ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈশ্বরদীতে জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে কৃষকের প্রাণহানি জাতিসংঘ সফর সংক্ষিপ্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশিদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করতে ভিয়েতনামের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান ছাত্র আন্দোলনে মৃত্যু: শেখ হাসিনাসহ ১২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা মেঘ হয়ে ঝরে পড়ার আকুতি নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে ট্রান্সফরমার চুরির হিড়িক, সেচ নিয়ে শঙ্কা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে রোমহর্ষক সাক্ষ্য সাবেক সেনা কর্মকর্তার চীন ও ভারতের ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের গ্রীষ্মে রেকর্ড যাত্রী পরিবহন এমিরেটসের, শীতের বুকিংয়েও জোর সম্ভাবনা জাতিসংঘ অধিবেশনে মাহমুদ আব্বাসকে ভিসা দিল না যুক্তরাষ্ট্র

পুতিন-হাসিনা ফোনালাপ নিয়ে কূটনৈতিক মহলে জল্পনা

  • আপডেট সময় : ০৬:৪৬:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 2
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনের সময় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে বলে জোর জল্পনা চলছে। বিভিন্ন মহলের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ২০ মিনিটের এই ফোনালাপে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালও উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। বর্তমানে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার সাথে বিশ্বের বেশ কয়েকজন রাষ্ট্রনেতার কথা হয়েছে বলে খবর ছড়িয়েছে, যার মধ্যে পুতিনের সাথে কথোপকথনের বিষয়টি কূটনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। যদিও দিল্লির একটি সাংবাদিক সূত্র জানিয়েছে, এই দাবির সত্যতা এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। ভারত সরকার, রাশিয়া কিংবা শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে এই ফোনালাপের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি এবং কোনো বিবৃতিরও প্রকাশ ঘটেনি।

শেখ হাসিনার শাসনামলে রাশিয়ার সাথে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বেশ ঘনিষ্ঠ ছিল। এর অন্যতম বড় উদাহরণ হলো রাশিয়ার পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটমের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় নির্মিত রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প। ১২ বিলিয়ন ডলারের এই মেগা প্রকল্পটি শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয়, দক্ষিণ এশিয়ায় রাশিয়ার দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত কৌশলগত উপস্থিতির ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পুতিন-হাসিনা ফোনালাপের খবরটি যদি সঠিক হয়, তবে তা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং রাশিয়ার বাংলাদেশ নীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

এ বিষয়ে ভারতের আরএসএস সমর্থিত গণমাধ্যম ‘অর্গানাইজার’ লিখেছে, এই ফোনালাপ রাশিয়ার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি মেলবন্ধন তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে বাংলাদেশে রাশিয়ার বিশাল বিনিয়োগ সুরক্ষা এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক অটুট রাখার বিষয়টি এর মাধ্যমে গুরুত্ব পেতে পারে। একই সঙ্গে, সম্প্রতি ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পরবর্তী সময়ে ভারতের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনর্বিন্যাসের যে উদ্যোগ দেখা গেছে, তা দক্ষিণ এশিয়ার পরিবর্তনশীল রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমীকরণের দিকে ইঙ্গিত দিচ্ছে। সব মিলিয়ে নয়াদিল্লিতে অবস্থানকালে পুতিন-হাসিনার সম্ভাব্য যোগাযোগ আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কেননা, এই সব রাষ্ট্র নেতাদের অধিকাংশের সঙ্গে হাসিনা তার শাসনামলে বিশেষ পরিচিত ছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলার সঙ্গেও শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠতার কথা সর্বজনবিদিত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কথোপকথনের কোনও বিবরণও প্রকাশ্যে আসেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

পুতিন-হাসিনা ফোনালাপ নিয়ে কূটনৈতিক মহলে জল্পনা

আপডেট সময় : ০৬:৪৬:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনের সময় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে বলে জোর জল্পনা চলছে। বিভিন্ন মহলের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ২০ মিনিটের এই ফোনালাপে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালও উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। বর্তমানে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার সাথে বিশ্বের বেশ কয়েকজন রাষ্ট্রনেতার কথা হয়েছে বলে খবর ছড়িয়েছে, যার মধ্যে পুতিনের সাথে কথোপকথনের বিষয়টি কূটনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। যদিও দিল্লির একটি সাংবাদিক সূত্র জানিয়েছে, এই দাবির সত্যতা এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। ভারত সরকার, রাশিয়া কিংবা শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে এই ফোনালাপের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি এবং কোনো বিবৃতিরও প্রকাশ ঘটেনি।

শেখ হাসিনার শাসনামলে রাশিয়ার সাথে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বেশ ঘনিষ্ঠ ছিল। এর অন্যতম বড় উদাহরণ হলো রাশিয়ার পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটমের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় নির্মিত রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প। ১২ বিলিয়ন ডলারের এই মেগা প্রকল্পটি শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয়, দক্ষিণ এশিয়ায় রাশিয়ার দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত কৌশলগত উপস্থিতির ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পুতিন-হাসিনা ফোনালাপের খবরটি যদি সঠিক হয়, তবে তা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং রাশিয়ার বাংলাদেশ নীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

এ বিষয়ে ভারতের আরএসএস সমর্থিত গণমাধ্যম ‘অর্গানাইজার’ লিখেছে, এই ফোনালাপ রাশিয়ার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি মেলবন্ধন তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে বাংলাদেশে রাশিয়ার বিশাল বিনিয়োগ সুরক্ষা এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক অটুট রাখার বিষয়টি এর মাধ্যমে গুরুত্ব পেতে পারে। একই সঙ্গে, সম্প্রতি ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পরবর্তী সময়ে ভারতের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনর্বিন্যাসের যে উদ্যোগ দেখা গেছে, তা দক্ষিণ এশিয়ার পরিবর্তনশীল রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমীকরণের দিকে ইঙ্গিত দিচ্ছে। সব মিলিয়ে নয়াদিল্লিতে অবস্থানকালে পুতিন-হাসিনার সম্ভাব্য যোগাযোগ আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কেননা, এই সব রাষ্ট্র নেতাদের অধিকাংশের সঙ্গে হাসিনা তার শাসনামলে বিশেষ পরিচিত ছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলার সঙ্গেও শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠতার কথা সর্বজনবিদিত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কথোপকথনের কোনও বিবরণও প্রকাশ্যে আসেনি।