ঢাকা ০২:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • আপডেট সময় : ১১:০০:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 19
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন। ইস্তাম্বুলে সংক্ষিপ্ত যাত্রা বিরতির পর প্রধানমন্ত্রী, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলকে বহনকারী টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট স্থানীয় সময় সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানিয়েছেন। বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে মোটরশোভাযাত্রা সহকারে প্রধানমন্ত্রীকে ‘হাইয়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক’ হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। নিউইয়র্ক সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই হোটেলেই অবস্থান করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে ক্যালিফোর্নিয়া, ফ্লোরিডা, টেক্সাস, মিশিগান, জর্জিয়াসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য এবং ইউরোপের কয়েকটি দেশ থেকে আসা নেতাকর্মীসহ নিউইয়র্কস্থ বিএনপি নেতাকর্মীরা দুপুর থেকেই তাদের প্রিয় নেতা প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতে জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আশপাশে এবং ‘হাইয়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক’ হোটেলের সামনে সমবেত হন। তারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন হাতে মিছিল এবং স্লোগান দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীও হাসিমুখে হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছার জবাব দেন। বাবা-মায়ের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে আসা অনন্য নজির স্থাপন করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

নেতাকর্মীরা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর শুধুমাত্র একটি প্রটোকলভিত্তিক সমাবেশ নয়, বরং বৈশ্বিক নীতিনির্ধারক ও মার্কিন মহলের সামনে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরার বড় প্ল্যাটফর্ম। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলে তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ছাড়াও সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা ও নেতৃবৃন্দ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রধানমন্ত্রীর এই সফর আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতিতে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আসাদুজ্জামান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও শামা ওবায়েদ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার ভাষণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রা, আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, নারী ও যুব ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট এবং বহুমুখী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার সংস্কার প্রাধান্য পাবে।

প্রধানমন্ত্রীর ২২ সেপ্টেম্বরের কর্মসূচী

  • স্বাগত অনুষ্ঠান: সকালে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আয়োজিত বিশ্বনেতা ও তাদের জীবনসঙ্গীদের জন্য স্বাগত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।
  • উদ্বোধনী পর্ব: ইউএনজিএ-এর ৮১তম অধিবেশনের উদ্বোধনী পর্বে যোগ দেবেন।
  • দ্বিপাক্ষিক আলোচনা: তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গ এবং হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়েরের সঙ্গে বৈঠক।
  • কূটনৈতিক বৈঠক: জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপ, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কোস্তা এবং জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপো গ্র্যান্ডির সঙ্গে আলোচনা।
  • প্রেসিডেন্টের সংবর্ধনা: সন্ধ্যায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।

২৩ সেপ্টেম্বরের দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক কর্মপরিকল্পনা

  • দাতব্য সংস্থার সঙ্গে বৈঠক: সকালে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে আন্তর্জাতিক দাতব্য ও মানবিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠক।
  • উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্ট: রোহিঙ্গা সংকট বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্টে অংশ নেবেন।
  • জলবায়ু আলোচনা: ‘জলবায়ু পদক্ষেপ এবং ন্যায়সঙ্গত রূপান্তর’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন।
  • দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ও চুক্তি: ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ প্লেনকোভিচের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন এবং বোয়িং গ্লোবালের প্রেসিডেন্ট ড. ব্রেন্ডন নেলসনের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।

২৪ সেপ্টেম্বরের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচী ও সাধারণ পরিষদের ভাষণ

  • সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি সেশন: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির হুমকি বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভায় প্রারম্ভিক বক্তব্য প্রদান করবেন।
  • দ্বিপাক্ষিক বৈঠক: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।
  • মাতৃ ও নবজাতক ফোরাম: মাতৃ ও নবজাতকের প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যু রোধ সংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে প্রারম্ভিক বক্তব্য দেবেন।
  • জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠক: জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুলের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হবেন।
  • সাধারণ পরিষদে ভাষণ: নিউইয়র্ক সময় বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে (সময় পরিবর্তন হতে পারে)। তার জন্য নির্ধারিত সময় ১৫ মিনিট।
  • নৈশভোজ: এরপর রাতে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে আয়োজিত বিশেষ নৈশভোজে অংশ নেবেন।

