ঢাকা ০১:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

থাই প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করেছে আদালত

  • আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ অগাস্ট ২০২২
  • / 134
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

থাইল্যান্ডের আদালত প্রধানমন্ত্রী প্রয়ুধ চান-ওচাকে তার দায়িত্ব থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে আদালত। সাংবিধানিকভাবে নির্ধারিত মেয়াদের চেয়ে বেশি সময় ক্ষমতায় থাকায় দেশটির শীর্ষ আদালত আজ বুধবার এই রায় ঘোষণা করে।

তার অনুপস্থিতিতে উপ-প্রধানমন্ত্রী প্রাবিত ওনসুয়ান (৭৭) অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। তিনি একসময় দেশটির সেনাপ্রধান ছিলেন।

থাইল্যান্ডের সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ আট বছর ক্ষমতায় থাকতে পারেন। কিন্তু ৬৮ বছর বয়স্ক প্রয়ুধ ২০১৪ সালের সামরিক অভ্যুত্থান থেকে ক্ষমতায় রয়েছেন। তিনি ২০১৯ সালে সামরিক সরকারের নির্দেশনায় হওয়া নির্বাচনে ক্ষমতায় বহাল থাকেন।

আদালতের চূড়ান্ত রায় এখনো প্রদান করা হয়নি। তবে চূড়ান্ত রায় দেয়ার আগে পর্যন্ত আদালত তাকে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকতে বলেছে।

বিরোধী দল তার বিরুদ্ধে এই মামলাটি করেছিল। তিনি ক্রমবর্ধমান হারে বিরোধিতার মুখে পড়েছেন। অবশ্য, গত মাসেই তিনি পার্লামেন্টে অনাস্থা প্রস্তাব থেকে রক্ষা পেয়েছিলেন।

বিরোধী দল দাবি করছে, চলতি সপ্তাহেই তার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।
তবে তার সমর্থকেরা বলছে, তার দায়িত্বকাল শুরু হয়েছে ২০১৭ সালে, যখন নতুন সংবিধান কার্যকর হয়। সে হিসেবে তার আট বছরের মেয়ার শেষ হয়নি।
থাইল্যান্ডে কয়েক মাসের মধ্যেই সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সূত্র : বিবিসি

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

থাই প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করেছে আদালত

আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ অগাস্ট ২০২২

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

থাইল্যান্ডের আদালত প্রধানমন্ত্রী প্রয়ুধ চান-ওচাকে তার দায়িত্ব থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে আদালত। সাংবিধানিকভাবে নির্ধারিত মেয়াদের চেয়ে বেশি সময় ক্ষমতায় থাকায় দেশটির শীর্ষ আদালত আজ বুধবার এই রায় ঘোষণা করে।

তার অনুপস্থিতিতে উপ-প্রধানমন্ত্রী প্রাবিত ওনসুয়ান (৭৭) অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। তিনি একসময় দেশটির সেনাপ্রধান ছিলেন।

থাইল্যান্ডের সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ আট বছর ক্ষমতায় থাকতে পারেন। কিন্তু ৬৮ বছর বয়স্ক প্রয়ুধ ২০১৪ সালের সামরিক অভ্যুত্থান থেকে ক্ষমতায় রয়েছেন। তিনি ২০১৯ সালে সামরিক সরকারের নির্দেশনায় হওয়া নির্বাচনে ক্ষমতায় বহাল থাকেন।

আদালতের চূড়ান্ত রায় এখনো প্রদান করা হয়নি। তবে চূড়ান্ত রায় দেয়ার আগে পর্যন্ত আদালত তাকে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকতে বলেছে।

বিরোধী দল তার বিরুদ্ধে এই মামলাটি করেছিল। তিনি ক্রমবর্ধমান হারে বিরোধিতার মুখে পড়েছেন। অবশ্য, গত মাসেই তিনি পার্লামেন্টে অনাস্থা প্রস্তাব থেকে রক্ষা পেয়েছিলেন।

বিরোধী দল দাবি করছে, চলতি সপ্তাহেই তার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।
তবে তার সমর্থকেরা বলছে, তার দায়িত্বকাল শুরু হয়েছে ২০১৭ সালে, যখন নতুন সংবিধান কার্যকর হয়। সে হিসেবে তার আট বছরের মেয়ার শেষ হয়নি।
থাইল্যান্ডে কয়েক মাসের মধ্যেই সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সূত্র : বিবিসি

বিডিসংবাদ/এএইচএস