ঢাকা ১১:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাপানে ভারী বৃষ্টিতে ৫ জনের মৃত্যু পরমাণু অস্ত্র ঠেকানো নয়, তেলের দাম কম রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য : জেডি ভ্যান্স ১০ কোটি ভিউ পার করলো ইমরান-পড়শীর ‘জনম জনম’ যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়ার আগে নতুন প্রতিরোধ হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার নিউজিল্যান্ডের গোয়েন্দা সংস্থার গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ : চীন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নয়, যুদ্ধে তেলের দাম কমানোই এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সেঞ্চুরি তানজিদের বেগম খালেদা জিয়া : গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা

ট্রাম্প তার দাবিতে অনড়

  • আপডেট সময় : ১২:২২:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • / 25
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

ইরানের কাছে থাকা উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত শেষ পর্যন্ত উদ্ধার করার তীব্র অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই এই তেজস্ক্রিয় উপাদান মার্কিন প্রশাসনের হাতে হস্তান্তর করা হবে না। দুই দেশের এমন মুখোমুখি অবস্থানে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এটি কেড়ে নেবই। আমাদের এটির প্রয়োজন নেই, আমরা এটি চাইও না। সম্ভবত এটি পাওয়ার পর আমরা ধ্বংস করে দেব, কিন্তু ওদের কাছে এটি কোনোভাবেই রাখতে দেব না।’

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ইরানের কাছে বর্তমানে প্রায় ৯০০ পাউন্ড উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, প্রায় এক বছর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় এই বিশাল মজুত মাটির নিচে চাপা পড়েছিল। এই মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকা ইউরেনিয়াম উদ্ধার করাকেই এখন ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধের অন্যতম প্রধান সামরিক লক্ষ্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। তেহরান যাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতেই মূলত এই অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।

এদিকে ওয়াশিংটনের এমন হুঁশিয়ারির বিপরীতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে তেহরানও। রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, ইরানের দুজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইতিমধ্যে একটি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছেন। সেই নির্দেশনায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উপযোগী এই ইউরেনিয়াম যেন কোনো অবস্থাতেই এবং কোনো চুক্তির অধীনেই দেশের বাইরে পাঠানো না হয়।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ট্রাম্প তার দাবিতে অনড়

আপডেট সময় : ১২:২২:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

ইরানের কাছে থাকা উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত শেষ পর্যন্ত উদ্ধার করার তীব্র অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই এই তেজস্ক্রিয় উপাদান মার্কিন প্রশাসনের হাতে হস্তান্তর করা হবে না। দুই দেশের এমন মুখোমুখি অবস্থানে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এটি কেড়ে নেবই। আমাদের এটির প্রয়োজন নেই, আমরা এটি চাইও না। সম্ভবত এটি পাওয়ার পর আমরা ধ্বংস করে দেব, কিন্তু ওদের কাছে এটি কোনোভাবেই রাখতে দেব না।’

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ইরানের কাছে বর্তমানে প্রায় ৯০০ পাউন্ড উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, প্রায় এক বছর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় এই বিশাল মজুত মাটির নিচে চাপা পড়েছিল। এই মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকা ইউরেনিয়াম উদ্ধার করাকেই এখন ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধের অন্যতম প্রধান সামরিক লক্ষ্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। তেহরান যাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতেই মূলত এই অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।

এদিকে ওয়াশিংটনের এমন হুঁশিয়ারির বিপরীতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে তেহরানও। রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, ইরানের দুজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইতিমধ্যে একটি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছেন। সেই নির্দেশনায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উপযোগী এই ইউরেনিয়াম যেন কোনো অবস্থাতেই এবং কোনো চুক্তির অধীনেই দেশের বাইরে পাঠানো না হয়।

বিডিসংবাদ/এএইচএস