প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিল ‘মুরাসু’, বন্দরে ২ নম্বর সংকেত
- আপডেট সময় : ১০:৪১:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
- / 4
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ আরও শক্তিশালী হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমানের স্বাক্ষরিত ৭ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত এই ঝড়টি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। সোমবার ভোররাত ৩টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এটি ১৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮২ দশমিক ৬ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থান করছিল।
ঘূর্ণিঝড়টির বর্তমান অবস্থান চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৯০ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ১ হাজার ৩৫০ কিলোমিটার, মোংলা থেকে ১ হাজার ২৪৫ কিলোমিটার এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে। এই দূরত্বের কারণে আবহাওয়া অধিদপ্তর বাংলাদেশের চারটি সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত জারি করেছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার। দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে এর গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার ফলে কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগরের পরিবেশ অত্যন্ত বিক্ষুব্ধ রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে সোমবার রাতের মধ্যে ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি নিরাপদ স্থানে সাবধানে চলাচলের নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ এবং পরিস্থিতির দিকে সার্বক্ষণিক নজর রাখছে আবহাওয়া অফিস।






















