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে শহর ও গ্রামের মধ্যে বিদ্যমান উন্নয়ন বৈষম্য দূর হবে এবং এসডিজির ‘লিভ নো ওয়ান বিহাইন্ড’ প্রতিপাদ্যসহ ২০৩০ এজেন্ডার লক্ষ্যগুলো অর্জন সম্ভব হবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়াক্ষেত্রে দেশের ইতিহাসে এবার সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান। জাতিসংঘ ঘোষিত এসডিজির ‘লিভ নো ওয়ান বিহাইন্ড’— এই প্রতিপাদ্যের সঙ্গে বর্তমান সরকারের ৩১ দফা কর্মসূচির কমপক্ষে ৭৩ শতাংশ কার্যক্রমের সরাসরি এবং ২৭ শতাংশ কার্যক্রমের পরোক্ষভাবে মিল রয়েছে। একইসঙ্গে ২০৩০ এজেন্ডার সব ক্ষেত্রে, জবাবদিহিতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

প্রযুক্তি ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব

আগামী বিশ্বের ভবিষ্যৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ উদ্ভাবন ও মেধাস্বত্বকে সম্মান করে। ডিজিটাল বিভাজন যেন আগামী দিনে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিভাজনে পরিণত না হয়, সে বিষয়ে তিনি সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য প্রযুক্তি হস্তান্তর ও দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। পরিশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব নাগরিকের জন্য সুশাসন, জবাবদিহিতা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের অঙ্গীকার, যাতে তরুণরা নির্ভয়ে স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ খুঁজে পায় এবং প্রতিটি শিশু সম্ভাবনা বিকাশের সুযোগ পায়। বাংলাদেশ এখন ‘স্বল্পোন্নত দেশ’-এর তালিকা থেকে উত্তরণের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আমরা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, বায়ো-টেকনোলোজি এবং বিজ্ঞানের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছি।