ঢাকা ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাবে সরকার, জানালেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী সেন্টমার্টিনের পথে কক্সবাজার থেকে যাত্রা করল পর্যটকবাহী ৩টি জাহাজ অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম মরিশাসে কাচের বাক্স চাপায় তিন বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যু দেশের মাটিতে প্রথম ফাইফার, ইতিহাস গড়ে উচ্ছ্বসিত হাসান মাহমুদ রমজানের আগেই রাজধানীর বাজারে ছোলার দাম বাড়ল কেজিতে ১৫ টাকা দলের পারফরম্যান্সে খুশি কোচ থমাস ডুলি ভূমিধস জয়ের পর ডেমোক্রেটদের সামনে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বড় চ্যালেঞ্জ ভার্জিনিয়ায় স্ত্রী নিখোঁজের ঘটনায় আদালতে মুখ খুললেন অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি নরেশ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনর্গঠনে সরকারের বিশাল কর্মপরিকল্পনা ও বাজেট বরাদ্দ

জাপানে দক্ষ কর্মী পাঠাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকার বাংলাদেশের

  • আপডেট সময় : ১১:০৫:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫
  • / 129
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

জাপানে দক্ষ বাংলাদেশি কর্মী প্রেরণের জন্য একটি কার্যকর ব্যবস্থা তৈরি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ।

টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসের আয়োজনে ‘বাংলাদেশ: জাপানের জন্য একটি দক্ষ মানবসম্পদের সম্ভাবনাময় উৎস দেশ’ শীর্ষক এক সেমিনারে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

সেখানে একটি ব্যবসায়িক মিলনমেলাও আয়োজন করা হয়। সেমিনারটি জাপান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেইনি অ্যান্ড স্কিলড ওয়ার্কার কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (জিটকো)-এর সহায়তায় অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন।

রাষ্ট্রদূত দাউদ আলী সকল অংশীজনকে জাপানে দক্ষ বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর যৌথ লক্ষ্য অর্জনে ঘনিষ্ঠভাবে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া বলেন, জাপানের ক্রমবর্ধমান শ্রম চাহিদা এবং বাংলাদেশের অতিরিক্ত কর্মক্ষম জনসংখ্যার মধ্যে একটি পরিপূরক সম্পর্ক রয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ২০৪০ সালের মধ্যে জাপানে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ বিদেশি কর্মীর প্রয়োজন হতে পারে। তখন বাংলাদেশে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ কর্মক্ষম জনশক্তি উদ্বৃত্ত থাকবে।

তিনি জানান, জাপানের শ্রমবাজারের জন্য জনশক্তি প্রস্তুত করতে ৩৩টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রয়োজনে এই সংখ্যা বাড়ানো হবে।

তিনি আরও বলেন, মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি ‘জাপান সেল’ গঠন করা হয়েছে, যা কর্মসংস্থান সংক্রান্ত বিষয়গুলো সমন্বয় করবে।

ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশি ও জাপানি নিয়োগকারী সংস্থাগুলোর যৌথ প্রচেষ্টা উভয় দেশের জন্যই উপকারী হবে।

জিটকোর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শিগেও মাতসুতোমি বৈশ্বিক শ্রম প্রবণতা এবং জাপানের কর্মসংস্থান পরিস্থিতি নিয়ে উপস্থাপনা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি জনশক্তি প্রেরণকারী সংস্থা এবং জাপানি নিয়োগকারী কোম্পানির মধ্যে ১৩টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

ড. ভূঁইয়া আগামী ৭ নভেম্বর নাগোয়া শহরে আরও একটি মানবসম্পদ বিষয়ক সেমিনারে অংশগ্রহণ করবেন। সেখানে বাংলাদেশি ও জাপানি কোম্পানির মধ্যে আরও সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে।

এই উদ্যোগ বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান সুযোগ সম্প্রসারণ এবং দক্ষ কর্মী উন্নয়নের মাধ্যমে জাপানের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জাপানে দক্ষ কর্মী পাঠাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকার বাংলাদেশের

আপডেট সময় : ১১:০৫:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

জাপানে দক্ষ বাংলাদেশি কর্মী প্রেরণের জন্য একটি কার্যকর ব্যবস্থা তৈরি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ।

টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসের আয়োজনে ‘বাংলাদেশ: জাপানের জন্য একটি দক্ষ মানবসম্পদের সম্ভাবনাময় উৎস দেশ’ শীর্ষক এক সেমিনারে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

সেখানে একটি ব্যবসায়িক মিলনমেলাও আয়োজন করা হয়। সেমিনারটি জাপান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেইনি অ্যান্ড স্কিলড ওয়ার্কার কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (জিটকো)-এর সহায়তায় অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন।

রাষ্ট্রদূত দাউদ আলী সকল অংশীজনকে জাপানে দক্ষ বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর যৌথ লক্ষ্য অর্জনে ঘনিষ্ঠভাবে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া বলেন, জাপানের ক্রমবর্ধমান শ্রম চাহিদা এবং বাংলাদেশের অতিরিক্ত কর্মক্ষম জনসংখ্যার মধ্যে একটি পরিপূরক সম্পর্ক রয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ২০৪০ সালের মধ্যে জাপানে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ বিদেশি কর্মীর প্রয়োজন হতে পারে। তখন বাংলাদেশে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ কর্মক্ষম জনশক্তি উদ্বৃত্ত থাকবে।

তিনি জানান, জাপানের শ্রমবাজারের জন্য জনশক্তি প্রস্তুত করতে ৩৩টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রয়োজনে এই সংখ্যা বাড়ানো হবে।

তিনি আরও বলেন, মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি ‘জাপান সেল’ গঠন করা হয়েছে, যা কর্মসংস্থান সংক্রান্ত বিষয়গুলো সমন্বয় করবে।

ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশি ও জাপানি নিয়োগকারী সংস্থাগুলোর যৌথ প্রচেষ্টা উভয় দেশের জন্যই উপকারী হবে।

জিটকোর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শিগেও মাতসুতোমি বৈশ্বিক শ্রম প্রবণতা এবং জাপানের কর্মসংস্থান পরিস্থিতি নিয়ে উপস্থাপনা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি জনশক্তি প্রেরণকারী সংস্থা এবং জাপানি নিয়োগকারী কোম্পানির মধ্যে ১৩টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

ড. ভূঁইয়া আগামী ৭ নভেম্বর নাগোয়া শহরে আরও একটি মানবসম্পদ বিষয়ক সেমিনারে অংশগ্রহণ করবেন। সেখানে বাংলাদেশি ও জাপানি কোম্পানির মধ্যে আরও সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে।

এই উদ্যোগ বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান সুযোগ সম্প্রসারণ এবং দক্ষ কর্মী উন্নয়নের মাধ্যমে জাপানের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ।

বিডিসংবাদ/এএইচএস