ঢাকা ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাবে সরকার, জানালেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী সেন্টমার্টিনের পথে কক্সবাজার থেকে যাত্রা করল পর্যটকবাহী ৩টি জাহাজ অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম মরিশাসে কাচের বাক্স চাপায় তিন বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যু দেশের মাটিতে প্রথম ফাইফার, ইতিহাস গড়ে উচ্ছ্বসিত হাসান মাহমুদ রমজানের আগেই রাজধানীর বাজারে ছোলার দাম বাড়ল কেজিতে ১৫ টাকা দলের পারফরম্যান্সে খুশি কোচ থমাস ডুলি ভূমিধস জয়ের পর ডেমোক্রেটদের সামনে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বড় চ্যালেঞ্জ ভার্জিনিয়ায় স্ত্রী নিখোঁজের ঘটনায় আদালতে মুখ খুললেন অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি নরেশ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনর্গঠনে সরকারের বিশাল কর্মপরিকল্পনা ও বাজেট বরাদ্দ

পাস করেনি অনেকেই, একাদশে খালি থাকবে ১৩ লাখ আসন

  • আপডেট সময় : ১১:১০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • / 27
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার কমে যাওয়ায় এবার একাদশ শ্রেণিতে সাড়ে ১৩ লাখেরও বেশি আসন খালি পড়ে থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে আসন ফাঁকা থাকলেও ভর্তি প্রক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তন আনছে না শিক্ষা প্রশাসন। আগের নিয়মেই এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে একাদশে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

সোমবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে এবারও কোনো ধরনের লটারি বা ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। প্রচলিত বিধান অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের জিপিএ এবং তাদের দেওয়া পছন্দক্রম বিবেচনা করেই পছন্দের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসন বরাদ্দ করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সারাদেশে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। গত বছর এসব আসনের মধ্যে বিপুল পরিমাণ আসন খালি ছিল। তবে এবার পরীক্ষার্থী ও পাসের হার তুলনামূলক কম হওয়ায় খালি আসনের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। তথ্যমতে, এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। যার অর্থ দাঁড়াচ্ছে, সব উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী একাদশে ভর্তি হলেও দেশের কলেজ ও মাদ্রাসাগুলোতে প্রায় ১৩ লাখ ৬১ হাজার আসন খালি থেকে যাবে। কারিগরি বোর্ডসহ অন্যান্য বোর্ডের শিক্ষার্থীরা ভর্তি হলেও এই বিপুল সংখ্যক শূন্য আসনের চিত্রে খুব একটা পরিবর্তন আসবে না।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আরও জানান, গত বছরের তুলনায় এবার আসন শূন্য থাকার হার বেশি হলেও শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তির ক্ষেত্রে কোনো সংকট তৈরি হবে না। যথারীতি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিগরি সহায়তায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড এই ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করবে। নির্ধারিত ফি দিয়ে শিক্ষার্থীরা সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজের পছন্দক্রম দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। ঢাকার নটর ডেম কলেজসহ হাতে গোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের প্রায় সব কলেজ ও মাদ্রাসায় এই কেন্দ্রীয় অনলাইন প্রক্রিয়াতেই শিক্ষার্থী ভর্তি সম্পন্ন করা হবে।
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পাস করেনি অনেকেই, একাদশে খালি থাকবে ১৩ লাখ আসন

আপডেট সময় : ১১:১০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার কমে যাওয়ায় এবার একাদশ শ্রেণিতে সাড়ে ১৩ লাখেরও বেশি আসন খালি পড়ে থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে আসন ফাঁকা থাকলেও ভর্তি প্রক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তন আনছে না শিক্ষা প্রশাসন। আগের নিয়মেই এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে একাদশে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

সোমবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে এবারও কোনো ধরনের লটারি বা ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। প্রচলিত বিধান অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের জিপিএ এবং তাদের দেওয়া পছন্দক্রম বিবেচনা করেই পছন্দের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসন বরাদ্দ করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সারাদেশে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। গত বছর এসব আসনের মধ্যে বিপুল পরিমাণ আসন খালি ছিল। তবে এবার পরীক্ষার্থী ও পাসের হার তুলনামূলক কম হওয়ায় খালি আসনের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। তথ্যমতে, এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। যার অর্থ দাঁড়াচ্ছে, সব উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী একাদশে ভর্তি হলেও দেশের কলেজ ও মাদ্রাসাগুলোতে প্রায় ১৩ লাখ ৬১ হাজার আসন খালি থেকে যাবে। কারিগরি বোর্ডসহ অন্যান্য বোর্ডের শিক্ষার্থীরা ভর্তি হলেও এই বিপুল সংখ্যক শূন্য আসনের চিত্রে খুব একটা পরিবর্তন আসবে না।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আরও জানান, গত বছরের তুলনায় এবার আসন শূন্য থাকার হার বেশি হলেও শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তির ক্ষেত্রে কোনো সংকট তৈরি হবে না। যথারীতি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিগরি সহায়তায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড এই ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করবে। নির্ধারিত ফি দিয়ে শিক্ষার্থীরা সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজের পছন্দক্রম দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। ঢাকার নটর ডেম কলেজসহ হাতে গোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের প্রায় সব কলেজ ও মাদ্রাসায় এই কেন্দ্রীয় অনলাইন প্রক্রিয়াতেই শিক্ষার্থী ভর্তি সম্পন্ন করা হবে।
বিডিসংবাদ/এএইচএস