ঢাকা ০৩:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে নামছে ৬৬ হাজার কর্মী

  • আপডেট সময় : ০৬:৫৬:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 24
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তর। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ এবং আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য সম্প্রতি প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। গত ২২ সেপ্টেম্বর অধিদপ্তরের সামাজিক নিরাপত্তা অধিশাখা থেকে এই সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

প্রথম পর্যায়ে পাইলটিং কার্যক্রমের আওতায় দেশের ২০৮টি উপজেলার একটি করে ওয়ার্ডে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এই কাজে ৫ হাজার ট্যাব ব্যবহার করা হবে। কোন ইউনিয়নে কাজ শুরু হবে তা সংশ্লিষ্ট জেলা উপপরিচালক স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সাথে আলোচনা ও মতামতের ভিত্তিতে নির্ধারণ করবেন। সিটি কর্পোরেশনের ক্ষেত্রেও স্থানীয় সংসদ সদস্যদের পরামর্শ অনুযায়ী যেকোনো একটি ওয়ার্ড চূড়ান্ত করা হবে।

প্রশিক্ষণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, সদর দপ্তর থেকে ২০ জন অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক দেশের ৩০ থেকে ৪০টি নির্ধারিত ভেন্যুতে প্রায় ১০০ জন মাস্টার ট্রেইনারকে দুই দিনের প্রশিক্ষণ দেবেন। বিভাগীয় পরিচালকদের ব্যবস্থাপনায় এসব প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর এই মাস্টার ট্রেইনাররা স্ব-স্ব উপজেলায় পাঁচ থেকে ছয় দিনের কর্মপরিকল্পনায় সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ দেবেন। প্রতিটি স্তরে প্রশিক্ষণ হবে দুই দিনের।

তাত্ত্বিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি মাস্টার ট্রেইনারদের ট্যাব ব্যবহার, ড্রেস সরবরাহ, সিম সংযোগ এবং অ্যাপ ইনস্টলেশনসহ অন্যান্য বিষয়ে একদিনের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সমাজসেবা কর্মকর্তার সংকট থাকলে স্থানীয় কৃষি, শিক্ষা বা আইসিটি কর্মকর্তাদের মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজে নামার আগে প্রত্যেক কর্মীকে অনলাইন মূল্যায়ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

বর্তমানে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য ৬৬ হাজার ৯১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী এবং ৬ হাজার ৮১৮ জন সুপারভাইজারের প্রোফাইল আইডি যাচাই ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ইউনিয়ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের স্ব-স্ব আইডি থেকে এই অনুমোদন সম্পন্ন করতে হবে।

যদি কোনো নির্বাচিত কর্মী কাজ করতে অনীহা প্রকাশ করেন, তবে তার কাছ থেকে লিখিত আবেদন গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া অনুপস্থিত বা বৈধ কারণে নিষ্ক্রিয়দের উপজেলা বাস্তবায়ন কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে নতুন সদস্য দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হবে।

নির্দেশনায় স্পষ্ট করা হয়েছে, নতুন করে কোনো পৃথক কমিটি গঠনের প্রয়োজন নেই। সরকারি গেজেটভুক্ত বিদ্যমান কমিটিই পুরো কার্যক্রম তদারকি করবে। পার্বত্য জেলাগুলোর ক্ষেত্রেও গেজেটে বর্ণিত সমন্বয় কমিটি এই তদারকির দায়িত্বে থাকবে। বাসসের তথ্যানুসারে সংশ্লিষ্ট উপজেলার নির্বাচিত ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড থেকেই মূলত তথ্য সংগ্রহের এই পাইলটিং কার্যক্রম শুরু হবে। চাকরির আরও তথ্য: নির্দেশিকায় বর্ণিত সুপারিশ নিয়োগ কমিটিও বহাল থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে নামছে ৬৬ হাজার কর্মী

আপডেট সময় : ০৬:৫৬:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তর। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ এবং আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য সম্প্রতি প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। গত ২২ সেপ্টেম্বর অধিদপ্তরের সামাজিক নিরাপত্তা অধিশাখা থেকে এই সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

প্রথম পর্যায়ে পাইলটিং কার্যক্রমের আওতায় দেশের ২০৮টি উপজেলার একটি করে ওয়ার্ডে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এই কাজে ৫ হাজার ট্যাব ব্যবহার করা হবে। কোন ইউনিয়নে কাজ শুরু হবে তা সংশ্লিষ্ট জেলা উপপরিচালক স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সাথে আলোচনা ও মতামতের ভিত্তিতে নির্ধারণ করবেন। সিটি কর্পোরেশনের ক্ষেত্রেও স্থানীয় সংসদ সদস্যদের পরামর্শ অনুযায়ী যেকোনো একটি ওয়ার্ড চূড়ান্ত করা হবে।

প্রশিক্ষণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, সদর দপ্তর থেকে ২০ জন অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক দেশের ৩০ থেকে ৪০টি নির্ধারিত ভেন্যুতে প্রায় ১০০ জন মাস্টার ট্রেইনারকে দুই দিনের প্রশিক্ষণ দেবেন। বিভাগীয় পরিচালকদের ব্যবস্থাপনায় এসব প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর এই মাস্টার ট্রেইনাররা স্ব-স্ব উপজেলায় পাঁচ থেকে ছয় দিনের কর্মপরিকল্পনায় সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ দেবেন। প্রতিটি স্তরে প্রশিক্ষণ হবে দুই দিনের।

তাত্ত্বিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি মাস্টার ট্রেইনারদের ট্যাব ব্যবহার, ড্রেস সরবরাহ, সিম সংযোগ এবং অ্যাপ ইনস্টলেশনসহ অন্যান্য বিষয়ে একদিনের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সমাজসেবা কর্মকর্তার সংকট থাকলে স্থানীয় কৃষি, শিক্ষা বা আইসিটি কর্মকর্তাদের মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজে নামার আগে প্রত্যেক কর্মীকে অনলাইন মূল্যায়ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

বর্তমানে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য ৬৬ হাজার ৯১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী এবং ৬ হাজার ৮১৮ জন সুপারভাইজারের প্রোফাইল আইডি যাচাই ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ইউনিয়ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের স্ব-স্ব আইডি থেকে এই অনুমোদন সম্পন্ন করতে হবে।

যদি কোনো নির্বাচিত কর্মী কাজ করতে অনীহা প্রকাশ করেন, তবে তার কাছ থেকে লিখিত আবেদন গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া অনুপস্থিত বা বৈধ কারণে নিষ্ক্রিয়দের উপজেলা বাস্তবায়ন কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে নতুন সদস্য দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হবে।

নির্দেশনায় স্পষ্ট করা হয়েছে, নতুন করে কোনো পৃথক কমিটি গঠনের প্রয়োজন নেই। সরকারি গেজেটভুক্ত বিদ্যমান কমিটিই পুরো কার্যক্রম তদারকি করবে। পার্বত্য জেলাগুলোর ক্ষেত্রেও গেজেটে বর্ণিত সমন্বয় কমিটি এই তদারকির দায়িত্বে থাকবে। বাসসের তথ্যানুসারে সংশ্লিষ্ট উপজেলার নির্বাচিত ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড থেকেই মূলত তথ্য সংগ্রহের এই পাইলটিং কার্যক্রম শুরু হবে। চাকরির আরও তথ্য: নির্দেশিকায় বর্ণিত সুপারিশ নিয়োগ কমিটিও বহাল থাকবে।