২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বরের বিদায়ী কর্মসূচী

  • কুয়েতের যুবরাজের সঙ্গে বৈঠক: কুয়েতের যুবরাজ শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহ-র সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক।
  • মধ্যাহ্নভোজ: ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট প্রিন্স জাইদ আল হুসেইনের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ ও মতবিনিময়।
  • বিএনপির সঙ্গে সভা: সফররত ও স্থানীয় যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতাদের সঙ্গে বিশেষ রাজনৈতিক ও কৌশলগত মতবিনিময়।
  • স্বদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা: সফর শেষে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর রাত ১১টায় (নিউইয়র্ক সময়) এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে দুবাই হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে প্রধানমন্ত্রী আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট সময় : ১১:০০:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন। ইস্তাম্বুলে সংক্ষিপ্ত যাত্রা বিরতির পর প্রধানমন্ত্রী, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলকে বহনকারী টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট স্থানীয় সময় সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানিয়েছেন। বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে মোটরশোভাযাত্রা সহকারে প্রধানমন্ত্রীকে ‘হাইয়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক’ হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। নিউইয়র্ক সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই হোটেলেই অবস্থান করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে ক্যালিফোর্নিয়া, ফ্লোরিডা, টেক্সাস, মিশিগান, জর্জিয়াসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য এবং ইউরোপের কয়েকটি দেশ থেকে আসা নেতাকর্মীসহ নিউইয়র্কস্থ বিএনপি নেতাকর্মীরা দুপুর থেকেই তাদের প্রিয় নেতা প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতে জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আশপাশে এবং ‘হাইয়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক’ হোটেলের সামনে সমবেত হন। তারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন হাতে মিছিল এবং স্লোগান দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীও হাসিমুখে হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছার জবাব দেন। বাবা-মায়ের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে আসা অনন্য নজির স্থাপন করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

নেতাকর্মীরা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর শুধুমাত্র একটি প্রটোকলভিত্তিক সমাবেশ নয়, বরং বৈশ্বিক নীতিনির্ধারক ও মার্কিন মহলের সামনে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরার বড় প্ল্যাটফর্ম। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলে তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ছাড়াও সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা ও নেতৃবৃন্দ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রধানমন্ত্রীর এই সফর আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতিতে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আসাদুজ্জামান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও শামা ওবায়েদ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার ভাষণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রা, আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, নারী ও যুব ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট এবং বহুমুখী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার সংস্কার প্রাধান্য পাবে।

প্রধানমন্ত্রীর ২২ সেপ্টেম্বরের কর্মসূচী

  • স্বাগত অনুষ্ঠান: সকালে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আয়োজিত বিশ্বনেতা ও তাদের জীবনসঙ্গীদের জন্য স্বাগত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।
  • উদ্বোধনী পর্ব: ইউএনজিএ-এর ৮১তম অধিবেশনের উদ্বোধনী পর্বে যোগ দেবেন।
  • দ্বিপাক্ষিক আলোচনা: তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গ এবং হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়েরের সঙ্গে বৈঠক।
  • কূটনৈতিক বৈঠক: জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপ, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কোস্তা এবং জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপো গ্র্যান্ডির সঙ্গে আলোচনা।
  • প্রেসিডেন্টের সংবর্ধনা: সন্ধ্যায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।

২৩ সেপ্টেম্বরের দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক কর্মপরিকল্পনা

  • দাতব্য সংস্থার সঙ্গে বৈঠক: সকালে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে আন্তর্জাতিক দাতব্য ও মানবিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠক।
  • উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্ট: রোহিঙ্গা সংকট বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্টে অংশ নেবেন।
  • জলবায়ু আলোচনা: ‘জলবায়ু পদক্ষেপ এবং ন্যায়সঙ্গত রূপান্তর’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন।
  • দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ও চুক্তি: ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ প্লেনকোভিচের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন এবং বোয়িং গ্লোবালের প্রেসিডেন্ট ড. ব্রেন্ডন নেলসনের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।

২৪ সেপ্টেম্বরের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচী ও সাধারণ পরিষদের ভাষণ

  • সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি সেশন: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির হুমকি বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভায় প্রারম্ভিক বক্তব্য প্রদান করবেন।
  • দ্বিপাক্ষিক বৈঠক: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।
  • মাতৃ ও নবজাতক ফোরাম: মাতৃ ও নবজাতকের প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যু রোধ সংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে প্রারম্ভিক বক্তব্য দেবেন।
  • জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠক: জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুলের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হবেন।
  • সাধারণ পরিষদে ভাষণ: নিউইয়র্ক সময় বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে (সময় পরিবর্তন হতে পারে)। তার জন্য নির্ধারিত সময় ১৫ মিনিট।
  • নৈশভোজ: এরপর রাতে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে আয়োজিত বিশেষ নৈশভোজে অংশ নেবেন।

২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বরের বিদায়ী কর্মসূচী

  • কুয়েতের যুবরাজের সঙ্গে বৈঠক: কুয়েতের যুবরাজ শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহ-র সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক।
  • মধ্যাহ্নভোজ: ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট প্রিন্স জাইদ আল হুসেইনের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ ও মতবিনিময়।
  • বিএনপির সঙ্গে সভা: সফররত ও স্থানীয় যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতাদের সঙ্গে বিশেষ রাজনৈতিক ও কৌশলগত মতবিনিময়।
  • স্বদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা: সফর শেষে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর রাত ১১টায় (নিউইয়র্ক সময়) এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে দুবাই হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে প্রধানমন্ত্রী আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।